Sunday, September 19, 2021

লক্ষ্মীপুরে ছোট ভাইদের প্রতিষ্ঠিত করে নিজেই এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে খুরশিদ আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক : ছোট ৬ ভাই ও বোনদেরকে নিজের ঘাম-শ্রমে অর্জিত অর্থ খরচ করে প্রতিষ্ঠিত করে দিয়ে নিজেই এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলাধীন রামনন্দিপুর গ্রামের মৃত রুহুল আমিন মাষ্টারের বড় পুত্র খুরশিদ আলম। রুহুল আমিনের ছিল ৭পুত্র ও ৪ কন্যা সন্তান। ছেলেদের মধ্যে সবার বড় খুরশিদ আলম। স্কুল মাষ্টার রুহুল আমিনের আয়ে সংসার চলতো না, তাই খুরশিদ আলম নিজেও ভাইদের প্রতিষ্ঠিত করার বাবার সাথে সংসারের হাল ধরেন এবং ভাইদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বাবার মৃত্যুর পর তার মা ছমেনা আফরোজ খুশি হয়ে খুরশিদ আলমের প্রাপ্য সম্পত্তির অংশ তাকে দানপত্র দলিলের মাধ্যমে তাকে রেজিষ্ট্রি করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অন্য ভাইয়েরা মিলিত হয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তারা মাকে ভুল বুঝিয়ে মায়ের কাছ থেকে খুরশিদ আলমের প্রাপ্য অংশসহ লিখে নিয়ে ভাগ-বণ্ঠন করে নিয়ে যায়। তাতেও তারা ক্ষান্ত না হয়ে মাকে ভুল বুঝিয়ে খুরশিদ আলমকে প্রদত্ত দলিল বাতিল করার জন্য আদালতে মামলা করেছে এবং খুরশিদ আলমকে প্রাণনাশ করার হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়ে বাড়ি-ঘর ও জায়গা জমি দখল করে নিচ্ছে। একই সাথে দলিল ফিরিয়ে দেবার জন্য চাপ দিচ্ছে অন্যথায় প্রাণ নাশ করে গুম করা হবে বলে হুমকি দিচ্ছে। খুরশিদ আলমের স্ত্রী ও পুত্রকে আটকে রেখে মারধর করে টেলিফোনে হুমকি দেবার বিষয়ে টেলিফোন রেকর্ড ও এবিষয়ে একাধিক জিডির কপি প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা করার জন্য এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ৩০০ টাকা মূল্যের জুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্পে খুরশিদ আলমের স্বাক্ষর নিলেও কোন ফয়সালা করতে পারেনি। বিষয়টি বর্তমানে লক্ষ¥ীপুর সদর থানার নিয়ন্ত্রণে আছে বলে জানা গেছে। থানা কর্তৃপক্ষ সামাজিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নিয়েছে।
এদিকে খুরশিদ আলমের মা দলিল বাতিলের মামলা করে ১৪৪ ধারা জারি করলেও খুরশিদ আলমের জায়গা জমি ও বাড়িঘর দখল করে নিচ্ছে তার উচ্ছৃঙ্খল ভাইয়েরা। মামলার প্রেক্ষিতে খুরশিদ আলম আদালতে যে জবানবন্দী দিয়েছেন তাতে বলা হয়েছে- লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার এলাকাধীন ৮৬ নং রামানন্দি মৌজার সাবেক ১১১ নং খতিয়ানভূক্ত ৫১৫ দাগ, ৭২৪ দাগ ও ৭৩০ দাগ ও ঐ মৌজার ১৪৪ নং খতিয়ানভূক্ত ৭৭৭ দাগ ঈড়ৎৎবংঢ়ড়হফরহম রিভিশন জরীপি ১১৮ নং মাঠ খতিয়ানভূক্ত ৭০৮ দাগ, ১২৫ নং মাঠ খতিয়ানভূক্ত ৭০৯ দাগ ও আর, এস, ২৪০০ দাগ এবং ঐ মৌজার সি, এস, ২৭০ নং খতিয়ান ঈড়ৎৎবংঢ়ড়হফরহম এস, এ, ২৮৯ নং খতিয়ানভূক্ত ৬৭৩, ৭৬০ ও ৭৬৯ দাগ এবং ঐ মৌজার সি, এস, ২০০ নং খতিয়ান ঈড়ৎৎবংঢ়ড়হফরহম এস, এ, ২৪৪ নং খতিয়ানভূক্ত ৯০৭, ৯৩০, ৯৩১, ৯৩২, ৯৩৪, ৯৪৫, ৯৪৬ ও ৯৫১ দাগ ও ঐ মৌজার সি, এস, ৪৪/১ নং খতিয়ান ঈড়ৎৎবংঢ়ড়হফরহম এস, এ, ১৯৫ নং খতিয়ানভূক্ত ৭৭৭ দাগ ঈড়ৎৎবংঢ়ড়হফরহম রিভিশন জরীপি ২১৩ নং মাঠ খতিয়ানভূক্ত ২২৭৪, ২৬৮১ ও ২৩৯৯ দাগ সমূহের অন্দরে নালিশী .১৬ একর ভূমিসহ আরও কতেক ভূমিতে মূলতঃ ছেমনা আফরোজের স্বামী মালিক ও দখলকার ছিলেন। ছেমনা আফরোজের ৭ পুত্র ও ৪ কন্যা হয়। খুরশিদ আলম ছেমনা আফরোজের ৩য় সন্তান ও পুত্রদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ হয়। খুরশিদ আলম পিতা ও মাতা অর্থাৎ বাদীর সংসারে থাকিয়া অনেক কষ্টে লেখাপড়া করিয়া ১৯৮৪ইং সালে এস, এস, সি ও ১৯৮৬ সালে এইচ, এস, সি পাস করে। খুরশিদ আলমেরপিতা-মাতার সংসারের সদস্য সংখ্যা অধিক হওয়ার কারনে ছেমনা আফরোজের স্বামীর আয়ে সংসার চালানো কঠিন ছিল। সে কারনে বড় ২ বোনসহ অপর ভাই বোনদরে দায়িত্ব খুরশিদ আলমকে পালন করিতে হয়। অভাবরে কারনে এবং আয় উর্পাজনে জড়িত হওয়ায় খুরশিদ আলম চাকুরীরত অবস্থায় ১৯৯০ ইং সনে প্রাইভেট পরীক্ষা দিয়া বি, এ, পাস করে। খুরশিদ আলম বড় ২ বোনের ববিাহ এবং ে ছাট ভাই বোনদরে ে লখাপড়ার দায়িত্ব গ্রহন করায় ব্যক্তিগত কোন উন্নতি বা সঞ্চয় করিতে পারে নাই। খুরশিদ আলমের পিতা ২০০৮ ইং সালে মৃত্যুবরন করে। খুরশিদ আলমের দাদার (পিতমহের) একটি মাত্র ভিটী ছিল। খুরশিদ আলমেরপিতা মাত্র .০৫ একর ভূমি প্রাপ্ত হয়। খুরশিদ আলম নিজ আয় উর্পাজনরে টাকায় বাবা ও মায়ের নামে প্রায় ১.৬০ একর সম্পত্তি ক্রয় করে। খুরশিদ আলম কখনও ব্যক্তগিত সুখ শান্তির কথা চিন্তা করে নাই। খুরশিদ আলমেরপিতা অবসর গ্রহনরে পর ২০০০ ইং সনে এককালীন পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য খুরশিদ আলম ২০,০০০/- টাকা খরচ করে। কিন্তু খুরশিদ আলমেরপিতা পেনশন বাবত ৩,১৮,০০০/- টাকা উঠানারে পর খুরশিদ আলমের ভ্রাতা সামছুদ্দিন, শাহজাহান ও নুরুল হুদা উক্ত টাকা নিয়া যায়। খুরশিদ আলম পিতা-মাতা, ভাই-বোন র্অথাৎ পরবিারের বিভিন্ন কাজে ১৯৮৬ ইং সন হইতে নিজের উর্পাজতি র্অথ পিতা মাতাকে প্রদান করে। উক্ত র্অথ দ্বারা ১৯৯৮ ইং সনে পিয়ারা ে বগম হইতে ১৮ একর ভূমি ২৫,০০০/- টাকা মূল্যে খরিদ করা হয়। খুরশিদ আলমের মেঝো বোন ছালেহা বেগমকে ৪০,০০০/- টাকা প্রদান করা হয়। খুরশিদ আলমের ছোট বোন রৌশন আরার স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর জন্য খুরশিদ আলমের মাতা ও অন্যদরে বন্ধককৃত অলংকার ৩৪,০০০/- টাকায় বন্ধকমুক্ত করা হয়। ২০১৪ ইং সনে জয়নাল আবেদীনকে বন্ধক বাবত ২০,০০০/-টাকা প্রদান করা হয়। খুরশিদ আলমের কষ্টার্জিত ২৫,০০০/- টাকায় খুরশিদ আলমের মাতা র্অথাৎ ছেমনা আফরোজের চক্ষু অপারেশন ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসা করানো হয়। খুরশিদ আলমের অর্জিত বেনালিশী সম্পত্তি ২০০৪ ইং সন হইতে খুরশিদ আলমের মাতা ছেমনা আফরোজ তত্ত্বাবধান করে এবং উক্ত সম্পত্তি হইতে আয় বাবত আনুমানকি ২,০০,০০০/- টাকা খুরশিদ আলমেরমাতা খরচ করে। উক্ত সম্পত্তি অদ্যাবধি খুরশিদ আলমের ছেমনা আফরোজের তত্ত্বাবধানে আছে। খুরশিদ আলমের ২০১৩ ইং সনরে শেষের দিকে ভ্রাতা আনোয়ার হোসেনকে ৫০০০/- টাকা প্রদান করে। ২০০৮ ইং সনে খুরশিদ আলমের মাতা খুরশিদ আলমের বেনালিশী ভূমিস্থ গাছ ৫০,০০০/- টাকায় বিক্রয় করে এবং উক্ত টাকা সংসারে খরচ করে। খুরশিদ আলমের মাতা খুরশিদ আলমের ছোট বোনের বিবাহের জন্য খুরশিদ আলমের বেনালিশী ১০ একর ভূমি বন্ধক দিয়া ৩০,০০০/-টাকা গ্রহণ করে। ২০০১ ইং সনে খুরশিদ আলমের পিতার চিকিৎসা ও গাজীপুর হইতে ঢাকায় আসা যাওয়া বাবত খুরশিদ আলম ৩০,০০০/-টাকা খরচ করে। তখন পরিবারের অন্য কোন সদস্য উর্পাজনক্ষম ছিলনা। খুরশিদ আলম ঐ সময় দৈনিক ১০০ কিলোমিটার যাতায়াত করিয়া পিতার দেখাশুনা করিত। ছেমনা আফরোজ ২৮/০৪/২০০২ ইং তারিখে ৪৫৮৪ নং কবলা মূলে .২৬ একর ভূমি মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের নিকট এবং একই তারিখে ৪৫৮৮ নং কবলা মূলে .১০ একর ভূমি মোঃ খোরশেদ আলমের নিকট বিক্রয় করিয়া সম্পূর্ণ টাকা খুরশিদ আলমের ভ্রাতা মোঃ সামছুদ্দিনকে বিদেশে পাঠানারে জন্য প্রদান করেন। মোঃ সামছুদ্দিন উক্ত দলিলদ্বয়ে সনাক্তকারী হয়। তখন উক্ত দলিলের বিষয় পরিবারের কেহ জানিত না। ছেমনা আফরোজ ০৫/১০/২০০৮ ইং তারিখে ১০৫৯০ নং হেবা ঘোষনা দলিলমূলে .০৬ একর ভূমি ১নং খুরশিদ আলমের ভ্রাতা নুরুল হুদাকে দান করে। ছেমনা আফরোজ ২৯/০৮/২০১৮ ইং তারিখের ৬৫১২ নং হেবা ঘোষনা দলিল মূলে .২৯২৫ একর ভূমি খুরশিদ আলমের ভ্রাতা সামছুদ্দিন, নুরুল হুদা , ইসমাইল, ইয়াছনি ও দেলোয়ারকে দান করে। খুরশিদ আলমকে ২০০২ ইং সনে পৃথক করিয়া দেওয়া হয় এবং নিজ খরচে ঘর দরজা নির্মান করিয়া বসবাসের জন্য নালিশী .১৬ একর ভূমি পৃথক করিয়া দেওয়া হয়। খুরশিদ আলমেরপিতা নালিশী ভূমি খুরশিদ আলমকে দলিল করিয়া দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও আজকাল করিয়া তাহা সম্ভব হয় নাই এবং পরর্বতীতে খুরশিদ আলমের পিতা ব্রেইন স্ট্রোক করিয়া অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যুবরন করে। খুরশিদ আলমের পিতা উক্ত .১৬ একর ভূমি খুরশিদ আলমকে দলিল করিয়া দেওয়ার প্রতিশ্রুতি সর্ম্পকে খুরশিদ আলমের মাতা ছেমনা আফরোজ ও ভ্রাতা সামছুদ্দিন ও নুরুল হুদা অবগত ছিল। খুরশিদ আলমের পিতা মৃত্যুর র্পূবে তৎ স্ত্রী ছেমনা আফরোজকে বলিয়া যায় ছেমনা আফরোজ যেন খুরশিদ আলমেরবসত ভূমি সংক্রান্ত নালিশী .১৬ একর ভূমি খুরশিদ আলমকে দলিল করিয়া ে দয়। সেই মোতাবেক ছেমনা আফরোজ স্বামীর প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে এবং খুরশিদ আলম র্কতৃক ২০০২ ইং সন হইতে বহু লক্ষ টাকা ব্যয়ে নীচু জমি ভরাট করিয়া উঁচু ভূমেিত পরিনত করে এবং তথায় দালান করতঃ বাড়ী ঘর নির্মানে, বাগান পত্তন ক্রমে এবং পুকুরের অংশসহ এস, এ, ১১১ নং খতিয়ানভূক্ত ৫১৫ দাগ ঈড়ৎৎবংঢ়ড়হফরহম আর, এস, ৭০৮ ও ৭০৯ দাগের অন্দরে .১৬ একর ভুমি ভোগ দখল করিয়া পরবিার নিয়া আসিতে থাকায় ছেমনা আফরোজ নালিশী হেবা দলিল মূলে উক্ত .১৬ একর ভূমি খুরশিদ আলমকে দান করে।
খুরশিদ আলমের উক্ত ভূমি বাবত ৪৬৮ ও ৭৬৩ নং ২ টি নামজারী খতয়িান খুলিয়া খাজনা পরিশোধ করিতেছে। প্রকাশ থাকা আবশ্যক যে, খুরশিদ আলমের ২০০২ ইং সন হইতে পৃথকভাবে বসবাস করিলে ও মাতা ও পিতার আদেশে বহু লক্ষ টাকা পিতা-মাতা ও ভাই-বোনদের কল্যানে ব্যয় করে। খুরশিদ আলমেরপিতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ছিলেন। তাহার মৃত্যুতে ছেমনা আফরোজ পারিবারিক পেনশেন প্রাপ্ত হইতেছে এবং তাহা খুরশিদ আলমের অপর ভ্রাতাগন ভোগ করিতেছে। খুরশিদ আলমের নালিশী ভূমি বাবত ২০০২ ইং সন হইতে হোল্ডিং টেক্স পরিশোধ করিতেছে। খুরশিদ আলমের উক্ত হোল্ডিং নং- ৬২৯৫ হয়। যাহা পরিবর্তিত হইয়া ৩৪৩ নং হোল্ডিং হয়। নালিশী ভূমিস্থ দালানে খুরশিদ আলমের নিজ নামে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়াছে এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করিতেছে। ক) নালিশী দলিল প্রকৃত, খাঁটি ও র্কাযকরী দলিল হয়। তাহা কখনও অকার্য্যকরী কিংবা কাগজিক কিংবা তঞ্চকতামূলক দলিল নহে। নালিশী দলিল হেবা ঘোষনা দলিল হয়। হেবা ঘোষনা দলিলে বর্নিত ভূমির বাজার মূল্য উল্লেখ করিতে হয়। কিন্তু উক্ত মূল্যের টাকা পরিশোধ করিতে হয়না। তৎ কারনে নালিশী দললিকে পণবিহীন কিংবা পণযুক্ত বলা যাইবে না। ছেমনা আফরোজ স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে নালিশী দলিলের মর্ম অবগত হইয়া তাহা সম্পাদন করেন। নালিশী দলিলের স্বাক্ষীগন ছেমনা আফরোজকে নালিশী দলিল সম্পাদন করিতে দেখিয়াছে। নালিশী দলিলের স্বাক্ষী সনাক্তকারী ছেমনা আফরোজের পরিচিত হয়। নালিশী দলিলের স্বাক্ষী জাহেদ ছেমনা আফরোজ কর্তৃক সামছুদ্দিন গং কে দেওয়া ২৯/০৮/২০১৮ ইং তারিখের ৬৫১২ নং হেবা ঘোষণা দলিলের ২ নং স্বাক্ষী হয়। উক্ত দলিলের ১ নং স্বাক্ষী মোঃ মাসুম বাদীনির বাড়ী হইতে বহু দূরবর্তী সমসেরাবাদ সাকিনের লোক হয়। ছেমনা আফরোজ র্কতৃক ০১/১০/২০১২ ইং তারিখের ১১৪৮৭ নং দলিলের ১ নং স্বাক্ষী আবির নগর সাকিনের আইয়ুব আলী ও ২ নং স্বাক্ষী হামছাদি সাকিনের ওছমান মিঝি এবং সনাক্তকারী আটিয়াতলী সাকিনের মোঃ ছায়েদুল হক হয়। ছেমনা আফরোজ র্কতৃক ০৫/১০/২০০৮ ইং তারিখের ১০৫৯০ নং দলিলের ২ নং স্বাক্ষী আবিরনগর সাকিনের আইয়ুব আলী হয়। দলিলের সকল স্বাক্ষী ও সনাক্তকারী দলিল দাতা/ দাত্রীর র্পূব পরিচিত হইতে হইবে এই মর্মে রেজিষ্ট্রশন আইনরে কোথাও উল্লেখ নাই। ছেমনা আফরোজ স্বয়ং সাব রেজিষ্ট্রার সাহবেরে সম্মুখে উপস্থিত হইয়া নালিশী দলিলের সম্পাদন স্বীকারে নালিশী দলিল রেজিষ্ট্রি করিয়া দিয়াছে। নালিশী দলেিল কোন প্রকার তঞ্চকতা করা হয় নাই। বিবাদী নালিশী ভূমেিত জোরর্পূবক প্রবেশ করিবে কিংবা নালিশী জমির আকার প্রকার পরির্বতন করিবে মর্মে কিংবা নালিশী জমি অন্যত্র হস্তান্তর করিবে মর্মে কিংবা বাদীর শান্তিপূর্ণ ভোগ দখলে বেঘাত সৃষ্টি করিবে কিংবা জমা খারিজ খতিয়ান সৃজন করিবে মর্মে ২০/০৯/২০১৯ ইং তারেিখ কিংবা কোন তারিখে বাদী পক্ষকে ধমক প্রদানের প্রশ্নই আসেনা। নিঃস্বত্ববান দখলবিহীন ছেমনা আফরোজকে বেদখল করার মর্মে ধমক দেওয়ার কোন কারন নাই। ছেমনা আফরোজ খুরশিদ আলমের ভ্রাতাগনের দ্বারা অবৈধভাবে প্ররোচিত হইয়া অত্র মিথ্যা মোকদ্দমা ও মিথ্যা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্থ আনয়ন করিয়াছেন। খুরশিদ আলম নিরাপত্তার অভাবে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

Related Articles

ধারাবাহিক : পলাশ রাঙা দিন

নুসরাত রীপা পর্ব-১৬ তুলির বিয়েতে মীরা আসবে না শুনে বিজুর খুব মন খারাপ । মীরাকে মায়ের কলিজা বলে মা কে ক্ষ্যাপালেও মীরাকে ও আপন বোনের মতোই...

প্রকৃতিকন্যা সিলেট- নয়নাভিরাম রাতারগুল

মিলু কাশেম অপরূপ প্রকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের বাংলাদেশ।নদ নদী পাহাড় পর্বত হাওর বাওর সমুদ্র সৈকত প্রবাল দ্বিপ ম্যানগ্রোভ বন জলজ বন চা বাগানসহ পর্যটনের নানা...

হাওড়ে প্রেসিডেন্ট রিসোর্টের জমকালো উদ্বোধন

দুই নায়িকা নিয়ে জায়েদ খান মিশা ডিপজল রুবেল হেলিকপ্টারে চড়ে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন হাওরে প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট উদ্বোধন করতে এসেছিলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান, জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

ধারাবাহিক : পলাশ রাঙা দিন

নুসরাত রীপা পর্ব-১৬ তুলির বিয়েতে মীরা আসবে না শুনে বিজুর খুব মন খারাপ । মীরাকে মায়ের কলিজা বলে মা কে ক্ষ্যাপালেও মীরাকে ও আপন বোনের মতোই...

প্রকৃতিকন্যা সিলেট- নয়নাভিরাম রাতারগুল

মিলু কাশেম অপরূপ প্রকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের বাংলাদেশ।নদ নদী পাহাড় পর্বত হাওর বাওর সমুদ্র সৈকত প্রবাল দ্বিপ ম্যানগ্রোভ বন জলজ বন চা বাগানসহ পর্যটনের নানা...

হাওড়ে প্রেসিডেন্ট রিসোর্টের জমকালো উদ্বোধন

দুই নায়িকা নিয়ে জায়েদ খান মিশা ডিপজল রুবেল হেলিকপ্টারে চড়ে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন হাওরে প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট উদ্বোধন করতে এসেছিলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান, জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা...

মৎস্য খাতে অর্জিত সাফল্য ও টেকসই উন্নয়ন

ড. ইয়াহিয়া মাহমুদমৎস্যখাতের অবদান আজ সর্বজনস্বীকৃত। মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ৩.৫০ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে ২৫.৭২ শতাংশ। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে...

জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ

মৎস্য উৎপাদনে যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। পরিকল্পনা মাফিক যুগোপযোগী প্রকল্প গ্রহণ করায় এই সাফল্য এসেছে। মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির হারে সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে বাংলাদেশ।...