Thursday, May 19, 2022

জাতীয় গৃহায়ন র্কর্তৃপক্ষের স্বঘোষিত চেয়ারম্যান দেলোয়ার!

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় গৃহায়ন র্কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) উচ্চমান সহকারী দেলোয়ার হোসেন। পদে ছোট হলেও জাগৃকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যানের মতো ক্ষমতাবান হিসেবে পরিচিত তিনি। অভিযোগ আছে, গৃহায়ন ভবনে বিশাল আকারের রুমে বসে রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকার প্লট ও ফ্ল্যাটের সব কাজ করেন দেলোয়ার। নিজে উচ্চমান সহকারী হলেও নিজের দাপ্তরিক কাজ করতে তার রয়েছে একাধিক লোক। নিজ নামের পাশাপাশি স্ত্রী, মা ও শ্যালকের নামে সংস্থাটি থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন কমপক্ষে ১০টি প্লট ও ফ্ল্যাট। মোহাম্মদপুর-ধানম-ি এলাকার নিজের কব্জায় নিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়েছেন একাধিক প্লট। এভাবে নানা অনিয়মের মাধ্যমে ‘রাতারাতি’ হয়ে উঠেছেন শত শত কোটি টাকার মালিক। ২০১৭ সালের শেষ দিকে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে জাগৃকের কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) সাধারণ সম্পাদকের পদটিও দখলে নেন তিনি। তবে দেলোয়ার বলছেন, জাগৃকের কিছু কর্মচারী সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিচ্ছে, যেগুলোর অধিকাংশই মিথ্যা।
সংস্থাটির কর্মচারীরা জানান, জাগৃকের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আখতারুজ্জামান ও বিদায়ী চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলামকে ব্যবহার করে বিধিবহির্ভূতভাবে ক্যাশিয়ার থেকে ‘পদ বদলে’ হয়েছেন উচ্চমান সহকারী। জাগৃকের পাম্প অপারেটর আব্দুল ওহিদের ছেলে দেলোয়ার এখন সংস্থাটির অঘোষিত ‘সম্রাট’। পুনর্বাসন প্লট, পদোন্নতি, বদলি, নামজারি, বিক্রয় অনুমতি- সবই এখন দেলোয়ার সিন্ডিকেটের হাতে। দেলোয়ার সিবিএর সাধারণ সম্পাদকের পদ পাওয়ার পরই হয়ে ওঠেন বেশি বেপরোয়া। এসএসসি পরীক্ষার ভুয়া সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়াসহ বিস্তর অভিযোগ থাকা ‘প্রভাবশালী’ এ কর্মচারীর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর দপ্তরে জমা লিখিত অভিযোগও খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুই উপ-পরিচালকের এক ‘ডিলিং অ্যাসিস্ট্যান্ট’ দেলোয়ার
জাগৃকের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মিরপুর, রূপনগর, পল্লবী, কাফরুল ও ভাষানটেক নিয়ে কাজ করেন সংস্থার উপ-পরিচালক (১) মো. শহীদ চৌধুরী। আর মোহাম্মদপুর, ধানম-িসহ দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা নিয়ে কাজ করেন উপ-পরিচালক (২) তাজিম উর রহমান। এই দুই কর্মকর্তার এখতিয়ারে থাকা সব জমি-জমার ‘ডিলিং অ্যাসিস্ট্যান্ট’ হিসেবে কাজ করেন দেলোয়ার। এসব এলাকার নামজারি, হস্তান্তর, আম-মোক্তার নিয়োগ, বিক্রয় অনুমতি ও বন্ধক অনুমতি নিতে সরকারের এ সংস্থার দ্বারস্থ হতে হয়। এসব কাজের জন্য গুনতে হয় স্থানভেদে ৫০ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকা। আর এসব কিছু একচ্ছত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করছেন দেলোয়ার। যদিও দেলোয়ার নিজে কোনো কাজই করেন না। তার কাজ করার জন্য দুই-তিনজন ব্যক্তিগত সহকারী রেখেছেন।

গৃহিণী স্ত্রী প্লট নিয়েছেন ‘শিল্পী-সাহিত্যিক’ ক্যাটাগরিতে
জাগৃকের খুলনা বয়রা এস্টেটের আবাসিক প্লট প্রকল্প থেকে এ ব্লকের ৩ কাঠা আয়তনের একটি প্লট (নং-৪৫) দেলোয়ারের স্ত্রী নুসরাত জাহান পপির নামে বরাদ্দ নেওয়া। প্লট বরাদ্দ পাওয়ার পর ২০১৪ সালের ১৩ নভেম্বর জাগৃকের অনুকূলে একসঙ্গে চার কিস্তির ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা পরিশোধ করা হয়। জাগৃকের নথি ঘেঁটে দেখা যায়, দেলোয়ারের স্ত্রী গৃহিণী হলেও প্লট নিয়েছেন ‘শিল্পী-সাহিত্যিক’ ক্যাটেগরিতে। ভুয়া কাগজপত্র বানিয়ে অর্ধকোটি টাকা মূল্যের এ প্লটটি হাতিয়ে নেন তারা।

গৃহিনী স্ত্রীর সম্পদ সমাচার
নুসরাত জাহান পপির সঙ্গে ৮-৯ বছর আগে বিয়ে হয় দেলোয়ারের। নুসরাতের নামে তখন তেমন কোনো সম্পদ ছিল না। কয়েক বছরের ব্যবধানে তার নামে ঢাকায় একাধিক বাড়ি, প্লট ও ঢাকার বাইরে জাগৃকের প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন দেলোয়ার। সরকারিভাবে নেওয়া এসব প্লটের বিপরীতে কয়েক কোটি টাকা কিস্তিও পরিশোধ করা হয়েছে। কুচ্ছিা, খুলনা এবং ঢাকার মোহাম্মদপুর ও লালমাটিয়া এলাকায় রয়েছে এসব প্লট-ফ্ল্যাট। এছাড়া দেলোয়ার তার শ্বশুর মুহাম্মদ শাহজাহানকে দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে ‘বিপুল পরিমাণ সম্পদ’ কিনেছেন বলেও জানান জাগৃকের কর্মচারীরা।

নিজ নামে একাধিক প্লট/ফ্ল্যাট
মায়ের নামে জাগৃকের টাঙ্গাইলের একটি আবাসিক প্রকল্প থেকে একটি প্লট নিয়েছেন দেলোয়ার। এছাড়া কুচ্ছিা হাউজিং এস্টেট থেকে নিজ নামে সাড়ে তিন কাঠার প্লট, ৪/৫ লালমাটিয়ায় ফ্ল্যাট, মোহাম্মদপুরে বিটিআই ডেভেলপম্যান্ট কোম্পানির এ ব্লকের ৭/১ প্লটের ভবনে একটি ফ্ল্যাট, মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডের ১/১৫ ব্লক-ই ফ্ল্যাট, প্লট এফ-৪ একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন তিনি।

জাল সনদে চাকরি
গৃহায়নের সিবিএ নেতা দেলোয়ারের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জাগৃকে দাখিল করা দেলোয়ারের দেওয়া কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, তার দুই সনদে বাবার নাম ভিন্ন। তার দেওয়া কাগজপত্রে বলা হয়েছে, কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পাস করেন তিনি। সেখানে তার বাবা হিসেবে মো. আব্দুল ওহিদ উল্লেখ করা। আর এইচএসসির সনদে তার বাবার নাম শিশু মিয়া। জাগৃকের তদন্তে দুই সনদে বাবার নামের ভিন্নতা থাকার বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেলেও দেলোয়ারের কিছুই হয়নি।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জাগৃকের সিবিএ সাধারণ সম্পাদক ও উচ্চমান সহাকারী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে জাগৃকের কিছু কর্মচারী সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিচ্ছেন। এসব অভিযোগের বেশির ভাগই মিথ্যা। এ বিষয়ে তদন্ত করেও কোনো সংস্থা আমার অবৈধ সম্পদ পাবে না। আমর আয়কর নথিতে যা আছে সবই বৈধ সম্পদ।’ তবে আয়কর নথিতে কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি। অস্ট্রেলিয়াতেও তিনি গড়ে তুলেছেন বাড়ি ও নানা ব্যবসার কার্যক্রম। বর্তমানে একটি ডেভেলপার কোম্পানির মালিকও।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিকে দেলোয়ার হোসেন ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৩২ ওয়ার্ড কাউন্সিলর র‌্যাবের হাতে আটক হাবিবুর রহমান মিজানের মোহাম্মদপুর এলাকায় ডিশ ব্যবসার বিল কালেক্টর হিসেবে কাজ করতেন। এরপর ২০০৬ সালে কাউন্সিলরের সুপারিশে তিনি মাস্টার রোলে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে পাম্প অপারেটর হিসেবে চাকরি নেন। সেই থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে। মিজানের সুপারিশে নানা প্রভাব খাটিয়ে বর্তমানে তিনি উচ্চমান সহকারী। দেলোয়ার হোসেনের নানা অপকর্মের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন খোদ তারই সহকর্মীরা। কিন্তু কেউ ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেন না।
চাকরি জীবনে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী হলেও তার রয়েছে অঢেল সম্পদ। দেলোয়ার হোসেন তার মায়ের নামে টাংগালি হাউজিং এস্টেট থেকে একটি প্লট কেনেন। কিন্তু সেটা বেশি সময় রাখেননি। দ্রুতই বিক্রি করে দেন। এরপর স্ত্রীর নামে খুলনার বয়রা হাউজিং এস্টেটে শিল্পী/সাহিত্যিক কোটায় বরাদ্দ নিলেও বেতার বা টেলিভিশনের কোনো সনদ সেখানে দাখিল করতে পারেননি। পরে প্লটটি বিক্রি করে দেন। কুচ্ছিা হাউজিং এস্টেটে তার নিজের নামে ৩.৫০ কাঠা জমি দুই কিস্তিতে ১৪ লাখ টাকায় বরাদ্দ নেন। পরে ৪০ লাখ টাকায় সেটিও বিক্রি করে দেন।
অভিযোগ রয়েছে, মোহাম্মদপুরের এক হুন্ডি ব্যবসায়ীর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় তার শ্যালকের কাছে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছেন। এ ছাড়াও লালমাটিয়ায় নামে-বেনামে তিনটি, মোহাম্মদপুরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে আরো ৮-১০টি ফ্ল্যাট রয়েছে তার। তবে তিনি লালমাটিয়ার একটি ডুপ্লেক্স ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। চড়েন কয়েকটি বিলাসবহুল গাড়িতে। দেলোয়ার হোসেন গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের তৃতীয় শ্রেণীর একজন কর্মচারী হয়ে এত সম্পদের মালিক কিভাবে হলেন, তার হিসাব কারো জানা নেই। এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক অনুসন্ধান করে দেলোয়ারের বিপুল সম্পদের সন্ধান পেলেও রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
মো. দেলোয়ার হোসেন ওরফে শাহ পরান বেতন পান ৩০ হাজার টাকা কিন্তু ৬০ হাজার টাকায় ভাড়া বাড়ীতে থাকেন তার সত্যতা পাওয়া গেছে। ব্যবহার করছেন একাধিক দামি গাড়িও। দেলোয়ার হোসেন নামে-বেনামে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গড়েছেন একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট। বর্তমানে দেলোয়ার হোসেন রাজধানীর লালমাটিয়ার এ্যাসুরেন্স ডেভোলেপম্যান্ট এর ৪/৫, (২য় তলা) ভাড়া বাসায় থাকেন। প্রতি মাসে তিনি ভাড়া দেন ৬০ হাজার টাকা। নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন জানান, ‘দেলোয়ার হোসেন একজন ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী হয়ে ৬০ হাজার টাকা মাসিক বাসা ভাড়া দেন, দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা ইনকাম ছাড়া এটা কখনোই সম্ভব না। একজন মন্ত্রীর বাসায় যা না আছে দেলোয়ারের বাসার মধ্যে তা আছে।’ ঢাকার মোহাম্মদপুরে বিটিআই ডেভোলেপম্যান্ট কোম্পানীর নিকট ক্রয়কৃত এ ব্লকের ৭/১ প্লটে, ১৭শত স্কয়ার ফিট (চতুর্থ তলা) ফ্ল্যাট রয়েছে যার মূল্য প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়- গ্রামের বাড়ীতেও কয়েকটি প্লট ও বাপের ভিটায় প্রায় কোটি টাকা খরচ করে বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন। বিল্ডিংয়ের ফ্লোর মার্বেল পাথর দিয়ে খচিত। নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন এলাকাবসী জানান- ‘শাহ পরান বছরে দুই-তিনবার গ্রামে আসে। সাথে অন্যরাও আসে। দুইটি গাড়ী নিয়ে তিনি দেশে আসে। হাইলাক্স এবং এফ প্রিমিও। আমরা যতটুকু জানি ওই দুইটা গাড়ি-ই শাহ পরানের। তারা আরও জানান- শাহ পরানের বাবা অহিদ মিয়া খুব কষ্টে পোলাপান নিয়া দিন কাটাইছে। তিনি মারা যাওয়ার পর তার ছেলে শাহ পরান ওই পদে চাকরি নিছে। এখন শাহ পরানতো হাজার কোটি টাকা মালিক। ও বেতনই-বা কয় টাকা পায়? এতো কিছু করলো কি দিয়া? কোন আলাদিনের চেরাগ পাইছে হয়তো!’।

Related Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

‘আইএমইডি’র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’

তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে...