Saturday, January 22, 2022

ধর্ষক ও সিঁধেল চোর লিটন দেওযানের সাথে অঞ্জনার রহস্যজনক ভালবাসা!

(ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক,

নাচনেওয়ালী অঞ্জনা রাজপথ বিচিত্রা পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা করার সময় আদালতে প্রাঙ্গনে অবস্থানকালে একটি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের সাথে সাক্ষাৎকারে বলেছেন ‘উপকার পেয়ে কিংবা কোন টাকার বিনিময়ে তিনি লিটনের প্রতারণার বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেননি, অভিনয় করেছেন ভালবাসার কারণে।’ একজন নারী ধর্ষক, সিঁধেল চোর ও অশিক্ষিত ব্যক্তির সাথে অঞ্জনার মত সাবেক তারকার সাথে কিসের প্রেম, কিসের ভালবাসা, কি সম্পর্ক? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে পাওয়া গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। লিটনের এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় কিশোর বয়স থেকেই সে চুরি-চামারিতে ছিল সিদ্ধহস্ত। তার বেশি পরিচিতি ছিল সিঁধেল চোর হিসেবে। এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে রাতে সিঁধ কেটে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে যাবার পর এলাকাবাসী তাকে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেয়। লিটন গ্রাম থেকে পালিয়ে এসে যাত্রাবাড়ির শহীদ ফারুক সড়ক এলাকায় মেস-এ ওঠে এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য বাসের হেলপারী শুরু করে। লিটন যে মেসে থাকতো তার পাশেই ছিল ভ- আধ্যাত্মিক সাধক সুফিয়া বেগমের আস্তানা। সুফিয়া বেগমের স্বামী কাপ্তান বাজার এলাকায় একই ব্যবসা করতো। স্বামীর কাছ থেকে প্রতারণার কৌশল শিখেছিল সুফিয়া বেগম। স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ি হবার পর সুফিয়া নিজেই ‘সুফিয়া বেগমের আমন্ত্রন’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে প্রতারণার ব্যবসা শুরু করে দেয়। কিন্তু আধ্যাত্মিক প্রতারণা পুরোপুরি জমাতে না পেরে শুরু করে নারী সাপ্লাই ব্যবসা। পেশাদার সুন্দরী কলগার্লদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং নারীদেহ লোভী ব্যবসায়ীদের কাছে তাদের পাঠিয়ে অর্থ রোজগারের রাস্তা পাকা করে নেয় সুফিয়া। বাসের হেলপার লিটনের নজর পড়ে যায় সুফিয়া বেগমের উপর। সে বিভিন্ন ছুতানাতায় সুফিয়ার চেম্বারে যাতায়ত করতে করতে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে সুফিয়ার সহকারী হিসাবে চাকরি নেয় লিটন। ধীরে ধীরে লিটন সুফিয়ার আধ্যাত্মিক প্রতারণা ও নারী ব্যবসার কৌশল শিখে নিয়ে নিজেই সুফিয়া বেগমের পাশে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে ‘শেষ দর্শন’ নাম দিয়ে প্রতারণা ও নারী ব্যবসা শুরু করে দেয়। কিছুদিনের মধ্যেই ওদের নারীদেহ ব্যবসা ও প্রতারণা এলাকাবাসীর চোখে ধরা পড়লে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে লিটন ও সুফিয়াকে গণধোলাই দিয়ে এলাকা থেকে বিতাড়িত করে। এরপর সুফিয়া বেগম মগবাজার রেলগেইট এলাকায় ‘সুফিয়া বেগমের চ্যালেঞ্জ’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে আস্তানা গড়ে তোলেন আর লিটন আস্তানা গড়েন পলওয়েল সুপার মার্কেটের চতুর্থ তলায়। পলওয়েল মার্কেটে আসার পর লিটনের নারীদেহ ব্যবসা রমরমা আকার ধারণ করে। এসময় অনেক হাই প্রোফাইল ব্যক্তির সাথে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এসময় একটি পদক কেনা-বেচার অনুষ্ঠানে পদক কিনতে গিয়ে পরিচয় হয় নাচনেওয়ালী অঞ্জনার সাথে। অঞ্জনা তখন ‘অচল মাল’। হাতে কোন সিনেমা নেই, কোন নাচের অনুষ্ঠানেও ডাক পড়ে না, নেই আগের সেই রূপ-যৌবন ফলে ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরাও তাকে রাতের আসরে ডাকে না। অথচ তাকে হাইফাই লাইফ মেনটেইন করতে হয় কিন্তু হাইফাই লাইফ মেনটেইন করার জন্য যে টাকা প্রযোজন তা আয় করার কোন রাস্তাই তার নেই, ফলে তাকে আগাতে হয় ভিন্ন পথে। শোনা যায় তখন তিনি একটি অভিজাত এলাকায় হাইফাই ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী ও মডেল পরিচয়দানকারী কলগার্লদেরকে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে দেহ ব্যবসা শুরু করেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে মক্কেল যোগার করেন। পদকের অনুষ্ঠানে অঞ্জনার সাথে পরিচয়ের পর অঞ্জনা লিটনকে তার বাসায় যেতে দাওয়াত করেন। লিটন পরদিন তার চেম্বারের কাজ শেষ করে তার সহকারী জাহাঙ্গীরকে নিয়ে অঞ্জনার বাসায় যান এবং অঞ্জনার উষ্ণ আতিথেয়তায় মুº হয়ে নিয়মিত খদ্দের ও প্রবাসীদের স্ত্রীসহ সুন্দরী কলগার্ল সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দেন। এর পর থেকেই তাদের তথাকথিত ভালবাসার সম্পর্ক গভীরতা লাভ করে। অঞ্জনা কমিশনের বিনিময়ে লিটনের কাছে মক্কেল নিয়ে আসতেন আর লিটন কমিশনের বিনিময়ে অঞ্জনার রঙমহলে খদ্দের নিয়ে যেতেন।
এদিকে একটি পত্রিকায় লিটনের প্রতারণা ও নারী ব্যবসা সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে গোয়েন্দা পুলিশ লিটনকে গ্রেপ্তার করে এবং লিটনের কাছে আধ্যাত্মিক সাধক বিষয়ক প্রমাণ চান। লিটন আধ্যাত্মিক সাধক হবার বিষয়ে কোন প্রমাণ দিতে না পেরে সাইনবোর্ড, বিজ্ঞাপন ও ভিজিটিং কার্ডে আর কখনো ‘আধ্যাত্মিক সাধক’ শব্দটি লিখবে না বলে মুচলেকা দেয়। এরপর জেল থেকে বেরিয়ে এসে লিটন আধ্যাত্মিক সাধক শব্দটির পরিবর্তে জ্যোতিষ শব্দটি ব্যবহার করতে শুরু করে। কিন্তু তার প্রতারণা ও নারীদেহ ব্যবসার বিষয়টি পলওয়েল মার্কেট কর্তৃপক্ষ জেনে যায় এবং পলওয়েল মার্কেট থেকে তাড়িয়ে দেয়।
এরপর লিটন কাকরাইলের ইষ্টার্ন কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স-এ বিশাল অফিস খোলে বসে। অফিসে নিজের কক্ষটিতে ব্যায়ামের যন্ত্রপাতির সাথে একটি বিছানাও ফিট করে এবং সেক্স সেন্টার খোলে বসে। ওই সেক্স সেন্টারে কেবল তার বিশ্বস্ত ব্যক্তিরাই ফুর্তি করার সুযোগ পেত। এছাড়া কোন সুন্দরী নারী কিংবা কোন প্রবাসীর স্ত্রী কোন সমস্যা নিয়ে তার কাছে এলে সে ‘আপনার সমস্যা জ্বিনের বাদশা ছাড়া কেউ সমাধান করতে পারবে না। জ্বিনের বাদশার সাথে সাক্ষাৎ করতে হলে ভোগের আয়োজন করতে হবে।’ বলে ভোগের আয়োজনের নামে মক্কেলের সামর্থ্য অনুযায়ী ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করে নিত লিটন। নির্ধারিত তারিখে কক্ষের ভিতরের একটি গোপন কুটরীতে লুকিয়ে থাকতো তার ভাগ্নে ছিনতাইকারী নয়ন। আর তার সহকারী জাহাঙ্গীর ও শামীম ২টি ক্যামেরা নিয়ে ২দিকে লুকিয়ে থাকতো। নারী মক্কেলটি কক্ষে ঢোকার পর একটি অদ্ভুত বাজনা শুরু করা হতো যা শুনলে শরীরে কাঁপুনি ধওে যেতো। তারপর সাধারন লাইট নিভে গিয়ে জ্বলে ওঠতো রঙিন আলো। কুঠরি থেকে গম্ভীর কন্ঠে নয়ন বলতো ‘আমি জ্বিনের বাদশা বলছি, আমি এখন লিটন দেওয়ান চিশতির শরীরে ভর করবো, তখন আমার সাথে তুই সহবাস করবি, সহবাসের ফলে ২জনের শরীর থেকে যে রস বের হবে তার সাথে পরীর রক্ত মিশিয়ে মন্ত্র পড়ে একটা তাবিজ বানিয়ে দেব, এই তাবিজ শরীরে ধারন করলে সব বিপদ কেটে যাবে এবং তোর মনোবাসনা পূর্ণ হবে।’ এসময় লিটন একটি পাত্র তার তালুতে রাখতো তখনই ২ফোটা রক্ত (রক্ত লাল রং গোপন কুটরী থেকে নয়ন ফেলতো) সেই পাত্রে পড়তো, ফলে নারীটি আরো দুর্বল হয়ে যায়। লিটন পাত্রটি টেবিলের উপর রেখে জ্বীনের মত অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে এবং নারীটিকে ঝাপটে ধরে বিছানায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ভয়ে জড়োসড়ো নারী বাধা দেবার সুযোগ পায় না, কেউ বাধা দেবার চেষ্টা করলে তাকে জোর করেই ধর্ষণ করা হয়। পুরো ধর্ষণের দৃশ্যটি ২ দিক থেকে ক্যামেরায় ধারণ করে জাহাঙ্গীর ও শামীম। পরে ধর্ষিতা নারীকে ভিডিওটি দেখিয়ে কাউকে জানালে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবার হুমকী দেয়া হতো। র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হবার পর সে তার অপরাধ স্বীকার করে অনুতপ্ত হয় এবং এই ব্যবসা আর করবে না বলে অঙ্গীকার করে। কিন্তু জেল থেকে বেরিয়ে সে কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স-এর ৫ম তলায় দোকান নিয়ে একই ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু ব্যবসা জমাতে না পেরে পুরনো বান্ধবী অঞ্জনার সাথে যোগাযোগ করে। অঞ্জনার পরামর্শে লিটন বসুন্ধরা সিটির নীচ তলায় দোকান ভাড়া নেয় এবং চলচ্চিত্রের দুই নম্বরী ব্যক্তি যেমন ধর্ষক আহমদ শরীফ, লম্পট কাজী হায়াত, বেয়াক্কল এটিএম শামসুদ্দিন, নারীদেহ ব্যবসায়ী রীনা খান, কলগার্ল রতœা ও একা, বেয়াক্কল নায়িকা সুজাতাসহ বিতর্কিত কর্মকা-ে জড়িত অঞ্জনা প্রমুখকে নিয়ে নানান সুযোগ সুবিধা দিয়ে একটি প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনচিত্র তৈরি করে কয়েকটি টিভি চ্যানেলে প্রচার করে ব্যবসা জমিয়ে তুলেছে। অবশ্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণকারী অভিনেতা/ অভিনেত্রীরা স্বীকার করেছেন তারা না বুঝেই-শুধু টাকার বিনিময়ে বিজ্ঞাপনটিতে অভিনয় করেছেন। তার অবৈধ আয় থেকে অঞ্জনা প্রতিমাসেই একটা মাসোহারা পায় বলে জানা গেছে। অঞ্জনা বর্তমানে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে মক্কেল যোগার করতে ব্যস্ত। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে মোটা অংকের ভিক্ষাও নিয়েছে।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভিসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে লিটনের বিরুদ্ধে প্রচারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব অভিনেতা-অভিনেত্রী বলেছিলেন ‘আমরা অভিনয়শিল্পী, অভিনয় করাই আমাদের কাজ, ভাল-মন্দ জানি না, টাকা পেয়েছি অভিনয় করেছি।’ তাদের এ বক্তব্যের পর লিটনের কাছে এসে প্রতারিত হওয়া নারী-পুরুষেরা আজ তাদের কাছে জানতে চান ‘তাদের অভিনয় দেখে বিশ^াস করে যারা লিটনের কাছে উপকারের আশায় এসে লাখ লাখ টাকা খুইয়েছেন এবং হয়রাণীর শিকার হয়েছেন তার দায় কে নেবে? সামান্য টাকার জন্য তারা এমন অনৈতিক অভিনয় কিভাবে করলেন? এদের কাছে কি টাআটাই সব? টাকার জন্য আর কত নিচে নামবেন তারা?’
এই প্রতারক লিটন দেওয়ান কর্তৃক হাজার হাজার নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার হয়েও কোনো আইনি সহায়তা পাচ্ছে না। যার ছিল ছন্নছাড়া জীবন। নুন আনতে পান্তা ফুরাত। তিনিই এখন অঢেল সম্পত্তির মালিক। দিনমজুরি করে যখন সংসার চলত না, তখন তিনি বেছে নেন বাসের হেলপারি। কিন্তু এ কাজ করেও তার স্বস্তি হচ্ছিল না। তখন তিনি ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে বেছে নেন ঝাড়ফুঁক আর কবিরাজির পথ। এর কয়েক বছরের মধ্যে গ্রামের হতদরিদ্র ছেলে লিটন বনে যান খোদ রাজধানীর সেরা জ্যোতিষরাজ। এরপর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। আলাদিনের চেরাগ হাতে পাওয়ার কাহিনীর মতো রাতারাতি পরিণত হন বড় এক ধনকুবের।
হাত দেখে পাথর ধরিয়ে দেয়ার বিনিময়ে হাতিয়ে নেন কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। যার হিসাব নিজেও রাখতে পারেন না। তাই চেম্বারে তাকে রাখতে হয়েছে একাধিক কর্মচারী। অথচ এই লিটন দেওয়ানই র‌্যাবের অপরাধ তথ্যভা-ারে (ক্রিমিনাল ডাটাবেজ) একজন পেশাদার প্রতারক। গ্রেফতার হয়ে যিনি প্রতারণার সব তথ্য ফাঁস করে দেন। কিন্তু জেলের ভাত তাকে বেশিদিন খেতে হয়নি। বিচিত্র দেশ। জেলখাটা এ প্রতারকের সঙ্গে ছবি তুলেছেন সমাজের বহু নামিদামি ব্যক্তি। আর গত ১২ বছরে ধরে দিব্যি তিনি বহাল-তবিয়তে হাইপ্রোফাইল চেম্বার খুলে চুটিয়ে প্রতারণার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

লিটনের গোপন আজমীর শরীফ
লিটনের প্রতারণার আস্তানায় প্রেম সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করতে এসেছিল আবিরা সুলতানা রিকু নামের এক সুন্দরী নারী। কিন্তু রিকুর প্রতি কুনজর পড়ে যায় লিটনের। তাকে জ¦ীন সাধনের ফাঁদে ফেলে গোপন আস্তানায় নিয়ে গিয়ে তার ইজ্জত লুটে নেয় লিটন। ‘জ¦ীন তার সাথে সহবাস করেছে, তার জীবনে অনেক সুখ-শান্তি আসবে’ এসব কথা বলে রিকুকে শান্তনা দেবার চেষ্টা করে লিটন। কিন্তু রিকু সব ফাঁস করে দেবার হুমকী দিলে তাকে গার্ডেন ভিউ’র ফ্ল্যটটি লিখে দিয়ে বিয়ে করতে বাধ্য হয় লিটন। এটি এখন প্রতারক লিটনের গোপন আস্তানা।
লিটন এপর্যন্ত ৪টি বিয়ে করেছে। তার প্রথম স্ত্রী বসবাস করতো শান্তিনগরের ফ্ল্যাটে। প্রথম স্ত্রী মারা যাবার পর শান্তিনগরের ফ্ল্যাটটি বিক্রি করে দেয় লিটন। বর্তমানে তার ৩টি ফ্ল্যাট ও একটি আলীশান বাড়ি আছে। তার তিন স্ত্রী তিনটি ফ্ল্যাটে বসবাস করে। শান্তিনগরের ইষ্টার্ন প্লাস শপিং সেন্টরের উল্টোদিকে প্যারাডাইস এপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স-এ একটি, কাকরাইলে ৮৫/১-এ ইষ্টার্ন হাউজিং-এর এপার্টমেন্ট-এ এবং বসুন্ধরা সিটি শপিং সেন্টারের পেছনে গার্ডেনভিউ এপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স-এর ৩০৩ নম্বর ফ্ল্যাটটি ব্যবহৃত হয় লিটনের গোপন আস্তানা হিসেবে। এটিকে সে বলে আজমীর শরীফের শাখা। ওই ফ্ল্যাটে সুন্দরী নারীদেরকে জ¦ীনের সাথে সাক্ষাত করানোর কথা বলে নিয়ে গিয়ে কৌশলে তাদের ইজ্জত লুটে নেয় লিটন। ওই আস্তানায় ভাগ্নে নয়ন গোপন কুঠরীতে বসে জ¦ীনের ভুমিকায় অভিনয় করে এবং জ¦ীনের নির্দেশ পালনের নির্দেশ দেয় অতপর লিটন জ¦ীনের বাদশা সেজে নারীকে ধর্ষণ করে। এই কৌশলটি ভাগ্নে নয়নও শিখে নিয়েছে। সেও মাঝেমধ্যে বিভিন্ন তরুণীকে মামার আস্তানায় নিয়ে ধর্ষণ করে। আর এসবের ভিডিওচিত্র ধারণ করে জাহাঙ্গীর শামীম। এছাড়া নয়ন সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেছে এবং বিভিন্ন তরুণীকে মিউজিক ভিডিও’র নায়িকা বানানোর প্রলোভন দিয়ে ওই আস্তানায় নিয়ে সতীত্ব হরণ করছে বলে জানা গেছে। এছাড়া আয়কর ফাঁকি দেবার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে ভ- লিটনের বিরুদ্ধে। জাতীয় রাজস্ব গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক তদন্ত হলে কেঁচো খঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল।

Related Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

‘আইএমইডি’র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’

তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে...