Sunday, October 17, 2021

বাংলাদেশের জন্য প্রেরণার অনিঃশেষ বাতিঘর বঙ্গবন্ধু -এড. সৈয়দ আসফাকুল ইসলাম টিটু

আনিসুজ্জামান খোকন : জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেশবাসীর সঙ্গে আমিও শোকাহতচিত্তে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের কালরাতে শাহাদাতবরণকারী সবাইকে। প্রতি বছর আমরা যেভাবে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাঙালির ইতিহাসে প্রথম স্বাধীন রাষ্ট্রের স্থপতিকে স্মরণ করি, এবারের প্রেক্ষিত তা থেকে ভিন্ন। এ বছর জাতীয় শোক দিবস পালিত হচ্ছে এমন সময়, যখন চলছে স্বাধীনতার এই মহানায়কের জন্মশতবার্ষিকী। যদিও বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে জন্মশতবার্ষিকীর সব আয়োজন স্থগিত রয়েছে, তবুও বঙ্গবন্ধু স্মরিত হবেন কোটি কোটি বাঙালির হৃদয়ে।’ কথাগুলো বললেন সৎ রাজনীতির প্রবাদপুরুষ, কিশোরগঞ্জের কৃতি সন্তান সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এর চাচাতো ভাই, কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি (ঢাকা বিভাগ) এর পরিচালক এডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু। এডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবেই বেশি পরিচিত। তিনি সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের আস্থাভাজন হিসেবে সবসময় তার সান্নিধ্য লাভ করেছেন এবং রাজনৈতিক প্রেরণা লাভ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছোটভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলামের পুত্র। তার পিতা সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম ছিলেন একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। চাচা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও পিতা সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলামের প্রেরণায় স্কুল জীবন থেকেই যুক্ত হন সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু। কিশোরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি ১৯৮১ সালে ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন এবং ১৯৮২ সালে ছাত্রলীগের স্কুল কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। গুরুদয়াল সরকারি কলেজে অধ্যয়নের সময় তিনি জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং সংগঠনকে বেগবান করে তোলেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল খুবই প্রশংসনীয়, এসময় জেল-জুলুমসহ নানা নির্যাতনের শিকার হন তিনি। আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে মাষ্টার্স ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি পুরোপুরি রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দেশে আসার পর এডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু তার ঘনিষ্টজন হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। ফলে বর্তমান সময়ে কিশোরগঞ্জের রাজনীতিতে অপরিহার্য হয়ে ওঠেছেন এডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু। নিজের যোগ্যতা, দক্ষতা ও কর্মক্ষমতা দিয়ে এলাকার সর্বস্তরের জনগণসহ দলীয় নেতা-কর্মীদেও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। একজন ক্রীড়ানুরাগী ও ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তিনি সকলের নিকট পরিচিত, যা তাকে বানিয়েছে বিসিবি’র পরিচালক। একইসাথে কিশোরগঞ্জ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। মাদকের ছোবল থেকে যুব সমাজকে রক্ষা ও কিশোরগঞ্জ থেকে মাদক ব্যবসা নির্মূলের জন্য নানা প্রকার কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন তিনি। এছাড়া সমাজসেবামূলক কর্মকা-ে তার রয়েছে ব্যাপক অবদান। করোনা দুর্যোগের সময়ে তিনি প্রায় ১২ হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দানের পাশাপাশি পিপিই, মাস্ক, স্যানিটাইজার ও সাবান দিয়ে সহায়তা করেছেন। এছাড়া তিনি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মূমূর্ষু রোগীদের চিকিৎসার্থে দশ লাখ টাকা দিয়ে একটি অত্যাধুনিক ভেনটিলেটার দান করেছেন।
সম্প্রতি রাজপথ বিচিত্রার মুখোমুখি হন এডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু, ‘১৫ আগস্টের হত্যাকা-কে কোন দৃষ্টিতে দেখেন’ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন-‘আমি এ হত্যাকা-কে পাকিস্তানী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই দেখি। বঙ্গবন্ধুর অন্তরজুড়ে ছিল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা। তিনি চেয়েছিলেন, রাজনৈতিক মুক্তির পর বাঙালি জাতির অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তি আসবে। বিশ্বের বুকে মর্যাদার সঙ্গে মাথা তুলে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। পাকিদের এদেশীয় দোসররা তা সফল হতে দেয়নি। দুর্ভাগ্য আমাদের। পঁচাত্তরের পর ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্র থেকে গণতন্ত্র, মানবিকতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও সম্প্রীতির সুমহান আদর্শ মুছে ফেলার অপচেষ্টা চলেছিল। কিন্তু কালের পরিক্রমায় তা ব্যর্থ প্রমাণ হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া আওয়ামী লীগ তারই আত্মজার নেতৃত্বে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ক্রমেই ফিরেছে মুক্তিযুদ্ধের ধারা। একদিকে যেমন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া অনেকাংশে সম্পন্ন হয়েছে, অন্যদিকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দৃশ্যমান অর্জন সম্ভব হয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে নিম্নআয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উত্তরণ ঘটেছে বাংলাদেশের। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু নিজের পায়ে দাঁড়ানোর যে প্রত্যয় বারংবার ব্যক্ত করতেন; নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ তারই সার্থক রূপায়ণ। আমরা দেখেছি, খোদ বঙ্গবন্ধুও ক্রমে আমাদের জাতীয় ও সামাজিক জীবনে ফিরে এসেছেন স্বমহিমায়। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিঃশেষ করতে পারেনি খুনিরা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সংহতির প্রতীক বঙ্গবন্ধু এখনও তার জীবন, কর্ম ও বাণী দিয়ে জাতিকে শক্তি জুগিয়ে চলেছেন। আমরা নিশ্চিত, অনাগত দিনগুলোতেও বঙ্গবন্ধু হয়ে থাকবেন বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য প্রেরণার অনিঃশেষ বাতিঘর।

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি? এ প্রশ্নের জবাবে এডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু বলেন ‘২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম রাজনৈতিক হত্যাকা- একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা বলে আমি মনেকরি। ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম রাজনৈতিক হত্যাকা- ঘটেছিল। জগতে আর কোনো হত্যাকা-ে নিষ্পাপ শিশু ও অবলা নারীকে হত্যা করা হয়নি, টার্গেট করা হয়নি অন্তঃসত্ত্বা নারীকে। সে সময় বিদেশে ছিলেন বলে প্রাণে বেঁচে যান আমাদের আশার বাতিঘর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর আরেক কন্যা শেখ রেহানা। সেদিন তারা বেঁচেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। হয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচার। কলঙ্কমুক্ত হয়েছে দেশ। ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাযজ্ঞ ও ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। কারণ ১৫ আগস্টের প্রধান টার্গেট ছিলেন আমাদের ভৌগোলিক মুক্তির স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ২১ আগস্টের প্রধান টার্গেট ছিলেন আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির স্থপতি শেখ হাসিনা।
তবে ১৫ ও ২১ আগস্টের কুশীলবরা এখনও সক্রিয় রয়েছে। এখনও তাদের ষড়যন্ত্রের নীলনকশা চলছে। কাজেই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

বিএনপির বর্তমান রাজনীতি সম্পর্কে আপনার মতামত কি? এ প্রশ্নের জবাবে এডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু বলেন ‘বিএনপি এখন বিচারপ্রার্থী দল। আন্দোলন সংগঠিত করতে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন বিভিন্ন জনের কাছে বিচার দিয়ে বেড়াচ্ছে।‘যারা ১৫ আগস্টের হত্যাকারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও পুনর্বাসন এবং ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বিচারের পথ রুদ্ধ করেছে, তাদের মুখে কোনো হত্যাকা-ের বিচার চাওয়া মানায় না। যারা ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি হিসেবে জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছিল, তাদের পক্ষে কোনো হত্যাকা-ের বিচার নিয়ে কথা বলা শোভা পায় না। এ দেশের রাজনীতিতে গুম-খুন-হত্যা ষড়যন্ত্র এবং সাম্প্রদায়িকতা বিএনপির হাত দিয়ে শুরু হয়েছে। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি আহসানউল্লাহ মাস্টার, শাহ এ এম এস কিবরিয়া, মঞ্জুরুল ইমাম, নাটোরের মমতাজসহ আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। তাদের নির্যাতন একাত্তরের হানাদার বাহিনীর নির্যাতনকেও হার মানিয়েছে। বিএনপি আজ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলছে। অথচ বিএনপি এবং দুর্নীতি সমার্থক শব্দ হয়ে উঠেছে। তাদের সময়ে দেশ পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

জননেত্রী শেখ হাসিনার সফলতায় আপনি কতটুকু আশাবাদী ? এ প্রশ্নের জবাবে এডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু বলেন- ‘১৯৭৫ সালে পাকিস্তানের ষড়যন্ত্রে যখন দেশি- বিদেশি ঘাতকেরা কেড়ে নিয়েছিলো জাতির পিতার গোটা পরিবারকে তখন ভাগ্যজোরে বা বাঙালির কপালগুণেই বেঁচে ছিলেন আজকের জননেত্রী শেখ হাসিনা। হয়তো আবারও এই আধমরা জাতিকে ধাক্কা দেবেন বলেই তিনি সেদিন বেঁচে গিয়েছিলেন দেশে না থাকায়। তিনি এলেন, ফিরলেন এবং আবারও জয় করে নিলেন সবাইকে। এই জয় করতে গিয়ে তিনি হারিয়েছেন তাঁর অনেক নেতাকর্মীকে, হারাতে বসেছিলেন নিজের জীবনকেও কিন্তু পিছপা হননি। উনিশবার হামলা মোকাবিলা করেই তিনি আমাদের ত্রাণকর্তা হয়ে রয়ে গেছেন। পালিয়ে যাননি বা দমে যাননি বরং বারেবারে নতুন করে ফিরে এসেছেন নতুন নতুনরূপে। ১৯৯৬ সালে এসে ভিত্তি গড়েছেন। সেই সময়টাকে যদি বলি রেকি করা তাহলে মূলত কাজ শুরু করেছেন তিনি ২০০৮ সাল থেকেই। এরপরের ইতিহাস সবারই জানা। মোট চারবার আর পরপর তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সরকারে থাকার ইতিহাস যার ঝুলিতে তিনি আজ বাংলাদেশকে টেনে নিয়ে চলেছেন। আর তাই আমাদের এই প্রজন্মের প্রত্যাশার পুরোটাই একজন শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে।
বঙ্গবন্ধুকে যারা দেখেনি তারা আজকে শেখ হাসিনাকে দেখছে, যিনি পিতার রেখে যাওয়া পরিকল্পনার সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির সংমিশ্রণ ঘটিয়ে কেমন করে আধুনিক বিশ্বের কাছে নিজেকে একজন স্বতন্ত্র নেতা হিসেবে পরিচিত করতে পেরেছেন। মুক্তিযুদ্ধই আমাদের আসল পরিচয়। এর বাইরে আমাদের বলার আর কিছু নেই। মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে যারা মিথ্যা ইতিহাস গড়তে চেয়েছিলো, যেমন করে তারা প্রশাসন থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটা অঙ্গে মিথ্যার পাহারাদার বসিয়ে দিয়ে গিয়েছিলো, তাদের সমূলে উৎপাটন করে ফেলতে হবে সত্য ইতিহাসকে দিয়ে। আর সেটা সম্ভব শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই।

পরিশেষে সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু বলেন ‘১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে ঘৃণিত ও বেদনাবিধুর দিন; জাতীয় শোক দিবস। আজ থেকে প্রায় ৪৫ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৭৫ সালের এই দিনে কিছু বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে বাঙালি জাতির পিতা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন।
বিপথগামী সেনাসদস্যরা শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেনি; একইসঙ্গে শিশু শেখ রাসেলসহ পরিবারের সব সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পৃথিবীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকারী অনেক রাজনৈতিক নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে; যেমন- আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক আব্রাহাম লিঙ্কন, প্রেসিডেন্ট কেনেডি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী প্রমুখ। কিন্তু একসঙ্গে সপরিবারে হত্যা কোনো দেশেই হয়নি। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর জাতির জীবনে কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, রাজনৈতিক আস্থাহীনতা তৈরি হয়। এ ধরনের হত্যাকা- কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। তাই এ কলঙ্ক মোচনে বঙ্গবন্ধুর বেশ কয়েকজন হত্যাকারীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বিচারের পর আদালত তাদের ফাঁসিও দিয়েছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাশেদ চৌধুরী ও কানাডায় নূর চৌধুরীসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেসব হত্যাকারী এখনও পালিয়ে আছে, তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার সম্পন্ন করা হোক। নইলে জাতির যে কলঙ্ক পুরোপরি মোচন হবে না। অপরাধীদের দেশে এনে বিচার করে জাতির কলঙ্ক মোচন করা হোক’ এটাই আমার প্রত্যাশা।

Related Articles

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

‘আইএমইডি’র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’

তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে...

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

‘আইএমইডি’র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’

তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে...

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021

পল্লবীতে বাড়ি থেকে টাকা-স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে ৩ বান্ধবী উধাও

অনলাইন ডেস্ক: কলেজ পড়ুয়া তিন বান্ধবী বাসা থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, স্কুল সার্টিফিকেট ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন। রাজধানীর পল্লবীতে এই ঘটনা ঘটেছে।...

ধারাবাহিক : পলাশ রাঙা দিন

নুসরাত রীপা পর্ব-১৬ তুলির বিয়েতে মীরা আসবে না শুনে বিজুর খুব মন খারাপ । মীরাকে মায়ের কলিজা বলে মা কে ক্ষ্যাপালেও মীরাকে ও আপন বোনের মতোই...