Thursday, May 19, 2022

মনিরুজ্জামানের নিয়োগ ও কমিটি বাতিলের নোটিশ

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এ- কলেজ

রাজপথ বিচিত্রার সম্পাদকের অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে অবশেষে বাতিল হতে যাচ্ছে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এ- কলেজের মহাদূর্নীতিবাজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান হাওলাদারের নিয়োগ ও অবৈধভাবে গঠিত পরিচালনা কমিটি। গত ১৪ সেপ্টেম্বও ২০২০ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর ড. মোঃ হারুন অর রশিদ কর্তৃক স্বাক্ষরিত নিয়োগ বাতিল সংক্রান্ত ও গভর্ণিং বডি বাতিল সংক্রান্ত ২টি পত্র রাজপথ বিচিত্রার হাতে রয়েছে। চিঠিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান হাওলাদারের নিয়োগ ও অবৈধভাবে গঠিত গভর্ণিং বডি কেন বাতিল করা হইবে না তা চিঠি ইস্যুর সাত কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পকেট কমিটি : অবৈধ নিয়োগ
ঢাকার কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর ড. মোঃ হারুন অর রশিদ কর্তৃক স্বাক্ষরিত নিয়োগ বাতিল সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২টি পত্রের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এ- কলেজের মহাদূর্নীতিবাজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান হাওলাদারের অবৈধ নিয়োগ, সীমাহীন দূর্নীতি ও অবৈধভাবে গঠিত পরিচালনা কমিটি গঠনের বিষয়ে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি প্রদত্ত প্রতিবেদনে বলা হয়-
১. ৩১-০৮-২০১৪ তারিখে প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ কর্মরত প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়। বিধি মোতাবেক নিয়মিত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দানের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও গভর্ণিং বডি একজন সহকারী শিক্ষককে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। এছাড়া বোর্ড কর্তৃক গত ০৫-০৩-২০১৯ তারিখের পত্র মোতাবেক যেসব প্রতিষ্ঠান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে তা আগামী তিন মাসের মধ্যে অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দানের নির্দেশনা দেয়া হয় কিন্তু এ ক্ষেত্রে সে নির্দেশও মানা হয়নি।
২। মোঃ মনিরুজ্জামান হাওলাদার স্বীয় প্রতিষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন করলেও বিভাগীয় প্রার্থী হিসাবে কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেয়ায় তার আবেদন ও নিয়োগ ত্রুটিপূর্ণ: যেমন- যে তারিখে (১৮-০৮-২০১৯ খ্রি:) তিনি নিয়োগের জন্য আবেদন করেন সেই তারিখেই (১৮-০৮-২০১৯ খ্রি:) যথাযথ নিয়ম অনুসরণ না করে তড়িঘড়ি করে সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান হাওলাদারকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে প্রমানিত হয়। তাছাড়া তদন্তে বিনা নির্বাচনে অবৈধ নিয়মিত গভর্ণিং বডি গঠনের সত্যতা প্রমানিত হয়। এই অবৈধ কমিটির সুপারিশক্রমে সহকারী শিক্ষক থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নিয়োগদানও অবৈধ।

গোপন আঁতাত : অবৈধ কমিটি
ঢাকার কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর ড. মোঃ হারুন অর রশিদ কর্তৃক স্বাক্ষরিত অবৈধ গভর্ণিং বডি বাতিল সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২টি পত্রের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এ- কলেজ-এ যথাযথ বিধি অনুসরণ না করে, কোন নির্বাচনী আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার যাবতীয় ভূয়া কাগজপত্র যেমন-নির্বাচনী তফসিল, বৈধ প্রার্থী তালিকা, নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যদের তালিকা ও নির্বাচিত সদস্যদের ফলাফল বিবরণ ইত্যাদি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে মর্মে প্রাপ্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে পরিলক্ষিত হয় যে-
১. নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা তৈরি এবং প্রচারণায় যথাযথ নিয়ম অনুসৃত হয়নি এবং তড়িঘড়ি করে নির্বাচনী কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। যেমন-যে তারিখে (১৪-০৩-২০১৯) প্রিজাইটিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে সেই তারিখেই (১৪-০৩-২০১৯) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।
২. চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নে ৯৮ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটার হবার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়।
৩. চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ৬৯ জন ভোটারের সন্তানদেও নাম, শ্রেণী রোল নম্বর, শাখা, বর্তমান ঠিকানা ইত্যাদি কোন না কোনটি ত্রুটিপূর্ণ।
৪. ভোটার ক্রমিক নম্বরের সিরিয়াল পর্যবেক্ষণে ৪৪টি ভোটার ক্রমিক বাদ পড়ার প্রমাণ মিলেছে।
৫. নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন ক্যাটাগরির ০৯জন প্রার্থীর প্রত্যেকের মনোনয়নপত্রে একাধিক ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়েছে যা বাতিলযোগ্য।
৬. তালিকার একই্ শ্রেণীর একই শাখা এবং অভিন্ন রোল নম্বর একাধিকবার ব্যবহার করা হয়েছে যা গহণযোগ্য নয়। যেমন-শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৭৭৮জন কিন্তু ভোটারের সংখ্যা ৩৬৪১ জন।
৭. অধ্যয়নরত মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও মোট ভোটারের সংখ্যা একই হওয়ার কথা থাকলেও তদন্তে তা পরিলক্ষিত হয়নি।
৮. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা-এর গভর্ণিং বডি পরিচলনার নীতিমালা২০০৯ এর ফরম-৫ অনুসারে প্রিজাইটিং অফিসার ফলাফল তৈরি ও প্রকাশ করবেন কিন্তু যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এ- কলেজ গভর্ণিং বডি নির্বাচনে তা অনুসৃত হয়নি।
৯. ৩১-০৮-২০১৪ তারিখে প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ কর্মরত প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়। বিধি মোতাবেক নিয়মিত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দানের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও গভর্ণিং বডি একজন সহকারী শিক্ষককে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। এছাড়া বোর্ড কর্তৃক গত ০৫-০৩-২০১৯ তারিখের পত্র মোতাবেক যেসব প্রতিষ্ঠান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে তা আগামী তিন মাসের মধ্যে অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দানের নির্দেশনা দেয়া হয় কিন্তু এ ক্ষেত্রে সে নির্দেশও মানা হয়নি।
১০. মোঃ মনিরুজ্জামান হাওলাদার স্বীয় প্রতিষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন করলেও বিভাগীয় প্রার্থী হিসাবে কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেয়ায় তার আবেদন ও নিয়োগ ত্রুটিপূর্ণ: যেমন- যে তারিখে (১৮-০৮-২০১৯ খ্রি:) তিনি নিয়োগের জন্য আবেদন করেন সেই তারিখেই (১৮-০৮০২০১৯ খ্রি:) যথাযথ নিয়ম অনুসরণ না করে তড়িঘড়ি করে সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান হাওলাদারকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে প্রমানিত হয়।

ফ্লাশ ব্যাক
১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি রাজধানীর যাত্রাবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয় যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল হাই স্কুল। প্রতিষ্ঠার প্রথম দিনেই মতিঝিল আইডিয়াল হাই স্কুলের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক ৬১ বছর বয়সী মোঃ হারুনুর রশীদকে প্রধান শিক্ষক, মোঃ মনিরুজ্জামান হাওলাদারকে সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং মোঃ অহিদুল ইসলামকে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে যাত্রা শুরু হয় যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল হাই স্কুলের। ঘনবসতিপূর্ণ যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি ভালো স্কুলের প্রয়োজনীয়তাকে পুঁজি করে মতিঝিল আইডিয়াল হাই স্কুলের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুনুর রশীদ এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। আজকের যাত্রাবাড়ি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন ছিল একটি জুনিয়র স্কুল মাত্র। প্রতিষ্ঠাকালীনই এ স্কুলে জালজালিয়াতি করে মনিরুজ্জামান হাওলাদার সহকারী প্রধান শিক্ষক পদটি বাগিয়ে নেন। সূচনাতেই অনিয়ম আর দুর্নীতির ধারাবাহিকতায় মনিরুজ্জামান হাওলাদার আজ এ প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান (অধ্যক্ষ)!
মতিতিঝিল আইডিয়ালের সাবেক প্রধান শিক্ষক এবং নামের সাথে আইডিয়াল থাকায় যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল হাই স্কুলটি এলাকাবাসীর নজরে পড়ে। স্কুলটি ধীরে ধীরে নিজের জায়গাও করে নেয়। নামের সাথে মিল থাকায় অনেকেই যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল হাই স্কুলকে মতিঝিল আইডিয়াল হাই স্কুলের একটি শাখা হিসেবেও ভাবতে থাকেন।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই স্কুলটি দিবা ও প্রভাতী এই দু’টি শাখায় পরিচালিত হতো। দিবা শাখা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান হাওলাদার আর প্রভাতী শাখার দেখভাল প্রথম দিকে প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ নিজেই করতেন, পরে জনৈক মো: জোমারত হোসেন প্রভাতী শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে যোগ দেন। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ বিগত ০৫/০৭/২০০১ তারিখে একটি মিটিং-এ বসে স্কুলটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে সহকারী প্রধান শিক্ষকদের জন্য মাসিক ৬ শত টাকা হারে মহার্ঘ্যভাতা মঞ্জুর করেন। অত:পর সহকারী প্রধান শিক্ষকদ্বয়ের বাড়ী ভাড়া প্রদানের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিচালনা পর্ষদ বাড়ী ভাড়ার আবেদন প্রত্যাখান করে তাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের বিপরীতে মাসিক আরো ১৫ (পনর) শত টাকা ভাতা প্রদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ ভাতা পূর্ববর্তী দায়িত্ব ভাতা ১ (এক) হাজার টাকার সাথে যুক্ত হয়ে সর্বসাকুল্যে ২,৫০০/- (দুই হাজার পাঁচশত) টাকায় উন্নীত হয়। এ ভাতা ১ জুলাই ২০০১ তারিখ থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্তও গ্রহণ করে পরিচালনা পর্ষদ। অতঃপর একই সভার ৮ম আলোচ্যসূচির প্রেক্ষিতে গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক কমিটির সদস্য মোসলেহউদ্দিন আহমেদ মুরাদকে আহ্বায়ক করে সহকারী প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান হাওলাদার, অপর সহকারী প্রধান শিক্ষক জোমারত হোসেন এবং শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য অহিদুল ইসলামকে সদস্য করে ৪ (চার) সদস্য বিশিষ্ট একটি ফিন্যান্স কমিটি গঠন করা হয়। স্কুলটির পরিচালনা পর্যদের ২০/০৫/২০০২ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় ১ ও ২ নম্বর আলোচ্য সূচির প্রেক্ষিতে গৃহীত সিদ্ধান্ত ২টিতে দেখা যায়Ñ “কয়েক জন শিক্ষক সরকারি স্কুলে সুযোগ পেয়ে আমাদের স্কুল থেকে চলে যাওয়ায় তাদের শূন্যপদ পূরণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এ মর্মে আলোচনা হলে চেয়ারম্যান সাহেব বলেন সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। এমনকি স্কুলে কার্যরত কিছু সংখ্যক বিজ্ঞাপনবিহীন অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক শিক্ষিকাগণকেও এ নীতিমালার আওতাভুক্ত করতে হবে। তাই অত্র সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লিখিত, মৌখিক ও শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের উপর ভিত্তি করে যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকাকে নিয়োগ দেয়া হবে। বর্তমানে এ স্কুলে যে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মরত অথচ তারা কোন ইন্টারভিউ বা কোন প্রকার পরীক্ষার সম্মুখিন না হয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন সেসব শিক্ষক শিক্ষিকাগণকে অন্যান্য বহিরাগত প্রার্থীদের মতো যথারীতি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রার্থীকে নিয়ম মাফিক নিয়োগ প্রদান করা হবে….. তবে প্রত্যেক শিক্ষকের ক্লাস পারফরমেন্স অবশ্যই দেখাতে হবে।”

পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্তও কার্যকর হয়নি
দ্বিতীয় আলোচ্যসূচির কনটেন্ট-এ দেখা যায়Ñ বিজ্ঞাপনবিহীন নিয়োগপ্রাপ্ত দু’জন সহকারী প্রধান শিক্ষকের নিয়োগের ব্যাপারে দেখা যায় যে, তাদের নিয়োগকালে স্কুলটি নি¤œ মাধ্যমিক স্কুলের পর্যায়ভুক্ত ছিল এবং নিম্নমাধ্যমিক স্কুলে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদের কোন বিধান নাই। এমনকি সর্বশেষ সরকারি অডিট রিপোর্টে এ নিয়োগের ব্যাপারে অবজেকশন দিয়ে এ অবৈধ নিয়োগ বাতিল করার সুপারিশ করা হয়েছে। সুতরাং তাদের নিয়োগ সম্পূর্ণ অবৈধ ও এডুকেশন কোড এর নিয়ম-বিধি বহির্ভূত বিধায় অত্র সভা সর্বসম্মতিক্রমে অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের (দিবা ও প্রভাতী) নিয়োগ বাতিল ঘোষণা করছে। দিবা ঃ মনিরুজ্জামান , প্রভাতী ঃ জোমারত হোসেন”।
অতঃপর ০৫/০৮/২০০২ তারিখের ম্যানেজিং কমিটির সভার ১ম আলোচ্য সূচির প্রেক্ষিতে গৃহীত সিদ্ধান্তে বলা আছে যে, “বিগত ১০/০৬/২০০২ইং তারিখের বিজ্ঞাপনের ভিত্তিতে সহকারী প্রধান শিক্ষক (২) (অর্থাৎ দুইজন) শরীর চর্চা শিক্ষক (১) (অর্থাৎ একজন) হিসাব রক্ষক (১) (অর্থাৎ একজন) এদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২৮/০৬/২০০২ তারিখে। লিখিত পরীক্ষায় যোগ্যতাসম্পন্ন ও উপযুক্ত মানের শিক্ষক না পাওয়ায় তাদের জন্য পুনরায় একটা বিজ্ঞপ্তি দেওয়া প্রয়োজন। এর উপর বিশদ আলোচনান্তে সিদ্ধান্ত হয় যে, উক্ত তিন ক্যাটাগরীর সাথে কম্পিউটার অপারেটরের শিক্ষক চেয়ে পুনরায় পেপার বিজ্ঞপ্তি দেয়া হোক”।
পরবর্তীতে ম্যানেজিং কমিটির ২৫/০৯/২০০২ তারিখের মিটিং এর ২য় আলোচ্যসূচির প্রেক্ষিতে গৃহীত সিদ্ধান্তে বলা আছে যে, “সহকারী প্রধান শিক্ষক, শরীর চর্চা শিক্ষক, কম্পিউটার ও অফিস সহকারী পদে ২য় বার বিজ্ঞপ্তি দিয়েও কোন উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া গেলনা। কাজেই আপাতত: উক্ত পদসমূহ স্থগিত করে বিজ্ঞপ্তি বাতিল বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হল”।
অতঃপর ৯/১১/২০০২ তারিখের ম্যানেজিং কমিটির সভার ২য় আলোচ্য সূচির প্রেক্ষিতে গৃহীত সিদ্ধান্তে বলা আছে যে, “বিগত ১০/০৬/২০০২ তারিখের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২৭ ও ২৮ জুন শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ও পরে মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে বাছাইকৃত যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক শিক্ষিকাদের নামের একটি প্যানেল তৈরী করার ব্যাপারে (১:৩ এর হারে) সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আরো সিদ্ধান্ত হয় যে, কোন কারণ বশতঃ প্রয়োজনীয় সংখ্যাক শিক্ষক শিক্ষিকা যারা ১ম ও ২য় স্থান অধিকার করেছে তাদের নিয়োগ দেয়ার পরে তারা কাজে যোগদান না করলে তাহলে পর্যায়ে ক্রমে তৎপরবর্তী প্রার্থী ৩য় ও ৪র্থ স্থান অধিকারীদের নিয়োগ দেয়া হবে বলে সকলে একমত হন”।
যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল হাই স্কুলটি প্রতিষ্ঠা লগ্নেই হাই স্কুল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেনি। সূচনা ছিল একটি জুনিয়র স্কুল। হাই স্কুল পর্যায়ে উন্নীত হতে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে।
প্রতিবেদনের শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে, মুিনরুজ্জামানের অনিয়ম-দুর্নীতির কথা। জুনিয়র স্কুলে সহকারী প্রধান শিক্ষকের কোন পদ না থাকলেও নিয়োগ বিধির বিধান সমূহের তোয়াক্কা না করেই তৎকালীন প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুনুর রশিদের যোহসাজসে মনিরুজ্জামান হাওলাদার সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ বাগিয়ে নেন। প্রদত্ত এ অবৈধ নিয়োগ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি বিগত ২০-০৫-২০০২ তারিখে বাতিল করেন। নিয়োগ বাতিলকৃত শিক্ষকদেরকে ম্যানেজিং কমিটি পরবর্তী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে যোগ্যতা প্রমাণে সক্ষম প্রার্থীকে নিয়োগের নিশ্চয়তা প্রদান করেন। পর পর ২ বার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ তথা নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত করেও মনিরুজ্জামান হাওলাদারসহ অন্য কোন উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়ার কারণে ২৫-০৯-২০০২ তারিখে ম্যানেজিং কমিটি আপাতত উক্ত পদসমূহে নিয়োগ স্থগিত করা হলো মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক ২০-০৫-২০০২ তারিখে মনিরুজ্জামান হাওলাদারের বাতিল হওয়ার পর তার নিয়োগ কেন বাতিল করা হলো তৎপ্রসঙ্গে মনিরুজ্জামান কোন আইনী পদক্ষেপ নেননি অথবা ম্যানেজিং কমিটির কর্তৃক ঘোষিত পরবর্তী নিয়োগ পরীক্ষায়ও অংশগ্রহণ করেননি; সেহেতু ২০-০৫-২০০৫ তারিখের পরে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল হাই স্কুলের শিক্ষক কর্মচারী নামের তালিকায় মনিরুজ্জামান হাওলাদারের নাম থাকতে পারে না…. অথচ আছে; কেন আছে, কিভাবে আছে? এ দাবী করেছেন অভিভাবকদের অনেকেই। স্কুলের একাধিক শিক্ষক এ প্রতিবেদককে বলেছেনÑ যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক মনিরুজ্জামান হাওলাদারের নিয়োগ অবৈধ, অবৈধ একজন সহকারী শিক্ষক হিসেবে কি করে এমপিভূক্ত হলেন? কোন বিজ্ঞপ্তির আলোকে, কোন সিলেকশন বোর্ডের সুপারিশে, ম্যানেজিং কমিটির কত তারিখের সভায় মনিরুজ্জামান হাওলালাদারকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে? তা অদ্যাবধি অন্ধকারে রয়েছে।

রেজুলেশন বই গায়েব : অবৈধভাবে এমপিওভুক্তি
বিদ্যালয়ের প্রথম রেজুলেশন বইটি বিগত ০৫-০৭-২০০১ তারিখের আগে বিদ্যালয়ের অফিস থেকে গায়েব হয়ে গিয়েছে বলে জানা যায়। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ে নিয়োজিত শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়োগ বৃত্তান্ত অবশ্যই ঐ রেজুলেশন বইটিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল। ঐ রেজুলেশন বইটি অবশ্যই বিদ্যালয়ে প্রথম পর্যায়ে নিয়োজিত শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়োগ সংশ্লিষ্ট তথ্যের প্রামাণ্য দলিল। স্কুলের সংশ্লিষ্ট অনেকের মতেÑ ঐ রেজুলেশন বইটি থাকলে মনিরুজ্জামান হাওলাদারসহ অবৈধ উপায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত কতিপয় শিক্ষকের নিয়োগ সংশ্লিষ্টের তথ্য পাওয়া যেত। তারা এও দাবী করছেন যে, মনিরুজ্জামান ও তার সহযোগীরা এ বইটি গায়েব করেছেন। ২০১০ সালে ৩১ মে তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির ৩য় আলোচ্যসূচির প্রেক্ষিতে গৃহিত সিদ্ধান্তে শেষ পর্যায়ে লেখা আছেÑ “বিদ্যালয়ের সকল কাগজ পত্রাদি সন্ধান করে দেখা গেল যে, গত ০১/০১/১৯৯৮ইং থেকে ১৫-০৭-২০০১ ইং তারিখের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে ম্যানেজিং কমিটির বহি পাওয়া যাচ্ছে না এবং এ বিষয়ে গত ২৯-০৫-২০০৫ইং তারিখে ডেমরা থানায় একটি সাধারণ ডায়রি হয়েছে যার নং ২১৩৮।” অথচ সাবেক প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদের কার্যকালে এমন কোন ডায়েরীর তথ্য নেই। স্কুলটি মে- ২০০২ থেকে জুনিয়র স্কুল হিসেবে এমপিওভুক্ত হয়। ম্যানেজ মাস্টার হিসেবে সুবিদিত মনিরুজ্জামান হাওলাদার প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুনুর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ম্যানেজ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ‘মেনুফ্যাকচার’ করে একজন সহকারী শিক্ষক পদে ইনডেক্স নম্বর এবং এমপিওভুক্তি লাভ করেন এবং বেআইনীভাবে ২০০২ সনের মে মাস থেকে প্রায় ১৮ (আঠার) বছর যাবৎ সরকারি বেতন-ভাতা ভোগ করছেন।

শুরু থেকেই চলছে দুর্নীতির রাহুগ্রাস
স্কুল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্কুল তহবিল থেকে উচ্চহারে বেতন ভাতা ও এমপিও’র অধিনে সরকারি বেতন ভাতা বাবদ অদ্যাবধি মনিরুজ্জামান হাওলাদার বেআইনীভাবে অন্তত ৬০ (ষাট) লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান স্কুলের এক শিক্ষক। দুরভিসন্ধির পাঠ এখানেই শেষ এমন নয়Ñ ০১/০১/৯৮ থেকে ২০০২ সনের মে মাস পর্যন্ত স্কুল তহবিল থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে বেতন-ভাতা বাবদ বিশাল অংকের টাকা ভোগ করে ২০০২ সনের মে মাসের ২০ তারিখে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ হারিয়ে দুর্নীতি এবং জাল-জালিয়াতিতে সিদ্ধহস্ত মনিরুজ্জামান হাওলাদার অবৈধ এমপিওভুক্ত শিক্ষক বিশেষত জেষ্ঠ্যতম এমপিওভুক্ত শিক্ষক বনে গিয়ে মাউশি অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ সহকারী পরিচালক দূর্গরানী শিকদার ও জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ বেনজির আহম্মদের যোগসাজসে এবং মোটা অংকের টাকা লেনদেনে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান পদে আসীন হয়েছেন। মনিরুজ্জামান হাওলাদারের এ পদে উত্তোরণের ন্যক্কারজনক অধ্যায় ১৪-০২-২০১৮ তারিখে বিস্তারিতভাবে সাপ্তাহিক অপরাধচিত্র পত্রিকার ১১তম সংখ্যায় “রাহুগ্রাসে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা; জেলা শিক্ষা অফিসার বেনজির আহম্মদের যোগসাজসে মনিরুজ্জামান হাওলাদারের নিয়োগ” শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাই পরিলক্ষিত হয়েছে।
অবৈধ নিয়োগের পর থেকে এখনও ধারাবাহিকভাবে তিনি অবৈধই আছেন। অবৈধভাবে পদ আকড়ে ধরে রেখে তিনি হাতিয়েছেন স্কুলের বিপুল পরিমাণ অর্থ। আর এই অবৈধ অর্থবিত্তের জোরে তিনি স্বরাজ কায়েম করেছেন যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে। মুনিরুজ্জামানের অবৈধ নিয়োগ, দুর্নীতি-অনিয়ম যারা ক্ষতিয়ে দেখবেন তারাই মুনিরুজ্জামানের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন অনৈতিকতায়। আশ্চর্য্যরে বিষয় অনিয়ম-দুর্নীতির দায়ে অধ্যক্ষ আবু ইউসুফকে অপসারণ করা হলেও পালের গোদা মুনিরুজ্জামান রয়ে গেছেন বহাল তবিয়তে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্কুলের আয়-ব্যয়সহ নগদ সকল কিছুই হচ্ছে ব্যাংক হিসাবের বাইরে। উল্লেখ করা যেতে পারে সাবেক অধ্যক্ষ’র এক আবেদনের প্রেক্ষিতে সোনালী ব্যাংক যাত্রাবাড়ি শাখায় যাত্রাবাড়ি আইডিয়াল স্কুলের হিসাবটি বন্ধ রয়েছে। ফলে স্কুলের যাবতীয় খরচাদি করা হচ্ছে ব্যাংক একাউন্টের বাইরে। সাবেক অধ্যক্ষ’র আবেদনটি মুনিরুজ্জামানের জন্য হয়েছে সোনায় সোহাগা। তিনি দু’হাতে ভূয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে লুটপাট করছেন স্কুলের তহবিল। একটি সূত্র জানায়, ক্ষেত্র বিশেষ স্কুলের নগদ অর্জনগুলো তিনি নিজের কাছে রাখেন। প্রয়োজনের সময় দেই-দিচ্ছি, আজ-কাল করেন। নাম প্রকাশে রাজী নন এমন এক শিক্ষক জানান, স্কুলের তহবীলের নগদ টাকা তিনি নানান লাভজনক খাতে খাটান।
যাত্রাবাড়ি আইডিয়াল স্কুলের এখন কোনো ব্যাংক একাউন্ট নেই। স্কুলের যাবতীয় কর্মকা- পরিচালিত হচ্ছে ব্যাংক একাউন্টবিহীন। একটি আবেদনই আলাদিনের চেরাগ হয়ে ধরা দিয়েছে মুনিরুজ্জামানের হাতে। স্কুলের কোটি কোটি টাকা এখন ঘোরাফেরা করছে হাতে হাতে। স্কুলের টাকায় আয়েশী জীবন যাপনের জন্য মুনিরুজ্জামান আরো কয়েকজনকে হাত করে নিয়েছে। এই ক’জনের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হচ্ছেনÑ সহকারী প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নাসরীন নাহার। আস্থাভাজন এই দু’জনকে নিয়ে মুনিরুজ্জামান একটি যৌথ একাউন্ট খোলেন আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড যাত্রাবাড়ী শাখায়। স্কুলের অর্থ তিনি কোন আইনে ব্যক্তিগত একাউন্টে জমা রাখছেন? কেনো স্কুলের নামে ব্যাংক একাউন্ট খুলছেন না? এমন অনেক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ সংক্রান্তে স্কুলের এক শিক্ষক বলেন, ‘বিষয়টির সরল উত্তর হচ্ছেÑ সবকিছু লোপাট করার জন্যই তিনি এমনটি করছেন। প্রতিষ্ঠনটির অর্থ প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবেই জমা থাকবে এটি সবারই জানা। কিন্তু এর উত্তর লুকিয়ে আছে ব্যাংক বরাবরে সাবেক অধ্যক্ষের আবেদনে। যেহেতেু মুনিরুজ্জামানের নিয়োগ অবৈধ সেহেতু মুনিরুজ্জামান ব্যাংকের একাউন্ট পরিচালনা করতে পারেন না। আবার অবৈধ নিয়োগ নিয়ে স্কুলের নামে ভিন্ন ব্যাংকে নতুন একাউন্টও খুলতে পারেন না। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের সকল আর্থিক লেনদেন নিজের কব্জায় রাখার প্রয়োজনেই খুলেছেন ব্যক্তিগত একাউন্ট। এ কাজে নিয়েছেন তার সহযোগীদের সাহায্য।’

Related Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

‘আইএমইডি’র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’

তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে...