Wednesday, August 4, 2021

বিশ্ব ঐতিহ্য – টাঙ্গুয়ার হাওর

ভাটির জনপদ সুনামগঞ্জ-

                    ...........মিলু কাশেম

সুনামগঞ্জ বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের সিলেট বিভাগের একটি জেলা। এর ভৌগলিক অবস্থান ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে। ঐতিহাসিক তথ্যাবলী থেকে অনুমান করা হয় সুনামগঞ্জ জেলার সমগ্র অঞ্চল প্রাচীন কামরূপ রাজ্যের অন্তর্গত ছিলো। জানা যায় জনৈক মোগল সিপাহি সুনাম উদ্দিন এর নামানুসারে সুনামগঞ্জের নামকরণ করা হয়। সুনামগঞ্জ প্রকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি। এই জেলার উত্তরে মেঘালয়ের
খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়।পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে অনেক ছোট বড় নদী প্রবাহিত হয়েছে সুনামগঞ্জের বুক চিড়ে।
এই জেলার অনন্য প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও ভৌগলিক অবস্থান বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে এ জেলাকে দিয়েছে এক স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। সুনামগঞ্জের বেশির ভাগ অঞ্চলই হাওর বাওর খাল বিল ও অপেক্ষাকৃত নীচু অঞ্চল নিয়ে গঠিত।এসব এলাকা বৎসরে প্রায় ৭/৮ মাস জলমগ্ন থাকে।বর্ষায় এখানে সমুদ্রের মত ঢেউ খেলে তখন গ্রামগুলোকে মনে হয় এক একটি ছোট ছোট দ্বীপ।
ভাটির জনপদ সুনামগঞ্জে রয়েছে অনেকগুলো ছোট বড় হাওর। এর মধ্যে টাঙ্গণয়ার হাওরের খ্যাতি দেশব্যাপী।এই বিশাল হাওরকে ওয়াল্ড হেরিটেজ বা বিশ্ব ঐতিহ্য রামসার সাইট হিসাবে ঘোষনা দিয়েছে ইউনেস্কো। বর্ষায় এই হাওরের রূপ দেখতে প্রকৃতিপ্রেমীরা ছুটে আসেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে।টাঙ্গণয়ার পাশাপাশি তাহিরপুরে রয়েছে আরো অনেক দর্শনীয় স্থান।টাঙ্গণয়া দর্শনে এসে সেগুলো ও দেখতে ছুটেন পর্যটকরা।আর এভাবেই দেশের অন্যতম পর্যটন আকর্ষনের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে ভাটির জনপদ সুনামগঞ্জ। বিশ্ব ঐতিহ্য টাঙ্গণয়ার হাওরের অবস্থান ভাটির জনপদ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর আর ধর্মপাশা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে।প্রায় ৫০ এর অধিক ছোট বড় জলমহাল নিয়ে এই হাওরের আয়তন প্রায় ৭ হাজার একর। নল খাগড়া বন হিজল করচ বন সহ বর্ষাকালে টাঙ্গণয়ার আয়তন দাড়ায় প্রায় ২০ হাজার একর।উদ্ভিদ মাছ পাখিসহ নানা জীববৈচিএ্যে সমৃদ্ধ এক অনন্য হাওর টাঙ্গণয়া। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলাশয় হিসাবে ইউনেস্কো টাঙ্গণয়ার হাওর কে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসাবে রামসার সাইট হিসাবে ঘোষনা করেছে।সুন্দরবন এর পর মিঠা পানির এই হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার সাইট।
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেষা মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে রূপালী জলে শেকড় ডুবে থাকা হিজল করচ গাছের সারি শোভিত এক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি টাঙ্গণয়া।বিলুপ্ত প্রায় বিভিন্ন পাখির কলতানে মুখরিত টাঙ্গণয়ার হাওর মাছ ও অন্যন্য জলজ প্রাণীর এক বিশাল অভয়ারণ্য। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে টাঙ্গণয়া তার রূপ লাবণ্য বদলায়।বর্ষায় চারিদিকে জল আর জল থাকলেও শীতে পানি কমে আসে।পানি কমে গেলেও টাঙ্গণয়ার সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে না। শীতে এই এলাকা হয়ে ওঠে দেশি বিদেশী পাখির অভয়াশ্রম।
সাইবেরিয়া থেকে আগত নানা প্রজাতির অতিথি পাখির কলতানে মুখর হয়ে ওঠে আকাশ বাতাস।সে এক অপরূপ দৃশ্য। টাঙ্গণয়া শুধু একটি জলমহাল বা মাছ প্রতিপালন সংরক্ষণ আহরন কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত নয়।এটি একটি
মাদার ফিশারী।টাঙ্গণয়ার সুস্বাদু বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিশ্ব ব্যাপি ভোজন বিলাসীদের কাছে সমাদৃত।
বর্তমানে টাঙ্গণয়ায় ২০৮ প্রজাতির পাখি ৩৪ প্রজাতির সরিসুপ ৭ প্রজাতির গিরগিটী এবং ২১ প্রজাতির সাপ রয়েছে।এ ছাড়া বিস্তীর্ণ হাওরের পরতে পরতে নলখাগড়া লাল নীল সাদা শাপলা পানিফল বন তুলশী শীতল পাটি স্বর্ণলতা হেলেঞ্চা শতমুলি সহ প্রায় ২শ’প্রজাতির বেশি গাছ গাছালী রয়েছে।
টাঙ্গণয়ার হাওরের পশ্চিম প্রান্তে উত্তর থেকে দক্ষিনে বিস্তৃত ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে অপরূপ সৌন্দর্যের লীলানিকেতন সীমান্ত জনপদ টেকেরঘাট। চুনাপাথর খনির জন্য টেকেরঘাট বিখ্যাত। একসময় এই খনি থেকে উত্তেলিত চুনাপাথর ছিল ছাতক সিমেন্ট কারখানার মুল কাঁচামাল। এই খনি কেন্দ্রীক কর্মকান্ড কে ঘিরে জমজমাট ছিল এই প্রত্যন্ত জনপদ।গড়ে উঠেছে একটি মিনি গ্রাম কেন্দ্রীক শহর। টেকেরঘাট একটি আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র। সবুজ মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে থেকে অবলোকন করা যায় পাহাড় আর দিগন্ত ছোয়া টাঙ্গুয়ার হাওরের চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য।
টেকেরঘাটের পরিত্যক্ত চুনাপাথর কোয়ারী কালের পরিক্রমায় পরিনত হয়েছে একটি আকর্ষনীয় লেকে। চারিদিকে সবুজঘেরা এই লেকটির একপাশে ভারতের চুনাপাথরের পাহাড়। লেকটি টিলা এবং পাহাড় ঘেরা।ছোটবড় টিলা আর পাহাড়ের সমন্বয় লেকটিকে করেছে অপার্থিব সৌন্দর্যের অধিকারী। লেকজুড়ে নীল জল চারিদেকে সবুজের
সমারোহ আর ভৌগলিক অবস্থান সহজেই পর্যটকদের মন কেড়ে নেয়।প্রথমে স্থানিয় বাসিন্দারা এটি কে কোয়ারী
লেক হিসাবে নাম দিয়েছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদ সিরাজের নামে শহীদ সিরাজ লেক নামেও ডাকা হয়। তবে নীল জলের কারনে নীলাদ্রি নামেই এই অপরূপ লেকটির খ্যাতি দেশ ব্যাপি। সারা বছরই পর্যটকরা আসেন নীলাদ্রির আকর্ষনে। স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের জন্য নীলাদ্রি লেককে বাংলার কাশ্মীর নামেও অবহিত করা হয়।
টেকেরঘাটের অনতিদূরে বড়ছড়া শুল্ক স্টেশন। এই পথে ভারত থেকে চুনা পাথর ও কয়লা আমদানি হয়।আমদানি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এই এলাকা নৌ বানিজ্য বন্দরে রূপ নিয়েছে।বড়ছড়া থেকে ছোট বড় ট্রলার কার্গো জাহাজে কয়লা চুনাপাথর পরিবহন করা হয় সারাদেশে। বড়ছড়া বাজারের পাশেই রয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত নাম না জানা ৮জন শহীদের গোরস্থান। তার পাশেই তাদেও স্মরণে তৈরী হয়েছে একটি অনিন্দ্য সুন্দর
স্মৃতিস্তম্ভ। দৃষ্টি নন্দন এই স্তম্ভটি পর্যটকদের জন্য নতুন আকর্ষন। বড়ছড়া র অদূরে বারিক টিলা একটি আকর্ষনীয় পর্যটন এলাকা।উচু পাহাড়ের উপর দাড়িয়ে মেঘালয় পাহাড় আর বারিকটিলা ঘেষে প্রবাহিত পাহাড়ী যাদুকাটা নদীর অপরূপ দৃশ্য অবলোকন করা যায়।কাছেই লাউড়ের গড়। শাহ আরফিনের মাজার আর পূণ্যার্থীদের মেলার জন্য বিখ্যাত। প্রতি বছর মেলার সময় সনাতন ধর্মাবলম্বী পূণ্যার্থীরা আসেন পূণ্যস্নানের জন্য।মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে ভারতীয় সীমানায় অবস্থান বিখ্যাত দরবেশ শাহ আরফিন মাজারের। প্রতিবছর ওরশের সময় ভক্ত আশিকানদের যাতায়াতের জন্য সীমান্ত খুলে দেয়া হয়। সুনামগঞ্জে পর্যটকদের জন্য সেরা আকর্ষন জয়নাল আবেদিন শিমুল বাগান।বসন্তে শিমুল বাগানের মাতাল করা রূপে মন রাঙাতে সারাদেশের হাজার হাজার পর্যটক ছুটে আসেন প্রত্যন্ত এই জনপদে। চমৎকার এই শিমুল বাগানের অবস্থান তাহিরপুর থানার বাদাঘাট ইউপির পাহাড়ী যাদুকাটা নদীর তীরবর্তী মানিগাঁও গ্রামে।
এই বাগানের মালিক জয়নাল আবেদিন ২০০৩ সালে নিজের মালিকানাধীন ১শত বিঘার বেশি জায়গায় ৩ হাজার শিমুল গাছ লাগিয়ে বাগানটি চালু করেন। দৃষ্টি নন্দন এই বাগানটি এখন মানিগাঁও কে পরিচিত করেছে দেশব্যাপী। এটি দেশের সবচেয়ে বড় শিমুল বাগান।
বসন্তে শিমুল বাগানের দিকে থাকালে গাছের ডালে ডালে লেগে থাকা আগুনের ঝলকানি চোখে এসে লাগে।শিমুল ফুলের রক্ত লাল পাপড়ীর সৌন্দর্য দেখতে আসা পর্যটকদের মনকে রাঙিয়ে দেয়। একদিকে মেঘালয়ের পাহাড় সারি অন্যদিক রূপসী যাদুকাটা নদী আর শিমুল বাগানের ৩ হাজার গাছে লাল ফুলের সমারোহ পর্যটকদের নিয়ে যায় অন্য জগতে।শিমুল বাগানের মাতাল করা রূপ দেখতে হলে অবশ্যই ফাল্গুনের শুরুতে যেতে হবে।বসন্তের দুপুরে পাপড়ি মেলে থাকা শিমুলের রক্তিম আভা মন রাঙায় তো বটেই ঘুমও ভাঙায় সৌখিন হৃদয়ের।
সাম্প্রতিক কালে টাঙ্গণয়ার হাওরের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে দেশে বিদেশে।তাই প্রতিদিন প্রকৃতিপ্রেমিরা টাঙ্গণয়ার হাওরের রূপালী জলে ভেসে হিজল করচের সবুজ শোভায় মন রাঙিয়ে দিগন্ত বিস্তৃত দূরের পাহাড়ের মনোরম শোভায় মন রাঙাতে ছুঠে যাচ্ছেন টাঙ্গণয়া অভিমুখে।বোনাস হিসাবে অবলোকন করছেন হাওর ঘেষা অপরূপ মেঘালয় পাহাড়ের আর টেকেরঘাটের অপরূপ প্রকৃতিক সৌন্দর্য। যা সত্যি মোহনীয়।
টাঙ্গুয়ার হাওর টেকেরঘাট যেতে হলে সিলেট শহর থেকে রিজার্ভ গাড়ীতে যেতে হবে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সদরে। সেখান থেকে ট্রলারে টাঙ্গণয়া টেকেরঘাট ঘুরে সন্ধ্যায় হয়ে যাবে তাহিরপুর ফিরতে।তাই সিলেট থেকে সকাল সকাল রওয়ানা হওয়া ভালো।যাতে ১০ টার মধ্যে তাহিরপুর পৌছা যায়।তাহিরপুর বা টেকেরঘাটে রাত যাপনের ভাল ব্যবস্থা নেই। আর শিমুল বাগান হয়ে বারিকটিলা লাকমাছড়া বড়ছড়া নীলাদ্রি টেকেরঘাট
যাতায়াত করা যায় সারাবছর অন্যভাবে।
তবে শিমুল বাগান দেখতে যেতে হবে বসন্ত কালে।যারা কেবল শিমুল বাগান দেখতে আগ্রহী তারা প্রাইভেট গাড়ী বা সিএনজি অটো রিক্সা যোগে যাদুকাটা নদী তীরবর্তী লাউড়ের গড় বাজার গিয়ে ইঞ্জিন নৌকায় যাদুকাটা নদী পাড়ি দিয়ে সামান্য জায়গা পায়ে হেটে শিমুল বাগান ঘুরে আসতে পারবেন।তাছাড়া সুনামগঞ্জের আবদুজ জহুর সেতুর মুখে রয়েছে বিশাল মটর সাইকেল স্ট্যান্ড। মটর সাইকেলে শিমুল বাগান ঘুরে বারিকটিলা হয়ে অবারিত সবুজ পাহাড় ধান নদী খালের অপরূপ দৃশ্যাবলী দেখে দেখে ৩/৪ ঘন্টায় ঘুরে আসা যায় টেকেরঘাট নীলাদ্রি বড়ছড়া থেকে।যাদুকাটা নদী পারাপার ছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল।অবশ্য যাদুকাটা নদীতে সেতু নির্মান কাজ চলছে। প্রতিটি মটর সাইকেলে দু’জন করে যাওয়া যায়।ভাড়া পড়বে জনপ্রতি ৩/৪ শত টাকা। সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ যাতায়াতের জন্য রয়েছে বিআরটিসিসহ বিরতিহীন বাস সার্ভিস। ভাড়া পড়বে বিআরটিসি একশ’ ষাট আর বিরতিহীন ১শত টাকা। সুনামগঞ্জ যেতে সময় লাগবে দেড় থেকে দুই ঘন্টা।
সিলেটের কিছু প্রতিষ্ঠান টাঙ্গুয়া শিমুল বাগান সহ সুনামগঞ্জের দর্শনীয় স্থান ভ্রমনের আয়োজন করে। অথবা ব্যক্তিগত উদ্যোগেও সময় সুযোগ মত পরিবারের সবাই মিলে ঘুরে আসতে পারেন মরমী কবি হাসান রাজা রাধা রমন আর বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের দেশ ভাটির জনপদ সুনামগঞ্জ। বোনাস হিসাবে সুনামগঞ্জ শহরে হাসন রাজার বাড়ীটিও দেখে নিতো পারো। টাঙ্গুয়া ভ্রমনের জন্য বর্ষাকাল ভালো সময়।হাওরের সত্যিকার তখন রূপ তখন দর্শন করা যায়।কিন্তু করোনা মহামারির কারনে এবার চাইলেও পর্যটকরা যেতে পারছেন না টাঙ্গণয়া বা টেকেরঘাট সুনামগঞ্জের প্রকৃতিক শোভা উপভোগ করতে।তবে অচিরেই অবস্থার পরিবর্তন হবে বলে আশাবাদি সকলে।তখন সময় সুযোগ করে ঘুরে আসুন একবার বিশ্ব ঐতিহ্য টাঙ্গণয়ার হাওর আর সৌন্দর্যের লীলা নিকেতন টেকেরঘাট বারিকটিলা শিমুল বাগান যাদুকাটা নদীসহ হাওর বাওর বাউলের দেশ সুনামগঞ্জ। ভাটির জনপদ সুনামগঞ্জের অপরূপ সৌন্দর্য অবশ্যই মুগ্ধ করবে ভালো লাগবে।

Related Articles

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের অবদানগুলোকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে: সৈয়দ টিটু

আনিসুজ্জামান খোকন :নিজস্ব প্রতিবেদক: কিশোরগঞ্জে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের অবদানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,...

দীপিকার পায়জামা খুলে যাওয়ার রহস্য ফাঁস

কয়েক মাস বিরতির পর আবারও নেটমাধ্যমে ফিরেছেন বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোন। ফিরেই ইনস্টাগ্রামে নতুন একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ভৌতিক কায়দায় সেই ভিডিওতে মুগ্ধ নেটাগরিকরা।...

লাইসেন্স ছাড়াই চলছে জয়যাত্রা টিভি

আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী ও এফবিসিআই-এর পরিচালক হেলেনা জাহাঙ্গীরের মালিকানাধীন জয়যাত্রা আইপি টিভির অফিসে অভিযানে কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই)...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের অবদানগুলোকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে: সৈয়দ টিটু

আনিসুজ্জামান খোকন :নিজস্ব প্রতিবেদক: কিশোরগঞ্জে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের অবদানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,...

দীপিকার পায়জামা খুলে যাওয়ার রহস্য ফাঁস

কয়েক মাস বিরতির পর আবারও নেটমাধ্যমে ফিরেছেন বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোন। ফিরেই ইনস্টাগ্রামে নতুন একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ভৌতিক কায়দায় সেই ভিডিওতে মুগ্ধ নেটাগরিকরা।...

লাইসেন্স ছাড়াই চলছে জয়যাত্রা টিভি

আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী ও এফবিসিআই-এর পরিচালক হেলেনা জাহাঙ্গীরের মালিকানাধীন জয়যাত্রা আইপি টিভির অফিসে অভিযানে কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই)...

হেলেনা আক্তার থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীর

বিভিন্ন সময় নানা ভাবে আলোচনা-সমালোচনায় আসা হেলেনা জাহাঙ্গীরকে বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাতে গুলশানের নিজ বাসা থেকে আটক করে র‌্যাব। কখনও ব্যবসায়িক আবার কখনও...

আটকের পর রহস্যজনক হাসি হেলেনার

আওয়ামী লীগের নামের সঙ্গে মিল রেখে নামসর্বস্ব সংগঠন ‘চাকরিজীবী লীগ’ নিয়ে আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী ও এফবিসিআই’র পরিচালক হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গুলশানের বাসায় থেকে র‌্যাব গ্রেফতার করেছে।...