Sunday, October 17, 2021

সমবায় সমিতির আড়ালে ব্যাংকিং

ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ সোসাইটি (ব্যাংক)

ব্যাংক নয়, নেই ব্যাংকিং লাইসেন্সও। তারপরও অবৈধভাবে ‘ব্যাংক’ শব্দটি ব্যবহার করে ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা চালিয়েই যাচ্ছে এক ধরনের সমবায় সমিতি।
অথচ সমবায় সমিতির আইনেই ব্যাংক শব্দ ব্যবহারে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ২০১৩ সালে আইন সংশোধন করে ৯ (৩) ধারায় এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শাস্তির বিধান যোগ করা হয়। তারপরও কেটে গেছে সাত বছর। কিন্তু অগ্রগতি তেমন কিছু হয়নি বললেই চলে। নিত্য নতুন নামে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা চলছেই।
সমিতির নামে ব্যাংকিং করে আইন ভঙ্গ করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না এসব প্রতিষ্ঠান। দফায় দফায় উচ্চ আদালতে রিট করে অহেতুক সময় ক্ষেপণ করছে।
২০১৫ সালে জাতীয় সংসদে তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সমবায় সমিতির রেজিস্ট্রেশন নিয়ে অবৈধ ব্যাংকিং করছে এমন ৬টি সমবায় সমিতিকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জানিয়েছিলেন।
যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সেগুলো হচ্ছে- ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ সোসাইটি (ব্যাংক) লি., ঢাকা আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাংক লি., আদর্শ সমবায় ব্যাংক লি., স্মল ট্রেডার্স কো-অপারেটিভ (ব্যাংক) সোসাইটি লি., মার্চেন্ট কো-অপারেটিভ ব্যাংক লি. ও আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ক্রেডিট সোসাইটি লি. (সাবেক এসিসিএফ ব্যাংক লি.), এসটিসি ব্যাংক লিমিটেডসহ আরো কিছু সমবায় সমিতি।
অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, নন-ব্যাংকিং আইনে স্পষ্ট বলা আছে কোনো সমিতিই ব্যাংক শব্দটি ব্যবহার করতে পারবে না। ওই আইনেই বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবস্থা নিতে পারে। এমনকি সমবায় সমিতি আইনেও এ বিষয়ে স্পষ্ট বিবরণ দেওয়া আছে। তারপরও প্রতারণা চলছে। সমিতিগুলো ব্যাংকের চেয়ে ডাবল সুদের প্রলোভন দেখিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকরাও যাচাই না করে অর্থ লগ্নি করছেন। আসলে আইনের বাস্তবায়ন হয় না বলেই এমন অরাজকতা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংকিং লাইসেন্স ব্যতীত কোনো সমবায় প্রতিষ্ঠান ব্যাংক শব্দ ব্যবহার করতে পারে না। কিন্তু কিছু প্রতিষ্ঠান তা উপেক্ষা করে ব্যাংক শব্দ ব্যবহার করছে। সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলো সমবায় অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সমবায় অধিদপ্তরকে অবৈধভাবে ব্যাংক শব্দ ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় টাস্কফোর্স এ বিষয়ে সচেতন রয়েছে।

তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা
আমানতকারীদের ৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান শিহান আবরার চৌধুরীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২৩ জানুয়ারি কমিশনের সভায় মামলাটি অনুমোদিত হয় বলে জানায় দুদকের জনসংযোগ শাখা।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শামসুন নাহার।
দুদক জানায়, আসামি বেলায়েত ও শামসুন নাহারের সহযোগিতা নিয়ে দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান শিহান আবরার চৌধুরী আমানতকারীর আমানতের ৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা অবৈধভাবে ঋণ হিসেবে নেন। পরে ওই টাকা দিয়ে ঢাকার বনানী ডিওএইচএস ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় নিজ নামে সম্পত্তি কেনেন। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে আমানতকারীদের আমানতের টাকায় অবৈধভাবে ঋণ নেওয়া এবং অর্থ স্থানান্তর, রূপাস্তর করার মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করে দ-বিধির ৪০৯ ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন আসামিরা।

দ্বিগুণ মুনাফার ফাঁদে লাখ লাখ গ্রাহক
আমানত রাখলে সুদ পাওয়া যায় সাড়ে ১০ শতাংশ হারে। এই লোভ দেখিয়ে দুই লাখের বেশি মানুষের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছে দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড।
নামের শেষে ব্যাংক ব্যবহার করা হলেও এটি একটি সমবায় সমিতি। সমিতিটি থেকে ঋণও পাওয়া যায় দিনে দিনেই। অবৈধভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালানো এই দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভে বর্তমানে আমানতের চেয়ে ঋণের পরিমাণ বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, অতিমুনাফার লোভে আমানতের অতিরিক্ত সুদ দিতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। ফলে দুই লাখের বেশি গ্রাহকের প্রায় এক হাজার কোটি টাকা আমানতের অর্থ চাহিবামাত্র ফেরত দেওয়ার বিষয়টি ঝুঁকিগ্রস্ত হয়ে উঠছে।
পরিস্থিতি আওতার বাইরে চলে যেতে থাকায় ঢাকা জেলা সমবায় কার্যালয় প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন করে আমানত সংগ্রহ, ঋণ বিতরণ ও শেয়ার বিক্রি না করার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিতে প্রশাসক পদমর্যাদার প্রধান নির্বাহী নিয়োগের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে।
এর আগে জেলা সমবায় কার্যালয় ‘ব্যাংক’ শব্দ ব্যবহার ও অবৈধভাবে লেনদেন বন্ধ করতে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতির কাছে একটি চিঠি পাঠায়। পাশাপাশি সমবায় সমিতি আইন অনুযায়ী নিবন্ধন কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও এক চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানানো হয়, সমবায় অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানটি কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বিতরণ, স্থায়ী আমানত গ্রহণ এবং শরিয়া ব্যাংক তথা সামগ্রিকভাবে অবৈধ ব্যাংকিং করছে। প্রতিষ্ঠানটি জঙ্গি অর্থায়নের সঙ্গেও সম্পৃক্ত কি না, খতিয়ে দেখা দরকার। আরও প্রায় এক বছর আগে, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকেও সমবায় কার্যালয়ে পাঠানো এক স্মারকে বলা হয়েছিল, প্রতিষ্ঠানটি অবৈধ ও অননুমোদিতভাবে সারা দেশে শাখা খুলে অবৈধভাবে ব্যাংকের মতো আমানত সংগ্রহ ও দাদন কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় হাজার কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করলেও কোনো স্থাবর সম্পত্তি নেই। ফলে যেকোনো সময় ডেসটিনি, ইউনিপেটুইউ, ম্যাক্সিম ও আইডিয়ালের মতো বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সুযোগ আছে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার। জনগণের আমানত তো এখানে জমা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক, সমবায় অধিদপ্তর মিলে সমন্বিত ব্যবস্থা নিলে সবার জন্য ভালো হয়। না হয় ডেসটিনি, ইউনিপেটুইউর মতো অবস্থা হবে। লাখ লাখ গ্রাহক ক্ষতিতে পড়বে।
সমবায় নিবন্ধিত ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভের ‘ব্যাংক’ শব্দ ব্যবহারে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলছে, প্রতিষ্ঠানটি সমবায় সমিতির আড়ালে সম্পূর্ণ ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাহ্যিক অবয়ব ও নাম দেখে সাধারণ জনগণ সমিতিটিকে ব্যাংক মনে করছে। এতে বেশি মুনাফার আশায় আমানত রেখে নিরীহ জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঋণ দিতেও আগ্রাসী আচরণ করছে প্রতিষ্ঠানটি। চাহিবামাত্র ঋণ দিচ্ছে।
যেমন, প্রিন্সিপাল শাখার গ্রাহক মো. রাজ্জাক ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর দুই কোটি টাকা ঋণের আবেদন করলে সেদিনেই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। একইভাবে ফার্মগেট শাখার গ্রাহক ক্যাপ্রিকর্নস লিমিটেড ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই ঋণের আবেদন করলে ২১ জুলাই অনুমোদন হয়। ঋণ নিয়ে গ্রাহক প্রাইম ব্যাংক উত্তরা শাখার ঋণ পরিশোধ করেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আবু জাফর চৌধুরী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুন্নাহার স্বামী-স্ত্রী। জনগণের বিপুল আমানত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানটি একটি করপোরেট সুশাসনবিহীন পারিবারিক চক্রে আবদ্ধ। যা আমানতকারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সমবায় অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আবু জাফর চৌধুরী, শামসুন্নাহারসহ ব্যবস্থাপনা কমিটির ১৩ সদস্যের বিরুদ্ধে ১০ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে অধিদপ্তর। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আবু জাফর চৌধুরীর অবৈধ ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ায় জেলা সমবায় কার্যালয় থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাঁর দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ১৯৭৩ সালে বেঙ্গল কো-অপারেটিভ সোসাইটি অ্যাক্ট, ১৯৪০-এর অধীনে অফিস অব দ্য রেজিস্ট্রার অব কো-অপারেটিভ সোসাইটি থেকে নিবন্ধিত হয়। সমবায় সমিতি আইন ২০০১-এর ৩৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো সমবায় সমিতি সদস্যবহির্ভূত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে আমানত নিতে পারে না। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, গত ২০১৪-১৫ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির লভ্যাংশ ছিল ৫০ শতাংশ। তবে শেয়ারের লভ্যাংশের প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকেরা তাঁদের বিনিয়োগ করা মূলধনের ওপর ৩২২ শতাংশ মুনাফা দেখিয়ে অর্থ তুলে নিয়েছেন। তবে কারা প্রকৃত সুবিধাভোগী তা জানতে পারেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। পরিদর্শন করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সহযোগিতা না করার কথাও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মহাখালী, বাংলামোটর ও প্রিন্সিপাল শাখায় গিয়ে দেখা যায়, ব্যাংকের মতোই কার্যক্রম চলছে। ঋণ পেতে আবেদন করতে হয়। আমানত রাখতে হলে একটি সদস্য ফরম পূরণ করতে হয়। শাখায় রয়েছে অর্থ জমা ও গ্রহণের জন্য পৃথক কাউন্টার।

Related Articles

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

‘আইএমইডি’র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’

তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে...

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

‘আইএমইডি’র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’

তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে...

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021

পল্লবীতে বাড়ি থেকে টাকা-স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে ৩ বান্ধবী উধাও

অনলাইন ডেস্ক: কলেজ পড়ুয়া তিন বান্ধবী বাসা থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, স্কুল সার্টিফিকেট ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন। রাজধানীর পল্লবীতে এই ঘটনা ঘটেছে।...

ধারাবাহিক : পলাশ রাঙা দিন

নুসরাত রীপা পর্ব-১৬ তুলির বিয়েতে মীরা আসবে না শুনে বিজুর খুব মন খারাপ । মীরাকে মায়ের কলিজা বলে মা কে ক্ষ্যাপালেও মীরাকে ও আপন বোনের মতোই...