Thursday, September 23, 2021

আরগন ল্যাবরেটরি, গ্রামীণ ফার্মাসিউটিক্যাল ও এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ডের যৌনশক্তিবর্ধক ক্ষতিকর ঔষধে বাজার সয়লাব

চিকিৎসার নামে মানুষের জীবন নিয়ে খেলা

ভেষজ বা হারবাল চিকিৎসার নামেই এসব অপচিকিৎসা করা হয় বেশি। রাস্তার ফুটপাত থেকে শুরু করে অলিগলিতে গজিয়ে ওঠা এক-দুই রুমের ‘চেম্বার’ থেকে এসব চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা প্রদানকারী ‘চিকিৎসক’ নিজেকে নানা রকম আজগুবি উপাধিতে ভূষিত করেন। নিজেকে চিকিৎসক দাবি করলেও এঁদের সিংহ ভাগেরই ন্যূনতম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্ঞানটুকুও নেই। প্রতারণার শীর্ষে রয়েছে আরগন ল্যাবরেটরি, গ্রামীণ ফার্মাসিউটিক্যাল ও এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড নামের তিনডি কোম্পানী। রাজপথ বিচিত্রায় এদের অপকর্ম বিষয়ে তথ্য-প্রমাণসহ একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও প্রশাসনের টনক নড়েনি। এরা এখন ফুটপাতের হকারদের কাছে ভেজাল ঔষধ সরবারাহ করছে। কৌটা ও সিরাপের গায়ে জিনসেং, জিনসেং প্লাস, মাসরুম কস্তুরী ইত্যাদি নামে বিদেশী কোম্পানীর লেভেল লাগিয়ে প্রতারণা করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার পাশাপাশি বিকল্প চিকিৎসা-পদ্ধতি বা অল্টারনেটিভ মেডিসিন বিশ্বের সর্বত্র স্বীকৃত। গাছগাছড়ার ভেষজ চিকিৎসা থেকে শুরু করে আকুপাংচার, হাইড্রোথেরাপি, অ্যারোমাথেরাপি ইত্যাদি ব্যতিক্রমী চিকিৎসা বিভিন্ন দেশে চালু আছে। হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদ কিংবা ইউনানি পদ্ধতিতে চিকিৎসা তো অনেক দেশে সরকারিভাবে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেই দেওয়া হয়। চিকিৎসার মূল লক্ষ্য রোগীকে সুস্থ করা, তা সম্ভব না হলে উপসর্গগুলো কমানো এবং অবশ্যই কোনো ক্ষতি না করা। তাই যে পদ্ধতিতেই চিকিৎসা দেওয়া হোক না কেন, তার পেছনে যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি। ভেষজ চিকিৎসা হলেও তা যথাযথ হতে হবে, এর পেছনে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, মনগড়া যা খুশি তা করার সুযোগ কারোর নেই।
আমাদের দেশেও অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য চিকিৎসা-পদ্ধতি চালু আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে একই সঙ্গে চালু আছে অপচিকিৎসা। বিশেষ করে, ভেষজ বা হারবাল চিকিৎসার নামেই এসব অপচিকিৎসা করা হয় বেশি। রাস্তার ফুটপাত থেকে শুরু করে অলিগলিতে গজিয়ে ওঠা এক-দুই রুমের ‘চেম্বার’ থেকে এসব চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা প্রদানকারী ‘চিকিৎসক’ নিজেকে নানা রকম আজগুবি উপাধিতে ভূষিত করেন। নিজেকে চিকিৎসক দাবি করলেও এঁদের সিংহ ভাগেরই ন্যূনতম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্ঞানটুকুও নেই। তবে মানুষকে ঠকানোর জন্য যথেষ্ট ফন্দিফিকির তাঁদের জানা থাকে। তাই কেউ কাল্পনিক স্থান থেকে চিকিৎসা শিখে আসার দাবি করেন, কেউ বা বংশপরম্পরায় চিকিৎসাজ্ঞানসম্পন্ন হিসেবে পরিচয় দেন, কেউ ধর্মগ্রন্থকে জ্ঞানের উৎস হিসেবে দাবি করেন, কেউ বা গ্রেফ স্বপ্নেই ওষুধের সন্ধান পেয়ে যান। এমনও দেখা যায়, বড় কোনো ওলি-আল্লাহর নাম ব্যবহার করে তাঁর কাছ থেকে পাওয়া ওষুধ হিসেবে চালিয়ে দেন।

চটকদারি কাজ-কারবার
দেখা যায় ফুটপাত বা রাস্তার ধারে বৃত্তাকার লোকের জটলা, মাঝ থেকে মাইকে কারও গলা ভেসে আসছে। নানা অঙ্গভঙ্গিতে আকর্ষণীয়ভাবে বিভিন্ন রোগের লক্ষণ এবং সর্বরোগ নিরাময়কারী ওষুধের কথা বলে যাচ্ছেন। তাঁর সামনে হরেক রকমের গাছের বাকল, শিকড়, ফল বা কোনো প্রাণীর অঙ্গবিশেষ। লোকজনও মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাঁর কথা শুনছে। এ ধরনের দৃশ্য ফুটপাত থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জ, হাটবাজার, লঞ্চ-বাস-রেলস্টেশন—সর্বত্রই একটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। অনেকে এভাবে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ে আপনার রোগ ভালো করতে না পারলে পুরো ওষুধের টাকা ফেরত দিয়ে দেব, এ গ্যারান্টি দিচ্ছি।’ এ ধরনের চটকদার কথাবার্তায় বা বিজ্ঞাপন দিয়ে সরল মানুষকে বিভ্রান্ত করে ওষুধ কিনতে বাধ্য করায় এসব অপচিকিৎসাকারীর কোনো জুড়ি নেই। নিত্যনতুন পন্থায় তাঁরা তাঁদের পণ্যের প্রচার চালিয়ে যান। ফুটপাতে মাইক দিয়ে নানা কথার তুবড়ি ছুটিয়ে এসব ব্যবসা চলে। পণ্য বিক্রি করা হয় বাসে, রেলস্টেশনে, মার্কেটে, মেলায়। প্রচারণা চালানো হয় লিফলেট দিয়ে। এসব লিফলেট আবার চলতি গাড়ির ভেতর ছুড়ে ফেলা হয়। এ ছাড়া পোস্টার, সাইনবোর্ড তো আছেই। এসব প্রচারণায় তাঁরা যে শুধু সুচিকিৎসার দাবি করেন তা-ই নয়, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ১০০ ভাগ সাফল্যের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়। এভাবে সমাজের নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের তাঁরা প্রলোভন দেখান। কেব্ল টিভি, ডিভিডি বা পত্রপত্রিকার মাধ্যমে বড় বড় বিজ্ঞাপন ছাড়াও আকর্ষণীয় ছবির মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে সুশিক্ষিত মধ্যবিত্তদের, এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে উচ্চবিত্তদেরও ফাঁদে ফেলা হচ্ছে।
বিভিন্ন শ্রেণীর গ্রাহককে বিভিন্ন পন্থায় আকর্ষণ করা হচ্ছে। কাল্পনিক রোগ আবিষ্কার করে, মানবদেহের স্বাভাবিকতাকে অসুখ হিসেবে প্রচার করে সেসবের ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। মূলত স্বল্প শিক্ষিত যুবক-যুবতী, যাঁরা নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন, তাঁদের এভাবে আকর্ষণ করা হচ্ছে। আবার যাঁরা ধর্মভীরু, তাঁদের ফাঁদে ফেলতে প্রচারণা চালানো হয় টুপি-দাড়ি পরা কাউকে দিয়ে, মহিলাদের জন্য বোরকা পরা নারীদের দিয়ে। অন্যদিকে যাঁরা আধুনিক হিসেবে নিজেকে দেখতে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য একই পণ্য প্রচার হয় ভিন্ন আঙ্গিকে। দেখা যায় স্যুট-টাই পরা কেউ তথাকথিত বৈজ্ঞানিক যুক্তি দিয়ে পণ্যের গুণাগুণ বর্ণনা করছেন। মানুষের মানসিক দুর্বলতা বা অনুভূতিকেও তাঁরা চতুর পন্থায় ব্যবহার করে থাকেন। ক্যানসারে বা অন্য কোনো জটিল অসুখে আক্রান্ত মৃতপ্রায় রোগীর স্বজনের অসহায়ত্বকে ব্যবহার করতে ‘জীবনের শেষ চিকিৎসা’-জাতীয় ¯ে¬াগান ব্যবহার করে থাকেন। নিঃসন্তান দম্পতিদের মানসিক যাতনাকে পুঁজি করে তাঁদের সহজেই প্রতারিত করতে সক্ষম হন। এমনকি অনেক উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিও এভাবে প্রতারিত হন। তবে এসব অপচিকিৎসাকেন্দ্রের প্রতারণার মূল লক্ষ্য থাকে দরিদ্র শ্রেণীর শিক্ষার আলোবিহীন মানুষজন, যাদের খুব সহজেই যেকোনো অলীক বস্তু বিশ্বাস করানো যায়। এদের স্বল্প মূল্যে সুচিকিৎসার আশ্বাস দিয়ে নিয়ে আসা হয়, এরপর নানা বাহানায় টাকা নিয়ে কাল্পনিক ওষুধ দিয়ে সর্বস্বান্ত করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সর্বরোগের মহৌষধ
ভেষজ বা হারবালের নামে যেসব অসুখের চিকিৎসা করা হয়, তার মধ্যে আছে মূলত স্বাস্থ্য ভালো করা তথা ওজন বাড়ানো, যৌন সমস্যা, হাঁপানি, বাত-ব্যথা, দাঁতের চিকিৎসা, অর্শ, গেজ, ভগন্দর, হেপাটাইটিস, এইডস, ক্যানসার, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ইত্যাদি। মূলত দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক অসুখ, যা ভালো হতে অনেক সময় লাগে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আরোগ্য হয় না, সেসব রোগই এঁদের লক্ষ্য। কেউ কেউ আবার এমন ওষুধও বিক্রি করেন, যা কি না সব রোগ ভালো করে থাকে।
এসব কাল্পনিক ওষুধে যে কোনো রোগ ভালো হয় না, তা বলাই বাহুল্য। এসবের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং এতে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব ওষুধ নানা রকমের শিকড়-বাকড় ও লতাপাতা দিয়ে তৈরি করা হয়, হয়তো প্রস্তুতকারী নিজেও সেসবের নাম জানেন না। এসব খেয়ে অনেকেই পেটের পীড়া থেকে শুরু করে যকৃৎ ও কিডনির গুরুতর সমস্যায় আক্রান্ত হন। অনেক সময় এসব ওষুধের উপাদান মানুষের শরীরে বিষক্রিয়া ঘটায়, কখনো বা মারাত্মক অ্যালার্জির মতো হয়, অনেক সময় পুরো শরীরের চামড়াই উঠে যেতে থাকে। এ ছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, এসব অপচিকিৎসা করতে করতে অনেক সময় ও অর্থ ব্যয় হয়ে যায়। বাছবিচারহীনভাবে ওষুধ সেবনের ফলে সৃষ্ট গুরুতর স্বাস্থ্যজটিলতার সৃষ্টি হয়। যে অসুখ একসময় নিরাময়যোগ্য ছিল, তা এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে প্রচলিত চিকিৎসায়ও তা আর ভালো করা যায় না, চিকিৎসকদেরও যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। বিশেষ করে, ক্যানসারের চিকিৎসায় এটা প্রায়ই দেখা যায়। আমাদের অনেকের ধারণা, ক্যানসার মানেই এর কোনো চিকিৎসা নেই। তাই কেউ কেউ ক্যানসার হলে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে এসব অপচিকিৎসাকারীর শরণাপন্ন হন। এতে মূল্যবান সময় অপচয় হয়। অথচ আধুনিক চিকিৎসায় অনেক ক্যানসার এখন পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব। শুধু সময়মতো না আসায় এঁদের অনেককেই আর ভালো করা যায় না। এ ছাড়া এসব চিকিৎসায় সর্বস্বান্ত হয়ে যখন রোগী হাসপাতালে আসেন, তখন দেখা যায় ন্যূনতম ওষুধ কেনারও সামর্থ্য নেই। এভাবে এসব হাতুড়ে চিকিৎসায় লাভ তো হয়ই না, বরং আরোগ্য লাভের পথও বন্ধ হয়ে যায়।

যেমন ইচ্ছা স্টেরয়েড
আরেকটি সমস্যা হলো চতুর প্রতারক অনেক সময় ভেষজ ওষুধের সঙ্গে প্রচলিত ওষুধও মিশিয়ে দেন। যেমন হাঁপানির ওষুধে উচ্চমাত্রার স্টেরয়েড-জাতীয় ওষুধ মিশিয়ে দেওয়া হয়। ফলে এসব ওষুধ খেলে রোগীর সাময়িক ভালো লাগে। কিন্তু তাঁরা জানেন না কোন রোগীকে কোন স্টেরয়েড কী মাত্রায়, কত দিন দিতে হয়, এর কী কী প্রতিক্রিয়া হতে পারে। ফলে দীর্ঘদিন এসব ওষুধ উচ্চমাত্রায় খেয়ে অনেকে ভয়াবহ স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়েন। মোটা হওয়ার জন্যও অনেকে উচ্চমাত্রায় স্টেরয়েড দিনের পর দিন খাওয়ান। এতে ওজন বাড়ে বৈকি, এর সঙ্গে সঙ্গে কুশিংস সিনড্রোম নামে মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগ দেহে বাসা বাঁধে, জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে রোগী মানতে বাধ্য হন যে তিনি আগেই ভালো ছিলেন। একইভাবে এঁরা যৌন সমস্যায় ভায়াগ্রা-জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করেন, রুচি বৃদ্ধির জন্য দেন পেরি-অ্যাকটিন, দাঁত পরিষ্কারের জন্য দেন হাইড্রোক্লোরিক এসিড। এসব ওষুধের বৈজ্ঞানিক ব্যবহার সম্পর্কে তাঁদের কোনো ধারণাই নেই। ফলে অপ্রয়োজনে, ভুল ওষুধ ব্যবহারে রোগীর গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। এ কথা সত্য যে বিজ্ঞানের চরম উন্নতি ও অত্যাধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনেক আবিষ্কারের যুগেও অনেক রোগের কার্যকর ওষুধ আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। অনেক রোগই এখনো ভালো করা যায় না। সেখানে এ ধরনের অপচিকিৎসক কীভাবে ১০০ ভাগ সুস্থ করার গ্যারান্টিসহ চিকিৎসা দিয়ে থাকেন?

সবাই নগদে ফল পেতে চায়
একটা সিস্টেম যখন রাস্তার হকাররা নিয়ন্ত্রণ করে তখন সেই সিস্টেমের কি অবস্থা হবে? ইউনানী আয়ুর্বেদিক শিল্প, চিকিৎসা সবকিছুই আজ রাস্তার হকারদের হাতে। তারাই বর্তমান এই সিস্টেমের হর্তাকর্তা।
তাদের হাতেই আজ কোটি কোটি টাকা। যতদিন হকারদের হাত থেকে মুক্ত হবে না এই সিস্টেম ততদিন এর কোন উন্নয়নই হবে না। এই হকারাই এই সিস্টেমকে জনগনের কাছে প্রতারণামূলক চিকিৎসা, চিটিংবাজি চিকিৎসা, মূর্খের চিকিৎসা, সেক্সের চিকিৎসা, ২০ টাকার প্রডাক্ট ৩০০ টাকায় বিক্রিসহ এই সিস্টেমের বারোটা বাজিয়েছে। এই হকারাই জনগণের কাছে ভেলকি দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আজ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ঔষধ কোম্পানির মালিক। এই সকল মূর্খ হকাররাই অধিক মুনাফা লাভের জন্য ভেষজের বদলে ক্যামিকেল ব্যবহার করে ঔষধ তৈরি করছে। “জায়গায় খান জায়গায় প্রমাণ, ২৪ ঘন্টায় মুখে রুচি, শরীরে বল” এমন মুখরোচক কথার মাধ্যমে অসহায় গরীব মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছে।
ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে, গ্রামে গঞ্জে অলিতে গলিতে, মোড়ে মোড়ে টেবিল সাজিয়ে রুচি বাড়ানো, শক্তি বাড়ানো, সেক্স বাড়ানো ঔষধ নিয়ে বসে বিক্রি করছে কিছু মানুষ। এদের হাতে কারা তুলে দিয়েছে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ঔষধ ব্যবসা ভাল হওয়ার ইদানিং প্রাইভেট কার তথা এক্স করোল্লা, পাজেরোসহ নামী-দামী গাড়িতেও হকারদের ঔষধ বিক্রি করতে দেখা যায়।
আরগন ল্যাবরেটরি. গ্রামীণ ফার্মাসিউটিক্যাল, গ্রীণ লাইফ ন্যাচারাল হেল্থ কেয়ার (আয়ু), এস বি ল্যাবরেটরীজ আয়ু ও এস বি হারবাল এন্ড নিউট্রিসিটিক্যালস লিঃ, এ ডি আয়ুর্বেদিক ল্যাবরেটরীজ, আল-রীজ ল্যাবরেটরীজ আয়ু, ইনডেক্স ল্যাবরেটরীজ আয়ু, ফেম ল্যাবরেটরীজ আয়ু, দিহান ফার্মাসিউটিক্যালস আয়ু, অনির্বাণ মেডিসিনাল ইন্ডাস্ট্রিজ আয়ু, এসএস ল্যাবরেটরীজ ইউনানি, জেনেসিস ফার্মাসিউটিক্যালস আয়ু, ইউনিটি ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনানি, প্রজ্ঞা ল্যাবরেটরীজ আয়ু, আশরাফুল ল্যাবরেটরীজ ইউনানি, আল-সাফা ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনানি, পায়ওনিয়র ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনানি, জেবিএল ড্রাগস ইউনানি, এস এ ল্যাবরেটরীজ ইউনানি, বিসমিল্লাহ ল্যাবরেটরীজ ইউনানি, সুরমা ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনানি, গ্রামো ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনানি, ইমা ল্যাবরেটরীজ ইউনানি, কসমিকো ল্যাবরেটরীজ ইউনানি, রিবারথ ইউনানি, ইউনিফিল ল্যাবরেটরীজ ইউনানি, গ্রেন প্লাস ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনানি, দিদার ল্যাবরেটরীজ আয়ুর্বেদিক, কনফিডেন্স ফার্মাসিউটিক্যালস আয়ু, সবুজ ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনানি, এমি ল্যাবরেটরীজ আয়ু, নাফিউ ল্যাবরেটরীজ ইউনানী, বিডি ইউনানি, ফিউচার ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনানি, রবিন ল্যাবরেটরীজ আয়ু, হাইম্যাক্স ইউনানী ল্যাবরেটরীজ, নেচার ফার্মা ইউনানি, রয়েল ল্যাবরেটরীজ আয়ু, লিমিট ল্যাবরেটরীজ আয়ু, মেডিসান ল্যাবরেটরীজ আয়ুর্বেদিক, গুড হেলথ ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনানি, সেইফকো ল্যাবরেটরীজসহ অনেক কোম্পানীর ঔষধ রাস্তাঘাটে, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যায়।
এসব বিতর্কিত ঔষধ কোম্পানির বিরুদ্ধে জাতীয় প্রচার মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ের উপর বিভিন্ন রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। রিপোর্ট প্রকাশের পরে জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কার্যকারি কোন প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বলে কোন প্রকার খবর পাওয়া যায় নি। তবে এসব বিতর্কিত ঔষধ কোম্পানির বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশের পরে জনস্বাস্থ্যের উন্নতি না হলেও উন্নতি হয়েছে ফাইল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এমন খবরও পাওয়া গেছে। এরুপ চলতে থাকলে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের মান মর্যাদা, যোগ্যতা, সিস্টেম নিয়ে গবেষণা কোন কিছুই আগাবে না। তাই যারা কাঁচা টাকা কামানোর জন্য ইউনানী আয়ুর্বেদিক সিস্টেমকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে হবে। এই সকল মূর্খ, লোভী, মুনাফাখোর দের হাত থেকে এই সিস্টেমকে বাঁচাতে হবে। তাদের নেতৃত্বের অন্তরালে অর্থ উপার্জনের ধান্ধা বন্ধ করতে হবে। আবার ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক সিস্টেমের উন্নয়নের জন্য সরকার ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক শিল্প মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ কে একাধিক বার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ট্রেডিশনাল মেডিসিন সিস্টেম এর উপর কর্মশালায় যোগ দিতে চিহ্নিত বিতর্কিত ঔষধ কোম্পানির মালিকেদের সরকারি খরচে বিদেশে পাঠানো হলে তারা নাম মাত্র কর্মশায় অংশ নিয়ে আমোদ প্রমোদ ভ্রমণে ব্যাস্ত থেকে সরকারি অর্থের অপচয় করেছেন।
সরকারের বানিজ্য মমন্ত্রনালয় থেকেও ট্রেডিশনাল মেডিসিন সিস্টেম এর উন্নয়নের জন্য প্রতি বছর ইউনানি, আয়ুর্বেদিক, হারবাল ও হোমিও শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কর্মশালার জন্য মোটা অংকের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের বরাদ্দ কৃত অর্থের ব্যাবহার করা হয়েছে কোন কাজে? এসব কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা সহ প্রচার প্রচারণার জন্য ও বরাদ্দ কৃত অর্থ কার কার পকেটে যায়? প্রচার প্রচারণা বলতে তো চিহ্নিত বিতর্কিত গৃহপালিত এক দালালকেই দেখা যায়। তাহলে কি বাংলাদেশের অন্য প্রচার মাধ্যমের কর্মীরা কি গৃহপালিত ওই দালাল অপেক্ষা কম যোগ্যতা সম্পন্ন?
ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞ এর মতে দেশের জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এসব ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক সিস্টেমের আসল রক্তচোষা জোঁকদের খুঁজে বের করে তাদের স্বরুপ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান এর সামনে তুলে ধরা হোক।

মোটা হওয়া ও ক্ষুধাবর্ধক ওষুধের নামে মানুষ সরাসরি বিষ খাচ্ছে
“বাচ্চা কম খাচ্ছে, খিদে হচ্ছে না বাচ্চার, এমন অনুযোগ নিয়ে চেম্বারে হাজির হন বাচ্চার মা। এদের জন্য কোনো ওষুধ না লাগলেও শুধুমাত্র মন রক্ষার জন্য কোনো এপিটাইজার গ্রুপের ঔষধ দিয়ে দিতে হয়। অথবা অনেক সময় ফাইটম। এটা আগে খুব ছিলো বাচ্চাদের ক্ষুধা বাড়ানোর বিষয়টা। এখন বাচ্চাদের সাথে বাচ্চাদের মা বাবারা ও যাচ্ছে ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য। ক্ষিদে পাওয়া এমন এক শরীর বৃত্তিক প্রক্রিয়া, যা বাড়াতে কোনও ওষুধ লাগেনা। খিদে বাড়ানোর কোনো ওষুধের কথা চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোনও প্রামান বইয়ে নাই । এলোপ্যাথিক, হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক কোন পদ্ধতিতে এমন কোনো মেডিসিন নাই যেটা আপনাকে রাক্ষস বানিয়ে দেবে আর আপনি সব খেয়ে ফেলবেন।
হাতুড়ে ডাক্তার (ডিগ্রী থাক বা না থাক এসব রোগীরা চিন্তা করেনা) এসব হাতুড়ে ডাক্তার বড় বড় বোতল বিক্রি করে, যা খাইলেই প্রথম দিন থেকে ক্ষুধা বেড়ে যায়”
বাজারে প্রচলিত ক্ষুধাবর্ধক ওষুধের নামে মানুষ সরাসরি বিষ খাচ্ছে। এসব ওষুধ বেশিরভাগ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক নামের কিছু অখ্যাত কোম্পানি তৈরি করে, যা পাওয়া যায় এলোপ্যাথিক দোকানে ইদানিং টাকার লোভে হোমিও ডাক্তাররাও এসব রাখছে। আর কিছু নাম না জানা মির্ডফোর্ড কেন্দ্রিক এলোপ্যাথিক কোম্পানিরা এসব বিতর্কিত ভিটামিন সিরাপ তৈরি করে। এসব ঔষধের মূল উপাদান হলো সিপ্রোহেপটাডিন এবং কিছু স্ট্রেরায়ডের (যেমনঃ ডেক্সামেথাসন) কম্ভিনেশন এলোপেথিক। ইউনানী, আয়ুর্বেদিক বা হোমিওপ্যাথিক নাম যাই হোক উপাদান একই।
এটা হচ্ছে এদের নিজস্ব গোপন ফর্মূলা। বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ফরমুলায় এসব মহা ঔষধের প্রস্তুত প্রনালীর বর্ননা নেই। এসব বিতর্কিত ভিটামিন ঔষধ সেবন করলে শরীরে পানি জমে যায়, মুখে ব্রন ওঠে, ফুসফুসে পানি জমে, কিডনির নেফ্রন কাজ করেনা, নেফ্রাইটিস হয়, ফলাফল কিডনি নস্ট হয়ে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে জনসাধারণ। বৈধ লাইসেন্স এর ব্যানারে তৈরি হচ্ছে এসব বিতর্কিত ভিটামিন সিরাপ, ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল। ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও এসব জানে। তবে তারা নাম মাত্র ব্যবস্থা নিলেও অবস্থা ঘুরে ফিরে একই, কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা, কিছু ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত সাময়িক বাতিল ও স্থগিত ও হয়েছে। কিছু ঔষধ নিষিদ্ধও হয়েছে, এরপরেও নিষিদ্ধ হয়নি এমন অনেক কোম্পানির ঔষধ নামের বিষ এখোনো বাজারে আছে। সুনামধন্য অনেক ঔষধ কোম্পানির মালিকরা ও এখন দুই ধরনের ঔষধ তৈরি ও বাজারজাত করছে এর মধ্যে রাজশাহীর এসবি ল্যাবরেটারীজ (আয়ু) এবং এসবি হারবাল এন্ড নিউট্রিসিক্যাল উল্লেখযোগ্য। দোকানদাররা খুব অল্প টাকার কিনে বেশি টাকায় বিক্রি করে। যেমন ৪৫০ মিলি সিরাপের দাম পাইকারি (ঞচ) ৩৫ থেকে ৭০ টাকায় কিনে (কোম্পানি ভেদে দাম আলাদা), আর এদের বিক্রয় রেট (গজচ) ৩৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা। এখানেই লাভের পরিমাণ দেখলেই বোঝা যায় কোম্পানির মালিকেরা কিভাবে কোটিপতি বনে যায়।
বাজারে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত “রয়েল আমলকি প্লাস” সরকার নিষিদ্ধ অথচ এখনো বাজারে রয়েল আমলকী প্লাস সিরাপ (আমলকী রসায়ন) দেদারসে বিক্রি হচ্ছ। আবার একই (আমলকি রসায়ন ও শরবত আমলা) প্রথমটা আয়ুর্বেদিক ঔষধের শাস্ত্রীয় নাম অপরটি ইউনানি ঔষধের শাস্ত্রীয় নাম। অনেক ঔষধ কোম্পানির মালিকেরা এসব বিতর্কিত ভিটামিন সিরাপ নামক ঔষধ তৈরিকালে মাতারিক্ত ডেক্সামিথাসন গ্রুপের কেমিক্যাল ব্যবহার করছে। ফলে এসব বিতর্কিত ভিটামিন সিরাপ নামক গবাদিপশু মোটাতাজা করন কেমিক্যাল খাচ্ছে জনসাধারণ। এসব বিতর্কিত ভিটামিন সিরাপ সেবনে মানুষ অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে স্থুলাকার ধারণ করছে এসব বিতর্কিত ভিটামিন সিরাপ সেবনে অতিরিক্ত ঘুম এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি পায় ফলে বিতর্কিত এসব ভিটামিন সিরাপ, ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল এর ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা চিন্তা না করেই অসংখ্য অসচেতন মানুষ এসব বিতর্কিত ভিটামিন ঔষধ সেবন করে চলছেন।
আমলা ভিট, আমলকী, বডি প্লাস, বডি বিল্ডার, আমলকী প্লাস আমলা, আমলা প্লাস, রুচিতা, পুদিনা প্লাস, বডি বিল্ডো, এনার্জি প্লাস, এনার্জি সিরাপ, রুচি গোল্ড রুচিভিটা, রুচি ট্যাব, রুচিতাট্যাব নামে, কেউ কেউ আবার ট্যাবলেট ক্যাপসুল ও তৈরি করেছে!
এর মধ্যে শেড ফার্মাসিউটিক্যালস আয়ুর্বেদিক তৈরি করছে জিও-ভিটা, রুচিট্যাব, গ¬াকটো এবং শেড ফার্মার মালিকানাধীন জি এম ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানি) এর ব্যানারে গ¬াকটন নামক ভিটামিন সিরাপ তৈরি ও বাজারজাত করছে। শেড ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ু) এর মালিক ডা. এসবি জয় ওরফে সঞ্জয় বাড়ৈর বিরুদ্ধে ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধ তৈরি ও বাজারজাত করার অভিযোগ ছাড়াও প্লাস্টিকের বোতল কোম্পানির মালিকের ২৭ লাখ টাকা মেরে দিতে নানাবিধ তালবাহানা করছে। এমন কি তার ম্যানেজার এইচ আর কে দিয়ে ওই প্লাস্টিকের বোতল কোম্পানির ম্যানেজার কে পাওনা টাকা চাওয়ার কারনে গালিগালাজ সহ হুমকি ও দেওয়ায় সঞ্জয়। একারণে রাজধানীর কাফরুল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি ও করে ভুক্তভোগী পাওনাদার। এদিকে মিডফোর্ট এলাকায় কেমিক্যাল ব্যবসায়ীদের ও পাওনা টাকা দিচ্ছে না সঞ্জয়। মিরপুর ইউনানি – আয়ুর্বেদিক কলেজ হাসপাতালের বিশেষ সুবিধা হাতিয়ে নিচ্ছে দলীয় প্রভাব বিস্তার করে। সঞ্জয় তার ঘনিষ্ঠ মিত্রদের কাছে বলে বেড়াচ্ছেন অতি শীঘ্রই তিনি কোটালিপাড়া, গোপালগঞ্জ যুবলীগের সভাপতি পদ হাতিয়ে নিতে সেখানে তিনি কোটি টাকা খরচ করেছেন। তবে কার কার পেছনে এই টাকা খরচ করেছেন সেটা তিনি বলেন নি। অথচ পাওনাদাররা ফোন করলে ও তিনি তাদের ফোন রিসিভ ও করছেন না। সঞ্জয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞ থাকাকালীন শেড ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় নকল জিম্যাক্স ৫০০ এমজি তৈরিকালে বিপুল পরিমাণ নকল জিম্যাক্স ৫০০ এমজি ক্যাপ্সুলসহ র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে ধরা পড়ে জেল জরিমানা খাটে। এর পূর্বে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ধরা পড়ে জেল খেটে পরে উভয় মামলা থেকে টাকার জোরে অব্যাহতি পায় বলে সঞ্জয়ের ঘনিষ্ঠ একটি সুত্র জানায়।

Related Articles

ধারাবাহিক : পলাশ রাঙা দিন

নুসরাত রীপা পর্ব-১৬ তুলির বিয়েতে মীরা আসবে না শুনে বিজুর খুব মন খারাপ । মীরাকে মায়ের কলিজা বলে মা কে ক্ষ্যাপালেও মীরাকে ও আপন বোনের মতোই...

প্রকৃতিকন্যা সিলেট- নয়নাভিরাম রাতারগুল

মিলু কাশেম অপরূপ প্রকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের বাংলাদেশ।নদ নদী পাহাড় পর্বত হাওর বাওর সমুদ্র সৈকত প্রবাল দ্বিপ ম্যানগ্রোভ বন জলজ বন চা বাগানসহ পর্যটনের নানা...

হাওড়ে প্রেসিডেন্ট রিসোর্টের জমকালো উদ্বোধন

দুই নায়িকা নিয়ে জায়েদ খান মিশা ডিপজল রুবেল হেলিকপ্টারে চড়ে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন হাওরে প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট উদ্বোধন করতে এসেছিলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান, জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

ধারাবাহিক : পলাশ রাঙা দিন

নুসরাত রীপা পর্ব-১৬ তুলির বিয়েতে মীরা আসবে না শুনে বিজুর খুব মন খারাপ । মীরাকে মায়ের কলিজা বলে মা কে ক্ষ্যাপালেও মীরাকে ও আপন বোনের মতোই...

প্রকৃতিকন্যা সিলেট- নয়নাভিরাম রাতারগুল

মিলু কাশেম অপরূপ প্রকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের বাংলাদেশ।নদ নদী পাহাড় পর্বত হাওর বাওর সমুদ্র সৈকত প্রবাল দ্বিপ ম্যানগ্রোভ বন জলজ বন চা বাগানসহ পর্যটনের নানা...

হাওড়ে প্রেসিডেন্ট রিসোর্টের জমকালো উদ্বোধন

দুই নায়িকা নিয়ে জায়েদ খান মিশা ডিপজল রুবেল হেলিকপ্টারে চড়ে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন হাওরে প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট উদ্বোধন করতে এসেছিলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান, জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা...

মৎস্য খাতে অর্জিত সাফল্য ও টেকসই উন্নয়ন

ড. ইয়াহিয়া মাহমুদমৎস্যখাতের অবদান আজ সর্বজনস্বীকৃত। মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ৩.৫০ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে ২৫.৭২ শতাংশ। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে...

জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ

মৎস্য উৎপাদনে যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। পরিকল্পনা মাফিক যুগোপযোগী প্রকল্প গ্রহণ করায় এই সাফল্য এসেছে। মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির হারে সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে বাংলাদেশ।...