Wednesday, December 1, 2021

টেলিমেডিসিন সেবার নামে কোটিপতি রেজাউল ও রতœাগং

হিউম্যান হেলথ হেল্পলাইন (ঐঐঐ)

বাংলাদেশের বিদ্যমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা একটি শব্দ টেলিমেডিসিন, যার মাধ্যমে একজন চিকিৎসক রোগীর সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ ছাড়াই তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা দিতে পারছেন। চলমান লক-ডাউন পরিস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষার অভাবে যেখানে রোগী এবং চিকিৎসক উভয়ের জন্যেই হাসপাতাল-ক্লিনিকে গিয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করা ঝুঁকিপূর্ণ, সেখানে রোগীদের প্রাথমিক পর্যায়ের পরামর্শ, প্রেসক্রিপশন এমনকি একটু মানসিক সাহস যোগানোর জন্যেও টেলিমেডিসিন হয়ে উঠছে সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম। তবে এই সংক্রান্ত কোন নীতিমালা, নির্দেশনা বা প্রবিধান তথা কোন আইনগত ভিত্তি না থাকায় সম্ভাবনাময় এই সেবা খাতটিকে পুঁজি করে সক্রিয় হয়ে ওঠেছে প্রতারকচক্র। একাধিক চক্র গজিয়ে ওঠলেও প্রতারণার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে ‘ত্রিপল এইচ ঐঐঐ হিউম্যান হেলথ হেল্পলাইন মোঃ রেজাউল করিম নামক প্রতারকের নেতৃত্বে মো: মাহমুদুল হাসান টিপু ও শিক্ষক রতœার পরিচালনায় ওরা শুধু ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকেই বিভিন্ন জনের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক কোটি টাকা। চক্রটি এখন রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতারণার জাল বিস্তার করতে শুরু করেছে। ঐঐঐ-এর ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠানের যে ঠিকানা দেয়া আছে সেখানে কোন অস্তিত্ব খোঁজে পাওয়া যায়নি, পরে ভিজিটিং কার্ডে লিপিবদ্ধ ঠিকানায় গিয়েও কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

শিক্ষক রতœার প্রতারণা
বর্তমান করোনা ভাইরাস সংকটকালে সরকারী হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা বিঘিœত হওয়ার সুযোগটি কাজে লাগিয়ে প্রতারকচক্র টেলিমেডিসিন সেবার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। টেলিফোনে সকল রোগের পরামর্শ ও চিকিৎসা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনপ্রতি এক হাজার টাকা পর্যন্ত ভিজিট হাতিয়ে নিয়ে সদস্য করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে ‘এই টাকা দিয়ে সদস্য হলে সারাবছর চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাবে, ডাক্তারের পিছনে ঘুরতে হবে না, তাছাড়া জরুরী ও সংকটপূর্ণ মুহুর্তেও পাওয়া যাবে সঠিক পরামর্শ।’ এই আশ্বাস দিয়ে হাজার হাজার মানুষকে সদস্য বানিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকচক্র। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রায় ৩০টির মত প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে যারা বিভিন্ন কৌশলে সারা দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করে তিনশ থেকে এক হাজার টাকার বিনিময়ে সারা বছর চিকিৎসাসেবা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সদস্য বানাচ্ছে। এজন্য বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে শাখা অফিস খোলে লোকও নিয়োগ দিয়েছে বিভিন্ন পদে।
হিউম্যান হেলথ হেল্পলাইন (ঐঐঐ) টেলিমেডিসিন প্রকল্প নামক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রেজাউল করিমের নেতৃত্বে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় একটি চক্র প্রতারণার জাল বিস্তার করে ইতিমধ্যেই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলাধীন দড়িকান্দি গ্রামের মধ্য দড়িকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রতœা আক্তারের পরিচালনায় তার স্বামী মহিউদ্দিন ও আত্মীয় আবদুল মান্নান ও মো: মাহমুদুল হাসান টিপু এই পাঁচজনের প্রতারক চক্রটি হিউম্যান হেলথ হেল্পলাইন (ঐঐঐ) টেলিমেডিসিন প্রকল্প-এর নাম ব্যবহার করে একটি পকল্প অফিস চালু করে বিভিন্ন পদে লোক নিয়োগ করে ও টেলিমেডিসিন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের নামে পাঁচ সহ¯্রাধিক সদস্য সংগ্রহ করে তাদের কাছ থেকে ৩শ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত ফি নিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে এবং মোটা বেতনের চাকরিতে লোক নিয়োগ করে জামানতের নামে আরো কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কিন্তু নিয়োগপ্রাপ্তরা পাঁচ মাস চাকরি করে পাঁচ হাজারের অধিক সদস্য সংগ্রহ করলেও তাদেরকে কোন বেতন দেয়া হয়নি।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায় টিপু, মহিউদ্দিন ও তার স্ত্রী মধ্য দড়িকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রতœা আক্তার সেতুবন্ধন বহুমুখী সমবায় সমিতি নামক একটি এনজিও-এর মালিক। সরকারী চাকরির পাশাপাশি রতœা এনজিও’র নামে প্রতারণা ব্যবসায় লিপ্ত হয়েছে। এছাড়াও তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা মুখরোচক গল্প এলাকার মানুষের মুখে শোনা যায়। তাছাড়া মহিউদ্দিন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টিটিভ পরিচয়ের আড়ালে ইয়াবা সরবরাহ কাজে লিপ্ত বলে জানা যায়। রতœা, মহিউদ্দিন ও মান্নান তাদের প্রতারণা হাসিল করার উদ্দেশ্যে হিউম্যান হেলথ হেল্পলাইন (ঐঐঐ) টেলিমেডিসিন প্রকল্প-এর সাথে সম্পাদিত একটি চুক্তিপত্র ব্যবহার করে।
উক্ত চুক্তিপত্র অনুযায়ী ১ম পক্ষ হলো হিউম্যান হেলথ হেল্পলাইন (ঐঐঐ) টেলিমেডিসিন প্রকল্প এবং ২য় পক্ষ হলো সেতুবন্ধন বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন, সাধারন সম্পাদক রতœা এবং প্রকল্প পরিচালক হলেন আবদুল মান্নান। চুক্তিতে বলা হয় ২য় পক্ষ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে অফিস স্থাপন করে বিভিন্ন পদে লোক নিয়োগ করবে প্রথম পক্ষ নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন নিয়মিত পরিশোধ করবে। উপজেলা কো-অর্ডিনেটরের বেতন ধরা হয় প্রতিমাসে ৭৫০০০/ (পঁচাত্তর হাজার) টাকা, ইউনিয়ন কো-অর্ডিনেটরের বেতন ধরা হয় ৩০০০০/ (ত্রিশ হাজার) টাকা, হেলথ ওয়ার্কার ২০০০০/ (বিশ হাজার) টাকা ও কম্পিউটার অপারেটর ২০০০০/ (বিশ হাজার) টাকা। তিন মাসের মধ্যে ২য় পক্ষকে প্রতি ইউনিয়ন থেকে কমপক্ষে ২০০০ (দুই হাজার) সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে প্রথম পক্ষ চুক্তি বাতিল করতে পারবে বলে শর্ত দেয়া হয়। এসব শর্তের ভিত্তিতে রতœার নেতৃত্বে বাঞ্চারামপুর উপজেলায় হিউম্যান হেলথ হেল্পলাইন (ঐঐঐ) প্রোগ্রাম, টেলিমেডিসিন প্রকল্প-এর কার্যক্রম শুরু হয়। রতœা আক্তার একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা কো-অর্ডিনেটর পদে মো: মাহমুদুল হাসান টিপুসহ ৫জনকে, ইউনিয়ন কো-অর্ডিনেটরের পদে ৪০ জনকে, হেলথ ওয়ার্কার পদে ৭৭জনকে ও কম্পিউটার অপারেটর পদে ১জন এর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। শর্ত অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্তরা তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করলেও তাদেরকে কোন প্রকার বেতন ভাতা দেয়া হয়নি।

বাস্তবচিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন
এবিষয়ে এ প্রতিবেদকের কথা হয় হিউম্যান হেলথ হেল্পলাইন (ঐঐঐ) প্রোগ্রাম, টেলিমেডিসিন প্রকল্প-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: রেজাউল করিমের সাথে। তিনি বলেন আবদুল মান্নানচক্র যে চুক্তিপত্রটি দেখিয়েছে সেটি সম্পুর্ন ভুয়া। তাদের সাথে তার কোন চুক্তিপত্র হয়নি। তবে তারা তার অনুমতি নিয়েই বাঞ্ছারামপুরে সেতুবন্ধন সমবায় সমিতির উদ্যোগে হিউম্যান হেলথ হেল্পলাইন (ঐঐঐ) প্রোগ্রাম, টেলিমেডিসিন প্রকল্প-এর শাখা অফিস চালু করেছে।
আলোচিত হিউম্যান হেলথ হেল্পলাইন (ঐঐঐ) প্রোগ্রাম, টেলিমেডিসিন প্রকল্প-এর প্রাপ্ত অনুমতি পত্রটি পর্যালোচনা করে দেখা যায় গত ১৮ জুলাই ২০১৮ তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) ও লাইন ডাইরেক্টর, এইচআইএস এ- ই-হেলথ ডাঃ আশিস কুমার সেন স্বাক্ষরিত (স্মারক নং-স্বাঃ অধিঃ/এমআইএস/২০১৮/৯১০) এক পত্রে টেলিমেডিসিন সিস্টেমের মাধ্যমে ৫টি শর্তে জনগণকে চিকিৎসাসেবা প্রদানের অনুমতি প্রদান করা হয়। শর্তগুলো হচ্ছে-১. এমআইএস থেকে প্রদত্ত টেলি স্বাস্থ্য-সেবা সংক্রান্ত নীতিমালা (টেলিমেডিসিন ও মেডিকেল কল সেন্টার) অনুসরণ করতে হবে। ২. চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শ প্রদানকারী চিকিৎসকগণকে বিএমডিসির রেজিষ্ট্রেশনপ্রাপ্ত হতে হবে। ৩. অপরপ্রান্তে রোগীকে সহায়তাকারী অপারেটরকে উপজেলা/ জেলা পর্যায়ের সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপক কর্তৃক পরীক্ষান্তে দক্ষ বলে স্বীকৃত হতে হবে। ৪. টেলিমেডিসিন সেবা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি মান সম্পন্ন হতে হবে যাতে ভুল ডায়াগনসিসের সম্ভাবনা না থাকে। ৫. প্রতি তিন মাস অন্তর টেলিমেডিসিন সেবার সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত প্রতিবেদন জমা দিতে।’ বাস্তবে কোন প্রতিষ্ঠানকেই নীতিমালা অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়নি। সবাই জনগণের পকেট কেটে কোটিপতি হবার ধান্ধায় লিপ্ত।
সেতুবন্ধন বহুমুখী সমবায় সমিতির প্রতারণা বিষয়ে জানতে চাইলে সাধারন সম্পাদক ও মধ্য দড়িকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রতœা আক্তার বলেন তিনি এসবের সাথে জড়িত নন, সবই আবদুল মান্নান, মো: মাহমুদুল হাসান টিপু ও মহিউদ্দিনের কাজ। আবদুল মান্নানের মোবাইল ফোনে কল করে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। মহিউদ্দিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জরুরীভাবে প্রয়োজন একটি টেলিমেডিসিন নীতিমালা
টেলিমেডিসিনের প্রায়োগিক দিকগুলো সূচারুভাবে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটের আলোকে লাগসই প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকা উচিৎ। এই সেবাকাঠামোর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের (যেমন চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান, প্রশাসক এবং রোগী) আচরণবিধি, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কেও দিকনির্দেশনা থাকা জরুরী।
এক্ষেত্রে সমাধান হিসেবে আসতে পারে মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনের অধীনে একটি পূর্নাংগ টেলিমেডিসিন নীতিমালা, বা প্রবিধান কিংবা প্র্যাকটিস গাইডলাইন, যাতে উপরোল্লিখিত বিষয়গুলো সহ টেলিমেডিসিন সেবা সংক্রান্ত নানা দিকের সংজ্ঞা ও মানদন্ডসহ একটি সামগ্রিক আইনী কাঠামো দেয়া থাকবে। মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার জরুরী ভিত্তিতে এই নির্দেশিকা/ নীতিমালা বা প্রবিধান জারী করতে পারে। বর্তমানে মন্ত্রীপরিষদে বিবেচনাধীন খসড়া স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইনটিসংসদে পাস হলে সেখানেও টেলিমেডিসিন সংক্রান্ত বিধানাবলী প্রবিধান বা নোটিফিকেশন হিসেবে অধিভুক্ত করা যেতে পারে।
দেশের বিদ্যমান স্বাস্থ্যসেবাকাঠামোতে অবকাঠামোগত বা যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং ফার্মা কোম্পানী ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অসুস্থ বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার প্রভাব কমিয়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দিতে টেলিমেডিসিন সেবা কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা জরুরী। এই খাতে জরুরী ভিত্তিতে আইনী কাঠামো প্রণয়ন করবার মাধ্যমে একদিকে যেমন রোগী-চিকিৎসক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের অধিকার ও কর্তব্য সুচিহ্নিত হবে, তেমনিভাবে তরুণ কিংবা প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তাগণও এতে এগিয়ে আসবার জন্য প্রণোদিত হবে, যার ফলে বলীয়ান হবে করোনা-পরবর্তী বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশ।

Related Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

‘আইএমইডি’র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’

তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে...

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021