Thursday, September 23, 2021

মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠছে গাজীপুর সিটির কাউন্সিলররা

তিন বছরে সম্পদ বেড়েছে ৪ হাজার কোটি টাকার : অনুগতদের নিয়ে ২৫টি গোপন বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক : মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, পিতা মোঃ মিজানুর রহমান, মাতা-মোসা. জায়েদা খাতুন, স্থায়ী ঠিকানা : কানাইয়া, ওয়ার্ড নং-৩০, জয়দেবপুর, গাজীপুর মহানগর-একজন সৎ, সমাজসেবক, নীতিবান দেশপ্রেমিক হিসেবে পরিচিত। এটা তার বাইরের রূপ কিন্তু ভিতরটা কয়লার চেয়েও কালো, আমাবশ্যার চেয়েও অন্ধকার। বিশ্ব এজতেমার টাকা আত্মসাৎ করতেও দ্বিধা করেননি তিনি। চুরির ক্ষেত্রে ভিন্ন একটি কৌশল বেছে নিয়েছেনে তিনি। ১০০ টাকা চুরি করলে ২০ টাকা অনুগতদের মাঝে বিতরণ করেন আর ১০ টাকা দান করেন অবশিষ্ট ৭০ টাকা নিজের পকেটে ঢোকান। ফলে সবাই তার গুণকীর্তন করে বেড়ায়। সিটির সমস্ত উন্নয়ন কাজ করেন নিজের লোকদেরকে দিয়ে। কর্পোরেশনের মাসিক সভা সকল কাউন্সিলরদের নিয়ে করার কথা থাকলেও তিনি কেবল নিজের অনুগতদের নিয়েই সভা করেন এবং সভার কার্যবিবরণী ও সিদ্ধান্ত কাউকে দেখতে দেন না। ফলে ফুঁসে ওঠছেন কাউন্সিলররা, তারা বিগত ২৫ টি সভার কার্যবিবরণী প্রকাশ করার জন্য মেয়রের নিকট আবেদন করেছেন।

সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের তার প্রদত্ত হলফনামা অনুযায়ী তিনি একজন ব্যবসায়ী। তিনি অনারেবল টেক্সটাইল এন্ড কম্পোজিট লিমিটেড’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। জেড আলম অ্যাপারেলস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ দেশের বাজারে ও বিদেশে তৈরী পোশাক ক্রয়-বিক্রয় করছেন।
জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। অতীতে দ্রুত বিচার আইনে দুটি মামলা দায়ের হয়েছিল তার বিরুদ্ধে; যার মধ্যে একটিতে খালাস ও অপরটি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের হলফনামার তথ্য অনুযায়ী : বার্ষিক আয় ২ কোটি ১৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৮ কোটি ৮৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। এর বাইরে ছিল ১ হাজার ৫৩৬ শতাংশ কৃষি ও অকৃষি জমি। অপরদিকে দেনা রয়েছে ৮ কোটি টাকা। রয়েছে দুটি অস্ত্র, গাড়িসহ আসবাবপত্র। নির্বাচনী প্রচার ও অন্য কার্যক্রমে তিনি ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করবেন বলে ইসিকে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে কর্মীদের পেছনে ব্যয় করবেন ১০ লাখ টাকা।
হলফনামায় জাহাঙ্গীর আলম বার্ষিক আয়ের মধ্যে মধ্যে ১ কোটি ১৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা আয়কর অধ্যাদেশের ১৯ই ধারায় অর্জিত দেখিয়েছেন (কালো টাকা সাদা করেছেন)। এছাড়া কৃষি খাত থেকে তার বার্ষিক আয় দেড় লাখ টাকা। বাড়ি ও দোকান ভাড়া পান ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে আয় ৯৪ লাখ ২০ হাজার টাকা।


হলফনামায় জাহাঙ্গীর আলম তার পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ব্যবসা। তিনি অনারেবল টেক্সটাইলস কম্পোজিট এবং জেড আলম অ্যাপারেলস লিমিটেড নামক দুটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। অনারেবল টেক্সটাইলস কম্পোজিটে তার শেয়ার রয়েছে ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও জেড আলম অ্যাপারেলসে শেয়ার ২০ হাজার টাকা।
তার সম্পদের মধ্যে নগদ টাকার পরিমাণ ৭ কোটি ৪৮ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। ব্যাংকে তার জমা রয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৭১ টাকা এবং ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন ৭৫ লাখ ২৩ হাজার ৭৮৭ টাকা। আর সঞ্চয়পত্র আছে ১০ লাখ টাকার। এছাড়া জাহাঙ্গীর আলমের দুটি গাড়ি, একটি বন্দুক ও একটি পিস্তল, ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং আসবাবপত্র রয়েছে।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৫৩৬ শতাংশ জমি। এর মধ্যে কৃষিজমি ১ হাজার ৪৯৫.১৫ শতাংশ, অকৃষি জমি ৩৩ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং আবাসিক/বাণিজ্যিক জমি ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। জমি বিক্রয়ের জন্য বায়না বাবদ ৮ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে তার।
মজার ব্যাপার হচ্ছে নির্বাচিত হবার তিন বছরের মাথায় তার সম্পদ বেড়েছে কয়েকশতগুণ, হয়েছেন জেলার শ্রেষ্ট কর দাতা। শুধু জমিই কিনেছেন শতাধিক বিঘা।
সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে একাধিক অভিযোগ করেছে গাজীপুরবাসী। অভিযোগে বলা হয়েছে ঃ (অভিযোগটি হুবুহু তুলে ধরা হরো) গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চরম দূর্নীতিবাজ, চরম দুশ্চরিত্রের অধিকারী, মুখোশধারী ও পাকা অভিনেতা মেয়র জাহাঙ্গীর আলম দূর্নীতির মাধ্যমে সিটি কপোরেশনের রাজস্ব ও উন্নয়ন তহবিল থেকে গত ০৩ (তিন) বছরে শত শত কোটি টাকা আতসাৎ ও সীমাহীন দূর্নীতির বিরুদ্ধে গুরুতর অমার্জনীয় অপরাধের বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে গ্রেফতার করে দ্রুত বিচারের সম্মুখীন করার আবেদন জানানো হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন, মানবতার মা, আপনি সবসময় উচ্চকন্ঠে বলে থাকেন, এই দেশে দূর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। সে যেই দলের নেতা হউক বা আমার দলের নেতা হউক তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আপনার উপর আমাদের আস্থা, বিশ^াস ও ভরসা শতভাগ। আমরা আপনার দৃঢ় কর্মকান্ডে তার যথেষ্ঠ প্রমাণ পেয়েছি। যেমন-যুবলীগ নেতা সম্রাট ও জি.কে. শামীমকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়েছেন। গত ০৩ (তিন) বছর যাবৎ মেয়র জাহাঙ্গীরের লাগামহীন দূর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা বিভিন্ন দপ্তরে সুর্নিদিষ্ট তথ্য-প্রমাণ সহকারে অভিযোগ দাখিল করেছি যেমন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ও দূর্নীতি দমন কমিশনে, যেখানে অভিযোগপত্র জমা হয় সেখানে থেকে আজ পর্যন্ত কোন অভিযোগ প্রাথমিক তদন্ত বা কার্যক্রম বা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নাই, বিষয়টি অনাকাঙ্খিত ও অপ্রত্যাশিত। তবে আমরা হতাশ নই, আমরা আশাবাদী, কারণ দেরীতে হলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এইটা আমাদের বিশ^াস। কিছুদিন আগে আপনি একটি মিটিং-এ বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার থেকে শুরু করে মন্ত্রী পর্যন্ত যদি কেউ দূর্নীতি করে তবে তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এইজন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মেয়র জাহাঙ্গীরের দূর্নীতি কতটা ভয়াবহ তার চিত্র দেখলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বিবেকবান মানুষ হিসাবে স্থির থাকতে পারবেন না। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে বর্তমানে ৬ শত ঠিকাদার রয়েছে। আজ পর্যন্ত গত ০৩ (তিন) বছরে একটি কাজও তারা পায় নাই। শুধু তার নিজস্ব যেই কয়েকটা ফার্ম আছে সেই কয়েকটা ফার্মের নামে ১ হাজার কোটি টাকার ভূয়া বিল প্রদান করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চোর যদি মূর্খ হয়, তাহলে অল্প কিছু মানুষের সম্পদ চুরি করে, আর যদি চোর শিক্ষিত হয় তবে পুরো জাতির সম্পদ চুরি করে ফেলে। ঠিক তেমনি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের দূর্নীতিবাজ, চরিত্রহীন ও লম্পট মেয়র ০৮টি জোনের সমস্ত রাজস্ব ফান্ডের টাকা ব্যাংকে জমা হওয়ার সাথে সাথে ভূয়া জ.ঋ.ছ ফাইল তৈরী করে গত ০৩ (তিন) বছরে শত শত কোটি টাকা দূর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। রাজস্ব ফান্ডের টাকা দিয়ে আজ পর্যন্ত কোন উন্নয়নমূলক কাজের একটি টেন্ডার ও প্রদান করা হয় নাই। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর তার বন্ধু মনিরুল ইসলামকে নগর ভবনের ৩য় তলায় হাওয়া ভবন নামে একটি অর্ফিস খুলে দিয়েছেন। সেখানে র্ঠিকাদারদের সীল, প্যাড ও অন্যান্য কাগজপত্র গোডাউন আকারে রাখা হয়েছে। প্রতিনিয়ত সেখান থেকে জ.ঋ.ছ ভূয়া ফাইল তৈরীর কাগজপত্র সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিটি জোনে মনিরুল ইসলাম ফোন করে ফাইল তৈরীর নির্দেশ প্রদান করেন, নির্দেশ না মানলে সাথে সাথে অন্য জোনে শাস্তিমূলক বদলী করা হয়। এই ফাইল তৈরী করার জন্য সবচাইতে বেশি উৎসাহ দিচ্ছেন প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । গোলাম কিবরিয়া প্রতিদিন ব্যাংকে কত টাকা জমা হয় ফোন করে জেনে মেয়রকে অবহিত করেন। টাকা জমা হওয়ার সাথে সাথে ভূয়া চেক দিয়ে গোলাম কিবরিয়া সিটি কর্পোরেশনের একাউন্টের সমস্ত টাকা উত্তোলন করে মেয়র ও মেয়রের বন্ধু মনিরুল ইসলামসহ আত্মসাৎ করেন। ইতিপুর্বে খ জ ফান্ড টাকা চুরির জন্য গোলাম কিবরিয়া ০৬ (ছয়) মাস জেল খেটেছেন। তিনি ফাইল ছাড়াও ভূয়া চেক দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তদন্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য অনুরোধ করা হল। তার মতো এতবড় দূর্নীতিবাজ বাংলাদেশ জন্মের পরে আছে বলে আমাদের মনে হয় না। গত ০৩ তিন বছরে ২৪টি মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি মাসিক সভার রেজুলেশনের কপি আমাদেরকে দেওয়া হয় নাই। মাসিক সভায় তার অনিয়মের ও দূর্নীতির কথা বললে সেই ওয়ার্ডে কোন উন্নয়নমূলক প্রকল্প দেওয়া হয় না। এখানে উল্লেখ্য যে, তার দূর্নীতি যাতে কেউ ধরতে না পারে এই জন্য তিনি প্যানেল মেয়র নির্বাচিত করেন নাই। এতবড় সিটি কর্পোরেশনে কাউকে দায়িত্ব না দিয়ে তিনি কোন আইনের বলে ১০/১৫ বার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন?


এখানে উল্লেখ্য যে, গত ২৪/০২/২০২১ইং তারিখে রেজুলেশনের কপিতে ৭নং পৃষ্ঠায় ড্রেন ও রাস্তা মেরামতের ব্যাপারে দূর্নীতিবাজ মেয়র নিজে প্রস্তাব করেন বলে (জুম মিটিং) উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ, কাউন্সিলরগণ এই ব্যাপারে কিছুই জানেন না। কারণ, রেজুলেশনের কোন কপি কাউন্সিলরদের দেওয়া হয় না। উল্লেখিত রেজুলেশনের প্রেক্ষিতে ঈদের আগের সাপ্তাহে ৪০ লক্ষ টাকা করে কাশিমপুর জোন থেকে ৫টি ভূয়া ফাইল, কোনাবাড়ি জোন থেকে ৪০ লক্ষ টাকা করে ৫টি ফাইল, সালনা জোন থেকে ৪০ লক্ষ টাকা করে ৫টি ফাইল, বাসন জোন থেকে ৪০ লক্ষ টাকা করে ৫টি ফাইল, পূবাইল জোন থেকে ৪০ লক্ষ টাকা করে ৫টি ফাইল, টঙ্গি জোন থেকে ৪০ লক্ষ টাকা করে ৬টি ফাইল, গাছা জোন থেকে ৪০ লক্ষ টাকা করে ৬টি ফাইল এবং নগর ভবন থেকে ৪০ লক্ষ টাকা করে ৬টি ফাইল ভূয়া ফাইল তৈরী করে প্রায় ১৯ থেকে ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। সিটি কর্পোরেশনের ০৮টি জোনে ঈদুল আযহার আগে কোন উন্নয়নমূলক রাস্তা,ঘাট, ড্রেন নির্মাণ ও পরিস্কার না করে খঞগ (খড়পধষ ঞবহফবৎ গবঃযড়ফ) পদ্ধতিতে ফাইল তৈরী করে প্রতিটি ফাইল ৪০ লক্ষ টাকা করে প্রায় ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। সেই টাকা দিয়ে ১৫ই আগষ্টের শোক দিবসে গাজীপুর মহানগর এলাকায় ১৫০টি গরু ও প্রতিটি গরুর সাথে নগদ ৫০ হাজার করে টাকা দিয়েছেন। এতে বঙ্গবন্ধুর আত্মা কষ্ট পেয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাউকে দূর্নীতির টাকা দিয়ে শোক দিবস পালনের জন্য কোন নির্দেশ দেন নাই। দূর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি জিহাদ ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ পাক এই অন্যায় কাজের ফল হিসাবে তার শরীরে করোনা রোগে আক্রান্ত করেছেন। আল্লাহ পাক ন্যায় বিচারক, দূর্নীতিবাজ মেয়র তার নিজের হাত দিয়ে গরু এবং টাকা বিলি বন্টন করতে পারেন নাই এবং শোক সভার কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন নাই, এটা আল্লাহর বিচার। এই দূর্নীতির টাকা দারা ক্রয়কৃত গরু ও নগদ টাকা অন্যান্য নেতারা বিলি বন্টন করেছেন। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে এই জঘন্যতম দূর্নীতির দৃষ্টান্তমূলক বিচার কামনা করছি। এই জন্য সিটি কর্পোরেশনের হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা ও দূর্নীতিবাজ মেয়রের গ্রেফতার দাবী করছি। হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার নামে প্রতিমাসে মেয়র ও ৩০-৪০ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন। সেই টাকা ক্যাশ করে আশরাফুল ইসলাম রানাকে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে টাকা ভাগবাটোয়ারা করে প্রতি মাসেই আত্মসাৎ করা হয়। তার চরম দূর্নীতি আড়াল করার জন্য দিনের পরিবর্তে রাত্রের বেলা রাস্তায় গিয়ে বসে থাকেন এটা একধরনের চালাকি মাত্র।
এাষ্টাররোলের কয়েকশত কর্মচারীকে চাকুরী স্থায়ী করে দিবে সিটি কর্পোরেশনের সবচাইতে প্রভাবশালী হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা মোঃ গোলাম কিবরিয়া, তার বন্ধু ভন্ড মনিরুল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম রানা ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের (মাষ্টার রোলে নিয়জিত) প্রতিজনের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা, ২য় শ্রেণির কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ৭ লক্ষ টাকা করে এবং ৩য় শ্রেনীর কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা করে সর্বমোট ১৫ কোটি টাকা অগ্রিম নিয়েছেন। তিনি বলেছেন চাকুরীর ঙৎমধহড়মৎধস পাস করার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে ২ কোটি টাকা, জনপ্রশাসন সচিবকে ১ কোটি টাকা, পরিকল্পনা সচিবকে ১ কোটি টাকা, অর্থ সচিবকে ১ কোটি এবং স্থানীয় সরকার সচিবকে ১ কোটি টাকা ও স্থানীয় সরকারের অতিরিক্ত সচিবকে (সিটি কর্পোরেশন) ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন, এই কথাটি মেয়র সাহেব তার নিজস্ব লোকজনের সাথে অফিসে বসে মুখরোচক গল্প করেন। এমন কোন অপকর্ম নাই যেটা মেয়র জাহাঙ্গীর করেন নাই। তিনি সিটি কর্পোরেশনের আত্মসাৎকৃত টাকা দিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তা এবং অর্থমন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের যাতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে বেশি টাকা ছাড় দেয় এজন্য সিটি কর্পোরেশনের ফান্ড থেকে কয়েক কোটি টাকা মন্ত্রণালয়ে সালামি দিয়েছেন। ওবায়দুল কাদের সাহেব যখন অসুস্থ ছিলেন তখন সিঙ্গাপুর গিয়ে মেয়র জাহাঙ্গীর সিটি কর্পোরেশনের ফান্ড থেকে দুই কোটি টাকার ডলার করে তাকে দিয়ে আসছেন এবং তার আগে কাদের সাহেবকে ২৮ লক্ষ টাকা দিয়ে ঘড়ি কিনে দিয়েছেন। সমস্ত টাকা সিটি কর্পোরেশন থেকে ভূয়া ফাইল তৈরী করে পরিশোধ করেছেন।


গত ২০২১ইং সালের জুন মাসের ১ম সপ্তাহে বৃষ্টির পানি অপসারনের জন্য ভূয়া জ.ঋ.ছ ফাইল তৈরী করে ০৮টি জোন থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। বৃষ্টির পানি পরিস্কার করার জন্য সিটি কর্পোরেশনে কয়েকশত মাষ্টার রোলে কর্মচারী রহিয়াছে। সেই কর্মচারীরাই পানি নিষ্কাশনের কাজ সম্পন্ন করিয়াছে অথচ তিনি বাহির থেকে লেবার দেখাইয়া প্রতি মাসে শত শত ভূয়া ফাইল তৈরী করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করিয়াছেন। মাষ্টার রোলের সব কর্মচারীদের চাকুরী স্থায়ী করার জন্য ৮টি জোন থেকে প্রায় ৭০ কোটি টাকা কাছ থেকে সালামি ধার্য্য করা হয়েছে, ইতিমধ্যে ১৫ কোটি টাকা অগ্রিম নিয়েছেন। ড়ৎমধহড়মৎধস অনুমোদিত হইলে তাদের কাছ থেকে বাকী টাকা নেওয়া হইবে। এজন্য দূর্নীতিবাজ মেয়র মন্ত্রণালয়ে দৌড়ঝাপ করিতেছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উ চ চ প্রকল্পে ৭৬০ কোটি টাকা, আরেকটি উ চ চ প্রকল্প ১৫১০ কোটি টাকা, আরেকটি উ চ চ প্রকল্পে ৩৮২৮ কোটি দেওয়া হয়েছে (ভূমি অধিগ্রহণ ও ০৮ রাস্তা নিমার্ণসহ) কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন, সেই টাকা থেকে বিভিন্ন সময়ে ঙাবৎষধঢ়ঢ়রহম ফাইল তৈরী করে এবং ফাইল ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তার নিজের প্রয়োজনে কয়েকশত কোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। তদন্ত করলে এবং চেক রেজিষ্ট্রার এন্ট্রি বহি ও প্রকল্পের তালিকা দেখলে তার শতভাগ প্রমাণিত হইবে। হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা জনাব মোঃ গোলাম কিবরিয়াকে দ্রুত গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলে সঠিক অংকের টাকা জানা যাবে। এখানে উল্লেখ্য যে, আজ পর্যন্ত কোন জমি হুকুম দখল করা হয় নাই, অথচ, তিনি বিভিন্ন সময় উক্ত ফান্ড থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। কোন কাউন্সিলর যদি রেজুলেশনের কপি চান এবং দূর্নীতির কথা বলেন, তাহলে তিনি তার ওয়ার্ডে কোন উন্নয়নমূলক প্রকল্প অনুমোদন করেন না। উল্লেখিত টাকা থেকে মেয়র যখন খুশি তখন চেক দ্বারা সিটি কর্পোরেশন একাউন্ট থেকে ফাইল ছাড়া টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি দূর্নীতির টাকায় এখন দানবীর।
এখানে উল্লেখ্য যে, তার বন্ধু মনিরুল ইসলামকে ০৫টি ফার্মের মাধ্যমে দূর্নীতিবাজ মেয়র গত ৩ (তিন) বছরে প্রায় ৫শত কোটি টাকা জ.ঋ.ছ ভূয়া ফাইল তেরী করে আত্মসাৎতের সুযোগ করে দিয়েছেন এবং পরবর্তীতে সেই টাকা দুই জনে ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছেন। এখানে একটি ফার্মের নাম দেওয়া হল-আদিতা এন্টারপ্রাইজ মূলত মনিরুল ইসলাম এর নামে ব্যবহৃত হয়। ফার্মটি অফিসে আলী হোসেন নামে লাইসেন্স করা হয়েছে। আশরাফুল ইসলাম রানা ও মেয়রের বন্ধু মনিরুল ইসলামের নামে মোট ০৭টি ফার্মের নামে যে ফার্মগুলো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে তারা দু,জনে ও মেয়র মিলে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা (মেয়র জাহাঙ্গীর মিলে) আত্মসাৎ করেছেন। এখানে উল্লেখ্য যে, সিটি কর্পোরেশনের বর্তমানে ৬ শত জন ঠিকাদার আছে, কোন ঠিকাদার একটি কাজও পায় নাই। কারণ ঘুরে ফিরে তার নিজস্ব ৭টি ফার্মের মাধ্যমে ভূয়া ফাইলের চেক তৈরী করে লাগামহীন দূর্নীতি করছে। কাজ ছাড়া ভূয়া ফাইল তৈরী করে রাজস্ব ফান্ডের সমস্ত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।


বাজারে প্রতিটি ফগার মেশিনের দাম ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা, তিনি সিটি কর্পোরেশন থেকে প্রতিটির দাম ২,১২,০০০/- (দুই লক্ষ বার হাজার) টাকা করে নিয়েছেন, সিরাজ কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে। ভেহিকেল ইঞ্জিন মাউনটেন্ট হগার মেশিনের দাম ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা (ভ্যাটসহ)। সেখানে তিনি প্রতিটি মেশিন ১০ (দশ) লক্ষ টাকা করে সিরাজ কন্ট্রাক্টারের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ফগার মেশিন চালানোর জন্য ছোট ২টি পি-কাপ গাড়ি কিনেছেন যার প্রতিটির মূল্য ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা, সেখানে তিনি ২টি গাড়ির মূল্য ২৪,০০,০০০/- (চব্বিশ লক্ষ) টাকা দেখাইয়া অতিরিক্ত টাকা সিরাজ কন্ট্রাক্টর এর মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। মৈরান এলাকায় ১৫ থেকে ১৭ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন সিটি কর্পোরেশন এর চুরির টাকা দিয়ে। সেখানে যে গাড়িগুলি ব্যবহার করা হইতেছে, সেই গাড়িগুলি হলো-(অং চযধষঃ চষধহঃ) এর গাড়ি অথচ তিনি সেই গাড়িগুলিকে নিজের গাড়ি হিসাবে ব্যবহার করিতেছেন। এই সকল অপকর্মের সকল ফাইল স্বাক্ষর করেন, ইউনুছ খান তথাকথিত মাওলানা। সকল ভূয়া ফাইলে স্বাক্ষর তিনি একাই করে থাকেন। এখন তিনি ২য় তলায় নজরুল সাহেব এর রুমে অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। প্রতিটি ফ্রামের প্রোপাইটরের স্বাক্ষর মোঃ ইউনুছ করে থাকেন।
উ চ চ প্রকল্পের অং চযধষঃ চষধহঃ এর মালামাল ক্রয়ের জন্য (মিক্সার মেশিন ও গাড়ী) মেকানিক্যাল শাখা থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার আমজাদ হোসেন ৪৫ কোটি টাকার ফাইল উপস্থাপন করে, ৫ কোটি টাকার মালামাল ক্রয় করে অবশিষ্ট ৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। উ চ চ প্রকল্পের মাধ্যমে (বিদ্যুৎ শাখার গাড়ীক্রয়, হোন্ডা ও বীম লিফটার গাড়ী ক্রয়ের নামে) মাস্টার রোলের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের তানভিরের মাধ্যমে ৫০ (পঞ্চাশ) কোটি টাকার ফাইল উপস্থাপন করে ৫ কোটি টাকার গাড়ী কিনে অবশিষ্ট ৪৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সর্বমোট দুইটি প্রকল্প থেকে মোট ৮৫ (পঁচাশি) কোটি আত্মসাৎ করে। সেই টাকা দিয়ে তিনি গাজীপুরের সবচেয়ে বড় কর দাতা হয়েছেন। কত কালো টাকা তিনি সাদা করেছেন তা তার ইনকাম ট্যাক্সের ফাইল তদন্ত করলে যথেষ্ঠ দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যাবে। মেয়র জাহাঙ্গীরের সম্পদ প্রায় ১০০০ গুণ বেড়েছে। মেয়রের নির্দেশে মনিরুল ইসলাম সমস্ত টেন্ডারের কাজকর্ম ঠিকাদারদের মাঝে ভাগ-ভাটোয়ারা করে দেন। ইহা ছাড়া উ চ চ প্রকল্পের কাজের ফাইল থেকে মেয়র অগ্রিম ১০% টাকা এবং বাকী অন্যান্য শাখা মিলে ১০% টাকা নিয়ে থাকেন। এটা ওপেন সিক্রেট।
সেই টাকা দিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে কোনা বাড়ী এলাকায় ১৯ কোটি টাকা দিয়ে ঘ.ঞ.ক.ঈ নামে একটি ফ্যাক্টরী ক্রয় করেছেন এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পূবাইল এলাকায় বাধুন মৌজায় সিটি কর্পোরেশনের আত্মসাতের টাকা দিয়ে প্রায় ১০০ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। সিটি কর্পোরেশনের ময়লার ট্রাক দিয়ে এবং আত্মসাৎকৃত টাকা দিয়ে সেই জমিতে বালি ভরাটের কাজ অব্যাহত রেখেছেন। ইহা ছাড়া মৈরান মৌজায় ২২ বিঘা, ধীরাশ্রম মৌজায় ১৫ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন, ডোমার পাড়া এলাকায় ১২ বিঘা, কলের বাজারের উত্তর পাশে ১২ বিঘা এবং সাইনবোর্ড এলাকায় ৯ বিঘা জমি অবৈধ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন। এই তথ্যটি সরেজমিনে পরিদর্শণ করে সত্যতা পাওয়া গিয়াছে। বিশ^স্ত সূত্রে জানা গেছে, ইহা ছাড়া ও ভালুকা, দিনাজপুর, উত্তরা, পূর্বাচল এলাকায় আত্মসাৎকৃত টাকা দিয়ে জমি ও ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। ইহা ছাড়া সালনা জোনে ২৩ নং ওয়ার্ডে হাতিয়া বৌ মৌজায় ১০ বিঘা এবং রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টমেন্ট এলাকায় চৌরাস্তার পাশে গিভেন্সি গ্রুপের পাশে প্রায় ৩০ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন।


ঙাবৎষধঢ়ঢ়রহম প্রজেক্টের মাধ্যমে উন্নয়ন ফান্ড ও রাজস্ব ফান্ড থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ঙাবৎষধঢ়ঢ়রহম প্রজেক্টের ফাইল ও জ.ঋ.ছ ভূয়া ফাইল স্বাক্ষর না করার কারণে সিটি কর্পোরেশনের ৭নং জোনাল অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রথমে ঙঝউ করা হয়েছে ও পরে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকান্ডের পিছনের মূলহোতা মেয়রের বন্ধু মনিরুল ইসলাম। অনেক পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। হত্যাকান্ড ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মেয়র সিটি কর্পোরেশন থেকে প্রায় কোটি টাকা উত্তরা তুরাগ থানায় খরচ করেছেন। মেয়র জাহাঙ্গীর এর অতি লোভের কারণে এই মর্মান্তিক হত্যাকান্ড ঘটেছে। কোনাবাড়ীর সকল শ্রেণীর মানুষ এটা নিয়ে কানাঘুষা করছে।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে ছোট ও বড় মিলে প্রায় ২ হাজার ৫ শতটি কারখানা রয়েছে এবং হাজার হাজার আবাসিক বাড়ী রয়েছে সেখান থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আসে। সেই টাকা দ্বারা রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও ও মেরামতের কোন টেন্ডার দেওয়া হয় না। কোন টেন্ডার দেওয়া হয় না, টাকা ব্যাংকে জমা হওয়ার সাথে সাথে ভূয়া (ঝযড়ৎঃ ঋরষব) ফাইল তৈরী করে কোনো প্রকার কাজ না করে, ভূয়া চেক দিয়ে সমস্ত টাকা উত্তোলন করা হয়। যা সরাসরি আত্মসাতের সামিল। ব্যাংকের চেক বই ও প্রকল্পের তালিকা দেখলে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাবে। মেয়র জাহাঙ্গীরের নিজস্ব (অন্য নামে) ঠিকাদারদের যে কয়টি র্ঠিকাদারী ফার্ম আছে, সেই ফার্ম গুলির নামে গত আড়াই বছরে প্রায় কয়েক হাজার জ.ঋ.ছ ভূয়া ফাইলের মাধ্যমে (প্রতিটি ফাইল প্রায় ৫ লক্ষ টাকা করে) গত আড়াই বছরে কম/বেশি ৭শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তদন্ত করিলে শতভাগ প্রমাণ পাওয়া যাবে। যে ফার্মগুলোর নামে ভূয়া চেক ঘুরেফিরে প্রদান করা হয় সেই ফার্মগুলোর নাম হলো-মেসার্স আদিতা এন্টারপ্রাইজ, রয়েল ট্রেড এন্টারপ্রাইজ, ডেল্টা এন্টারপ্রাইজ, এম.আর ট্রেডিং এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স এস কন্সট্রাকশন, মেসাস আমিনুল এন্টারপ্রাইজ, জিওটেক ইঞ্জিনিয়ারিং, মেসার্স কে এ ওয়েল্ডিং এর নামে বিল প্রদান করা হয় এবং এই ফার্মগুলির সার্পোটিং ফার্মের নাম (মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ, মিলি এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স ইকবাল এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স আজিজুল এন্টারপ্রাইজ এবং বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ, যাদের নামে কোন ব্যাংক একাউন্ট নেই)। এইভাবে দূর্নীতিবাজ মেয়র সিটি কর্পোরেশনের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিয়েছে। গাজীপুরের দূর্নীতিবাজ মেয়র গত আড়াই বছরে যে পরিমাণ দূর্নীতি করেছে, তা লিখেও শেষ করা যাবে না, এ যেন দীন-দুপুরে ব্যাংক ডাকাতির সামিল। এখন শুধু উন্নয়ন ফান্ডের টাকা দিয়ে রাস্তার টেন্ডার দিচ্ছে। দূর্নীতি আড়াল করার জন্য তিনি দীনের পরিবর্তে রাতে রাস্তায় গিয়ে বসে থাকেন। যাতে জনগণের সহানুভূতি পাওয়া যায়। তিনি জনগনকে বোকা বানানোর চেষ্টা করতাছেন।
গত আড়াই বছরে মেয়র জাহাঙ্গীরের সাহেবের আমলে টঙ্গীতে দুইটি বিশ^ এজতেমা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এজতেমা উপলক্ষে বিগত ১০/০২/২০১৯ইং তারিখে ও ২৮/১২/২০১৯ইং তারিখে দুইটি মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এজতেমা উপলক্ষ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় হইতে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেই বরাদ্দের সিংহ ভাগ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। (১ম এজতেমায়) রেজুলেশনের মাধ্যমে এজতেমার মাঠে ছালার চট (মাটির উপরে বসার জন্য), রাস্তা মেরামত ও আপ্যায়ন বাবদ ভূয়া (জ.ঋ.ছ) ফাইল তৈরী করে প্রায় ৪ কোটি টাকা এবং ২য় এজতেমার মাসিক সভার রেজুলেশনে মাঠের বালু ভরাট ও অন্যান্য ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে ৯ কোটি টাকা, সর্বমোট ২টি এজতেমায় ১৩ (তের) কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। চেক রেজিষ্ট্রার বহি ও প্রকল্পের নাম দেখলে তার যথেষ্ট দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যাবে। ঘুরেফিরে তার কয়েকটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারী ফার্মের নামে বার বার জ.ঋ.ছ ফাইল তৈরী করে কোনো ধরনের কাজ না করে প্রায় ৭শত কোটি টাকার চেকের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। এটা দিন দুপুরে ব্যাংক ডাকাতির মতো ঘটনা। রেজুলেশনের কপিতে প্রকল্পের তালিকা দেখলে বিষয়টি আরো পরিস্কার হয়ে যাবে। ব্যাংকের চেক রেজিষ্ট্রার এন্ট্রি বহিটি দ্রুত জব্দ করতে হবে। কারণ, সেটা দেখলে কোন সুস্থ্য মানুষ স্থির থাকতে পারবে না। এজতেমা মাঠের দুই গ্রুপের সম্মাণিত মাওলানাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার দূর্নীতির চিত্রটি সঠিক ভাবে উঠে আসবে। সব মিলে গত তিন বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। ব্যাংকের চেক বহি এবং মাসিক সভার রেজুলেশনের অন্তর্ভূক্ত প্রকল্পের তালিকা দেখলে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাবে। আমাদের মনে হয় মেয়র জাহাঙ্গীরের চাইতে বড় দূর্নীতিবাজ এদেশে আর জন্মগ্রহণ করেন নাই। তিনি সম্পূর্ণরূপে মুখোশধারী মানুষ। ঢাকা উত্তর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে গত ০৩ (তিন) বছরে একটি ভূয়া ফাইল ও তৈরী করা হয় নাই অথচ তিনি ১০/১২ হাজার ফাইল তৈরী করে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
এখানে উল্লেখ্য যে, ২০২০ইং সালে ৭৬ জন কাউন্সিলরসহ মোট ১০০ জনের বহর নিয়ে মেয়র চায়না ভ্রমণ করেছেন। চায়না থেকে আসার ০১ (এক) মাস পর উল্লেখিত ১০০ জনকে নিয়ে আবার কক্সবাজার ভ্রমণ করেছেন। মূল কারণ, যাতে তার দূর্নীতি নিয়ে কেউ মুখ খুলতে না পারে এজন্য তিনি সিটি কর্পোরেশনের টাকা থেকে কয়েকটি কোটি টাকা খরচ করে কাউন্সিলারদের বিদেশ ভ্রমণ করাইয়াছেন। মে মাসে ঈদুল ফিতরের পূর্বে মন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সরকার থেকে প্রাপ্ত ত্রাণ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে দিয়েছেন। এর সাথে পাল্লা দিয়ে ঈদের আগে দূর্নীতিবাজ মেয়র, প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেলকে মানুষের ছোট করার জন্য সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব ও উন্নয়ন ফান্ড থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা উত্তোলন করে নিজের নাম ব্যবহার করে (সিটি কর্পোরেশনের টাকা) কিছু টাকা দিয়ে আর বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এই করোনার মধ্যে যেখানে মানুষ খেতে পাচ্ছে না, সেখানে তিনি ৫০ জনকে নিয়ে বিমান যোগে কক্সবাজার ভ্রমন করে এসেছেন। এটা কোন মানবিক মানুষের কাজ হতে পারে না। সিটি কর্পোরেশনের টাকা হরিলুটের মতো নিয়ে যাচ্ছেন এবং আনন্দ ফূর্তির মাধ্যমে টাকা খরচ করছেন।
গাজীপুরে শিল্পকারখানা মালিকদের বিনা কারণে তিনি হয়রানিতে রেখেছেন, কারণ অনেক কারখানার মালিকরা তার সিন্ডিকেটকে ঝুঁটের ব্যবসা দেন না, তাই উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে বিনা কারণে তাদেরকে মানসিকভাবে নির্যাতন করিতেছেন। যে কোন এলাকায় গিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের কারখানার পাশের্^ ৪০ফুট প্রসস্থ রাস্তা নিমার্ণ করা হবে। এজন্য আপনাদের কারখানা সীমানা দেওয়াল ও কারখানার কিছু অংশ ভেঙ্গে দিতে হবে। তিনি ধমকের সূরে বলেন, কেনো আবাসিক এলাকায় আপনারা কারখানা নির্মাণ করেছেন? এটা ভাঙ্গতে হবে। এটা একধরনের চালাকি মাত্র। এটা সম্পূর্ণ লোক দেখানো কাজ। সেখানে ৪০ ফুট প্রশস্থ রাস্তার কোন প্রয়োজন নাই। যাদের ইতিমধ্যে হয়রানি করা হয়েছে, যেমন-বেক্সিমকো ফ্যাক্টরী, মন্ডল গ্রুপ, মাসকো গ্রুপ, বাদলের এনন ট্যাক্স গ্রুপ, বোর্ড বাজার এরিস্ট্রো ফার্মা ঔষধ ফ্যাক্টরী এই কারণে বিজিএমই এর সাবেক প্রেসিডেন্ট রুবানা হক মেয়রকে বিজিএমই অফিসে এনে চরম অপমান করেছেন। মেয়রের কারণে অনেক ফ্যাক্টরী বন্ধ হয়েছে এবং আরো কিছু বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে, কারণ, মেয়র উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ভাবে বিভিন্ন কারখানায় অধিক হারে ট্যাক্স ধার্য্য করেছেন যে কারণে অনেক কারখানার মালিক কারখানা বন্ধ করার চিন্তা-ভাবনা করিতেছেন। তার মূল কারণ হলো তার সিন্ডিকেটের লোকজনকে জুট ব্যবসা দেওয়া হয় না। এইজন্য তাকে যারা মানবিক মেয়র বলে তারা অমানুষ ও অমানবিক।
গত বছর করোনার সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে ১ কোটি এবং সচিব সাহেবকে ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। যাতে দূর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা না হয়, এই কথাটি তিনি মন্ত্রনালয় থেকে গাজীপুর আসার পর পর তার ঘনিষ্ঠ জনদের সাথে আলোচনা করেছেন। মেয়র জাহাঙ্গীর আলম আওয়ামীলীগ সমর্থিত ৬৬ জন কাউন্সিলরের সাথে আজ পর্যন্ত মেয়র জাহাঙ্গীর সাহেব কোন রকম আলোচনা বা পরামর্শ না করেই, নিজের ইচ্ছামতো সিটি কর্পোরেশন চালাচ্ছেন। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র সাইদ খোকনের ও বরিশালের সিটি মেয়র ষ্টাইলে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন চালাচ্ছেন। কাউকে কোন পাত্তা দিচ্ছেন না। আমরাও জনগণের ভোটে নির্বাচিত কাউন্সিলর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কথাটি একেবারেই সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। আপনি বলেছেন, আপনাকে ছাড়া সবাইকে টাকা দিয়ে কেনা যায়, তা আজ সত্য প্রমাণিত হইল। কি করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও সচিব, পরিকল্পা মন্ত্রী ও পরিকল্পনা সচিব এবং অর্থ সচিব সরাসরি তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বরাবরে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন চাইতে বেশি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। মুখোশধারী, পাকা অভিনেতা ও চরিত্রহীন মেয়র জাহাঙ্গীর নির্বাচনে জয়লাভ করার কয়েকদিন পর গাজীপুরের নেতাকর্মীসহ আপনার বাসায় সৌজন্যে সাক্ষাৎ করতে যান। সাথে তার স্ত্রী ও মেয়ে ছিল। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর, আপনার বাসা থেকে বিদায় নেওয়ার কিছুক্ষণ পর রাস্তার উপরে একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে গেছে। হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হকের মতো জাহাঙ্গীর আলম শিরিন শীলা নামে একটি মেয়েকে বিয়ের আশ^াস দিয়ে প্রায় ০২ (দুই) বছর বনশ্রী এলাকায় ঘর-সংসার করেছেন। মেয়েটির বাসা বনশ্রী রামপুরা এলাকায়। মেয়েটি যুবলীগ নেতা সম্রাট ও জি.কে শামীম এর এক সময়ের বান্ধবী ছিলেন। মেয়েটি যখন টেলিভিশনে দেখতে পান, মেয়ের জাহাঙ্গীরের স্ত্রী আছে, তখন মেয়েটির পাগল হয়ে যায়, তখন সে যানবাহন যোগে গণভবনের সামনে এসে জাহাঙ্গীরকে ধরার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। মেয়েটি যাতে সাংবাদিক সম্মেলন না করে ও আপনার সাথে সাক্ষাৎ করতে না পারে সেইজন্য মেয়েটির হাতে পায়ে দরে তার আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেন। সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব নেওয়ার পর সিটি কর্পোরেশনের তহবিল থেকে মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক জনাব মাজহারুল ইসলাম এর মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি টাকা দিয়ে বনশ্রীতে একটি দামী ফ্ল্যাট ও একটি দামী গাড়ী কিনে কোনোরকম জামেলা মিটমাট করেছেন। গাজীপুরের সকল শ্রেণির মানুষ এই বিষয়টি জানেন ও সমালোচনা করে থাকেন। সে সিটি কর্পোরেশনের ম্স্টাার রোলের একজন মহিলা কর্মচারীকে টঙ্গী বাজার এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মোজাম্মেল হক সাহেবের বাসার নিচ তলায় ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে ১টি প্রেসের ব্যবসা করে দিয়েছেন এবং ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে দিয়েছেন। ইহা ছাড়া মেয়রের নিজের বাসার ৩য় তলার ফ্ল্যাটটি তিনি একটি পতিতালয়ে পরিণত করেছেন। যেখানে তার মাও থাকেন। সেই ফ্ল্যাটেও তার মা ও বসবাস করেন। এটা এলাকাবাসীর কাছে ওপেন সিক্রেট। টঙ্গী আউচ পাড়া শফিউদ্দীন সরকার স্কুলের সামনে শাওনের বাড়ীতে মেয়র রাত ১২.০০ ঘটিকার সময় ঢুকেন এবং ফজরের আযান হলে বের হয়ে যান। সে বাড়ীর দারোয়ান আজিজুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। পাশের্^র বির্ল্ডিংটি স্কলার্স কলেজ, কলেজের সিসি ক্যামেরায় ঘটনাটি ধরা পড়েছে। সৌদি আরবে ওমরা হজে¦র জন্য অফিসের কিছু কর্মকর্তা, কিছু কাউন্সিলার ও তার মাকে নিয়ে সৌদি আরব যান। সেখানে আল্লাহর ঘর তোয়াব করে বাসায় এসে রাত ১২.০০ ঘটিকার পর তিনি যেই রুমে একা থাকেন সেই রুম থেকে বাংলাদেশের মেয়েদের সাথে সারারাত ভিডিও সেক্স করেছেন। সেখানে ওমরা হজ¦ করিতে তার মাকেও নিয়ে গেছে, তার মা তার পাশের রুমে থাকত। জাহাঙ্গীরের ভিডিও আমাদের কাছে সংরক্ষণ আছে। এখানে উল্লেখ্য যে, করোনার আগে নায়িকা পরীমণি কে নিয়ে মেয়র চীন ভ্রমন করেছেন। মেয়র এর বন্ধু আশরাফুল আলম রানা সকালের ফ্ল্যাইটে পরীমণিকে নিয়ে চীন চলে গেছে, পরের ফ্ল্যাইটে মেয়র চীন গিয়ে পৌঁছেছেন। বিষয়টি গাড়ীর ড্রাইভারসহ অনেকেই জানেন। এই বিষয়গুলো মার্শাল নামে তার মেয়ের উকিল জামাই সব জায়গায় বহুবার এই বিষয়ে খোশগল্প করেছেন।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে বিএনপির যে সমস্ত ঠিকাদাররা রাস্তাÑঘাটের কাজ করেছেন তাদের সকল পাওনা টাকা (বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার ও গাজীপুর মহানগরের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সরকারের তদবীরে) মেয়র জাহাঙ্গীর সাহেব পাওনা পরিশোধ করে দিয়েছেন। তিনি বিএনপি নেতাদের সিটি কর্পোরেশনে কাজকর্ম দিয়ে অনেককেই প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছেন। তাদের নাম মাশেল, স্বপন ও কাউন্সিলর হান্নু। মনে হয়, তিনি বিএনপিকে পূর্ণবাসনের দায়িত্বে নিয়েছেন। পক্ষান্তরে তিনি আওয়ামীলীগের অধিকাংশ র্ঠিকাদারদের টাকা পরিশোধ করতে গড়িমসি করছে। গোয়ান্দা সংস্থা দিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করলে সঠিক চিত্র বেরিয়ে আসবে। আমরা দূর্নীতিবাজ মেয়রের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করছি। এখানে উল্লেখ্য যে, বিএনপি, জামায়াত ও হেফাজতের ৫০ জন লোককে টাকা বিনিময়ে মাস্টার রোলে চাকুরী দিয়েছেন। তদন্তকরলে ১০০% প্রমাণিত হইবে।
এমতাবস্থায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার নিকট আকুল আবেদন উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি (এল.জি.ই.ডি দক্ষ ও সৎ ইঞ্জিনিয়ার) দ্বারা সিটি কর্পোরেশনের শত শত কোটি টাকার দূর্নীতি ও অপকর্ম এবং হেফাজত, জামায়াত ও বিএনপি নামক অশুভ শক্তির সাথে মেয়র জাহাঙ্গীরের সম্পৃক্ততার কার্যক্রম দ্রুত গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত

Related Articles

ধারাবাহিক : পলাশ রাঙা দিন

নুসরাত রীপা পর্ব-১৬ তুলির বিয়েতে মীরা আসবে না শুনে বিজুর খুব মন খারাপ । মীরাকে মায়ের কলিজা বলে মা কে ক্ষ্যাপালেও মীরাকে ও আপন বোনের মতোই...

প্রকৃতিকন্যা সিলেট- নয়নাভিরাম রাতারগুল

মিলু কাশেম অপরূপ প্রকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের বাংলাদেশ।নদ নদী পাহাড় পর্বত হাওর বাওর সমুদ্র সৈকত প্রবাল দ্বিপ ম্যানগ্রোভ বন জলজ বন চা বাগানসহ পর্যটনের নানা...

হাওড়ে প্রেসিডেন্ট রিসোর্টের জমকালো উদ্বোধন

দুই নায়িকা নিয়ে জায়েদ খান মিশা ডিপজল রুবেল হেলিকপ্টারে চড়ে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন হাওরে প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট উদ্বোধন করতে এসেছিলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান, জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

ধারাবাহিক : পলাশ রাঙা দিন

নুসরাত রীপা পর্ব-১৬ তুলির বিয়েতে মীরা আসবে না শুনে বিজুর খুব মন খারাপ । মীরাকে মায়ের কলিজা বলে মা কে ক্ষ্যাপালেও মীরাকে ও আপন বোনের মতোই...

প্রকৃতিকন্যা সিলেট- নয়নাভিরাম রাতারগুল

মিলু কাশেম অপরূপ প্রকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের বাংলাদেশ।নদ নদী পাহাড় পর্বত হাওর বাওর সমুদ্র সৈকত প্রবাল দ্বিপ ম্যানগ্রোভ বন জলজ বন চা বাগানসহ পর্যটনের নানা...

হাওড়ে প্রেসিডেন্ট রিসোর্টের জমকালো উদ্বোধন

দুই নায়িকা নিয়ে জায়েদ খান মিশা ডিপজল রুবেল হেলিকপ্টারে চড়ে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন হাওরে প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট উদ্বোধন করতে এসেছিলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান, জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা...

মৎস্য খাতে অর্জিত সাফল্য ও টেকসই উন্নয়ন

ড. ইয়াহিয়া মাহমুদমৎস্যখাতের অবদান আজ সর্বজনস্বীকৃত। মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ৩.৫০ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে ২৫.৭২ শতাংশ। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে...

জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ

মৎস্য উৎপাদনে যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। পরিকল্পনা মাফিক যুগোপযোগী প্রকল্প গ্রহণ করায় এই সাফল্য এসেছে। মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির হারে সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে বাংলাদেশ।...