Wednesday, May 18, 2022

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত


নিজস্ব প্রতিবেদক :
১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল- ‘অধিকার ও পছন্দই মূল কথা: প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার প্রাধান্য পেলে কাঙ্খিত জন্মহারে সমাধান মেলে।
প্রতি বছর অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করে আসছে। তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ফের বাড়ায় চলতি বছর বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে তেমন কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। গত ১১জুলাই পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর অনলাইনে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আলী নূরের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু এনডিসি প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯১ লাখ এক হাজার। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩০ শতাংশ, গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৮ বছর, নারীদের প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৭৪ দশমিক ৫ বছর, পুরুষের গড় আয়ু ৭১ দশমিক ২ বছর।
হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, মোট প্রজনন হার ২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, প্রতি হাজারে মাতৃমৃত–্যর হার ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার শিক্ষার হার ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশ, ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার শিক্ষার হার ৭৫ দশমিক ২ শতাংশ, ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব নারী শিক্ষার হার ৭২ দশমিক ৯ শতাংশ।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, প্রজনন স্বাস্থ্য প্রত্যেক নর-নারীর অধিকার। নিরাপদ মাতৃত্ব ও প্রসূতি সেবা, মা ও শিশুস্বাস্থ্য পরিচর্যা, নারীদের সন্তান গ্রহণের সিদ্ধান্তসহ নারীর যথাযথ মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা প্রদান করে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা। পরিকল্পিত পরিবার একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। পরিবারের আকার ছোট হলে তা পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার পূরণের পাশাপাশি সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘একটি (দেশের জনসংখ্যা ও উন্নয়ন অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত। দেশের আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা বেশি হলে প্রতিটি সেক্টরে এর প্রভাব পড়বে। তাই একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে পরিকল্পিত জনসংখ্যা। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার পূরণের পাশাপাশি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গঠনে পরিকল্পিত জনসংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রতি বছর জাতিসংঘ তথা সারা বিশ্ব নানা রকম আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ দিনটি পালন করে থাকে। বিশ্বায়নে জনসংখ্যা- চ্যালেঞ্জ ও পরিকল্পিত পরিবারের সুবিধাসমূহের ব্যাপারে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ দিবস পালনের লক্ষ্য। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ দিবসটি পালিত হয়।
ধারণা করা হয় ১৯৮৭ সালের ১১ই জুলাই বিশ্বের জনসংখ্যা ৫০০ কোটিতে উন্নীত হয় এবং পরবর্তী সময়ে ইউএনডিপির গভার্ন্যান্স কাউন্সিল প্রতিবছর এই দিনটিকে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস হিসাবে পালন করার প্রস্তাব করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৮৯ সাল থেকে জাতিসংঘের উদ্যোগে বিভিন্ন প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করে আসছে। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপি) প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় ১৮০৪ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল ১০০ কোটি। এর দ্বিগুণ হতে সময় লেগেছিল ১২৩ বছর।
অর্থাৎ ১৯২৭ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা দাঁড়ায় ২০০ কোটিতে। এরপর ১৯৫৯ সালে অর্থাৎ ৩২ বছরে জনসংখ্যা দাঁড়ায় ৩০০ কোটিতে। এর ১৫ বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে জনসংখ্যা দাঁড়ায় ৪০০ কোটিতে। বিশ্বের জনসংখ্যা ৫০০ কোটিতে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল আরও কম। মাত্র ১৩ বছরে ১৯৮৭ সালে সংখ্যাটি ৫০০ কোটিতে পৌঁছায়। এরপর প্রতি ১২ বছরে বিশ্বের জনসংখ্যা বেড়েছে ১০০ কোটি করে। ১৯৯৯ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৬০০ কোটিতে। আর ২০১১ সালে তা ৭০০ কোটিতে পৌঁছায়। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ২০১৯ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় ৭৭১ কোটি। এই হারে জনসংখ্যা বাড়তে থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে এই জনসংখ্যা বেড়ে ১০০০ কোটি অতিক্রম করবে। একটি রাষ্ট্রের যে কয়েকটি মৌলিক উপাদান রয়েছে তার মধ্যে জনসংখ্যা অন্যতম। আর এ জনসংখ্যা কোনো দেশের জন্য সম্পদ আবার কোনো দেশের জন্য বোঝা। কোনো কোনো দেশে অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে সম্পদ হিসাবে বিবেচনা না করে। তবে প্রযুক্তি ও উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে অতিরিক্ত জনসংখ্যা দক্ষ করতে পারলে তা সম্পদে পরিণত করা সম্ভব। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দিকে তাকালে দেখা যায় অপুষ্টি, পর্যাপ্ত শিক্ষার অভাব, বেকারত্ব, চিকিৎসা সেবার অপ্রতুলতার মূলে রয়েছে অতিরিক্ত জনসংখ্যা। আর এসব বিষয়কে সামনে রেখে জনসংখ্যা বিষয়ক সমস্যাগুলো সবাইকে অবহিত করা এবং তা গুরুত্ব সহকারে সমাধানের প্রচেষ্টা করাই হলো দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পরিসংখ্যান আলোচনা করে দেখা যায় যে, ১৮৬০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল মাত্র ২ কোটি। ১৯৪১ সালে তা বেড়ে হয়েছিল ৪.২০ কোটি। অর্থাৎ ৮১ বছরে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বাড়ে মাত্র ২.২০ কোটি। আবার ১৯৬১ সালে জনসংখ্যা ছিল ৫.৫২ কোটি যা ১৯৯১ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১১.১৫ কোটিতে। অর্থাৎ ৩০ বছরে জনসংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ। ২০১২ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল ১৫.২৭ কোটি। ২০১৬ সালের জুলাইতে এই জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬.০৮ কোটি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ২০২০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯১ লাখ ০১ হাজার, সে হিসাবে বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। এ হারে বৃদ্ধি পেতে থাকলে ২০৫০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ২২ কোটি ২৫ লাখে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে, প্রতি মিনিটে বিশ্বে প্রায় ২৫০টি শিশু জন্মগ্রহণ করে। আর বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করে প্রায় ১০টি শিশু। সংস্থার আর এক জরিপে দেখা গেছে যে, বর্তমানে জন্ম নেয়া ১০০ জন শিশুর মধ্যে ৯৭ জন জন্মগ্রহণ করে তৃতীয় বিশ্বের তথা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। যে দেশগুলো এমনিতেই অধিক জনসংখ্যার দেশ। তাই বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এই বছরের থিম মূলত বিশ্বজুড়ে মেয়েদের অধিকার রক্ষার এবং সুরক্ষা কেন্দ্রিক। প্রজনন স্বাস্থ্য বলতে বোঝায়, যে লোকেরা একটি সন্তোষজনক এবং নিরাপদ যৌনজীবন অর্জন করতে সক্ষম এবং তাদের প্রজনন কখন এবং কীভাবে করা উচিত তা সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার রয়েছে। পুরুষ এবং মহিলাদের জন্মনিয়ন্ত্রণের সম্পর্কে অবহিত করা উচিত এবং জন্মনিয়ন্ত্রণের নিরাপদ, কার্যকর, সশ্রয়ী এবং গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে তাদের প্রবেশাধিকার থাকা উচিত। পাশাপাশি যৌন প্রজনন সংশ্লিষ্ট ওষুধের উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা, পরিসেবাগুলো প্রাপ্তি এবং গর্ভাবস্থা ও প্রসবের সময় মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য এবং দম্পতিদের একটি স্বাস্থ্যকর শিশু জন্ম দেয়ার সবচেয়ে ভালো সুযোগ প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার। এই সমস্ত কাঙ্খিত প্রজনন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং অধিকার যদি মেয়েরা পায়, তবেই কার্যত জন্মহার রোধ করা সম্ভব হবে। তাই আমাদের সবার উচিত নারীদের সমঅধিকার প্রদান করা।


বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় ৪ কোটি কিশোর কিশোরী রয়েছে। যারা এদেশের মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় এক-চতুর্থাংশ। তারপরও তাদের উপযোগী করে সেবার ব্যবস্থা করার চিন্তা এখনো ততটা গুরুত্ব পায় না। এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। বাল্যবিবাহের উচ্চহারের কারণে বাংলাদেশে বয়ঃসন্ধিকালে অনেক মেয়ে গর্ভধারণ, সহিংসতা ও অপুষ্টির ঝুঁকিতে থাকে। বর্তমানে ২০ থেকে ২৪ বছর বয়স নারীদের মধ্যে ৫৩ শতাংশেরই বিয়ে হয়েছে ১৮ বছরের আগে। এই বয়সে তারা প্রজনন স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে তেমন সচেতন থাকে না। এই অবস্থার কারণে বাংলাদেশে অনেক নবজাতকের মৃত্যু হয়। আবার সন্তান প্রসবের পর মা ও শিশু রোগাক্রান্ত হন। বাংলাদেশে বয়ঃসন্ধিকালের তিনজন মেয়ের মধ্যে একজনই রুগ্ন। আর মেয়েদের ১১ শতাংশই অনেক বেশি রোগা-পাতলা। তাদের অধিকাংশেরই জিংক, আয়োডিন ও আয়রণের মতো পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশের কিশোরী মেয়েদের অপুষ্টির পেছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে তা হলো পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার না পাওয়া ও অল্প বয়সে গর্ভধারণ।
বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়াতে বিষয়টি এখানে অনেক প্রাসঙ্গিক। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যার হার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও সেটা এখনো বেশ উদ্বেগজনক। বিবিএস ও ইউএনএফপি এর তথ্যমতে বাংলাদেশের সবচেয়ে ঘণবসতিপূর্ণ শহর হলো ঢাকা শহর। দেশের মোট ১০ শতাংশ লোক এই ঢাকা সিটিতে বাস করে। ইউনিভার্সিটি অব টরোন্টোর গ্লোবাল সিটিস ইনস্টিটিউশন পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, ২০৫০ সাল নাগাদ ঢাকা হবে বিশ্বের তৃতীয় জনসংখ্যা বহুল শহর এবং একই সময়ে জনসংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখে।
পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা সমালোচনার শেষ নেই। নতুন আর কি কি পদক্ষেপ নেয়া যায়, কিংবা কীভাবে মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে আনা যায়, এসব আরও একবার হিসাব-নিকাশ করার জন্যই আজকের এই দিনটি। জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন নতুন সমস্যা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য যে, প্রতিদিন বিশ্বে প্রায় ২৫,০০০ মানুষ মারা যাচ্ছে খাদ্যাভ্যাস ও অপুষ্টিজনিত কারণে। এছাড়া সুপেয় পানির অপ্রতুলতা, বাতাসের বিষাক্ততা, সম্পদের বিলুপ্তি, বাসস্থানের সমস্যা, ওজোন লেয়ার ধ্বংস ইত্যাদি বহু বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব। তার ওপর যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক উষ্ণতা এবং কোভিড-১৯। তার মূলেও রয়েছে এই জনসংখা বৃদ্ধি।
লেখক: ভিসি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।

পরিবার পরিকল্পনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১১ সাংবাদিক
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর প্রতি বছরের ন্যয় এ বছরও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শ্রেষ্ট প্রতিবেদককে মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে। ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের আয়োজনে এক ভাচ্যুয়াল সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ পুরষ্কার ঘোষণা করেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, পরিবার কল্যাণ অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহান আরা বানু, নাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদফতরের মহাপরিচালক সিদ্দিকা আক্তার, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক মো. শাহজাহান, পরিবার পরিকল্পনা ঢাকা বিভাগের পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের আইইএম ইউনিটের পরিচালক আমির হোসেনসহ অন্য কর্মকর্তারা সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন।
এ বছর মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডে প্রিন্ট মিডিয়া পুরষ্কার পান দৈনিক ইনকিলাবের সিনিয়র রিপোর্টার মাইনুল হাসান সোহেল (হাসান সোহেল), দৈনিক সমকালের স্টাফ রিপোর্টার সাজিদা ইসলাম পারুল, দৈনিক যুগান্তরের সাব-এডিটর রিতা ভৌমিক, দৈনিক জনকন্ঠের স্টাফ রিপোর্টার রহিম শেখ, ডেইলি স্টারের নিলিমা জাহান, রেডিও টুডের সাখাওয়াত সুমন, দৈনিক বাংলাদেশর সময়ের ইয়াসমিন রীমা এবং ডেইলি ময়নামতির মো. ইমদাদ উলল্লাহ। এছাড়া টেলিভিশন মিডিয়া পুরষ্কার পান চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের জিনিয়া কবির সূচনা, ডিবিসি টেলিভিশনের তাহসিনা সাদেক জেসি এবং বাংলাভিশনের জিয়াউল হক সবুজ।

Related Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

‘আইএমইডি’র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’

তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে...