Wednesday, October 27, 2021

আমি ডাক্তার দেখেছি : পর্ব-২

রাজা সিরাজ

নিজে এবং নিজের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধ ও আপনজনদের চিকিৎসা করাতে গিয়ে দেশ-বিদেশের অনেক ডাক্তারের সাথে সাক্ষাত ও পরিচয় হয়েছে আমার। হয়েছে অনেক অভিজ্ঞতা। অনেক নির্মমতা যেমন দেখেছি তেমনি অনেকের ভাল ব্যবহার ও ভাল চিকিৎসায়-পরামর্শে মুগ্ধ হয়েছি। এ পর্বে ভুল চিকিৎসার শিকার কয়েকজন আপন মানুষের কাহিনী তুলে ধরছি :-

দৃশ্যপট : এক
আমার মেঝ ভাইয়ের এক মেয়ের নাম হেপী। বিয়ে হয়েছে। দু’টি সন্তানও আছে। স্বামীর বাড়ি কিশোরগঞ্জেই থাকে। কয়েক বছর আগে হঠাৎ তার মাথাব্যথা শুরু হলে স্থানীয় ফার্মেসীর কম্পাউন্ডারের পরামর্শে ব্যথানাশক খেয়ে ব্যথা কমায়। মাঝে-মধ্যেই ব্যথা উঠলে এই একই ঔষধ মুখস্ত ওদের। এক পর্যায়ে অবস্থা এমন হলো যে, ওই ঔষধে আর কাজ করে না। এমতাবস্থায় নিয়ে যাওয়া হলো কিশোরগঞ্জ সদর সরকারি হাসপাতালে। কিশোরগঞ্জ সদর সরকারি হাসপাতালের বর্হিবিভাগের ডাক্তার রোগীকে একজন নিউরোলজিস্টকে দেখাতে পরামর্শ দিলেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেল কিশোরগঞ্জের একটি ক্লিনিকে ঢাকা থেকে একজন নিউরোলজিস্ট আসেন, সপ্তাহে ২দিন রোগী দেখেন। সেই নিউরোলজিস্টকে দেখানো হলে তিনি কিছু টেস্ট দিলেন এবং মাথার ডিজিটাল এক্স-রে করতে নির্দেশ দিলেন। তখন কিশোরগঞ্জে সিটিস্ক্যান মেশিন ছিল না। তাছাড়া ঢাকা থেকে যেসমস্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন ক্লিনিকে যেতেন তাদেরকে ক্লিনিক মালিকের নির্দেশনা অনুযায়ী ডাক্তারের সাথে প্রথম সাক্ষাতেই রোগ যা-ই হোক ব্যবস্থাপত্রে কয়েকটি পরীক্ষার নির্দেশ অবশ্যই দিতে হয় যা থেকে ক্লিনিক মালিকের নুন্যতম হাজার খানেক টাকা আয় হয় এবং ডাক্তার সাহেব কমিশন বাবৎ ৩থেকে ৫শ টাকা পেয়ে যান। যাহোক আমার রোগী সব পরীক্ষা ও এক্স-রে করিয়ে পরদিন রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারের সাথে দেখা করার পর তিনি রিপোর্ট দেখে রোগীর স্বামীকে আড়ালে নিয়ে বললেন ‘আপনার স্ত্রীর মাথায় টিউমার হয়েছে, অপারেশন করতে হবে। তবে এই অপারেশনের ক্ষেত্রে রিস্ক অনেক বেশি, শতকরা ১০ভাগ রোগী বাঁচে, ৯০ভাগ মারা যায়। অবশ্য আপনার রোগীর বয়স কম তাই রিস্কও কম।’ অপারেশনে খরচ কেমন পড়বে জানতে চাইল রোগীর স্বামী। জবাবে ডাক্তার বললেন ‘এই অপারেশনটা আমি একা করতে পারবো না, আমার সাথে আরেকজন অভিজ্ঞ নিউরোলজিস্ট লাগবে, কিশোরগঞ্জে ভাল নিউরোলজিস্ট নাই, ঢাকা থেকে আনতে হবে। সব মিলিয়ে এক লাখ টাকার মত খরচ হয়ে যাবে।’ রোগীর স্বামী বলল ‘যদি অপারেশন না করাই তাহলে কি হবে? উত্তরে ডাক্তার বলল ‘তাহলে ক্যান্সার হবে, টিউমার ফেটে যাবে-রোগী মারা যাবে।’ ‘ঠিক আছে আমরা টাকা পয়সা যোগার করে আপনার সাথে যোগাযোগ করবো।’ বলে বেরিয়ে এলো রোগী নিয়ে। বাড়িতে যাবার পর শুরু হলো কান্নাকাটি। রোগীর বাবা-মা থাকতেন টঙ্গীতে, খবর শোনে তারাও কান্নাকাটি শুরু করলেন। কিছুক্ষণ পর কান্না থামিয়ে রোগীর মা ফোন দিলেন আমাকে। আমি বিস্তারিত শোনে ফোন দিলাম ডা. লিটুকে। লিটু বললেন ‘রোগীকে ঢাকায় নিয়ে এসে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট ডা. নওশের আলমকে দেখান।’ লিটুর কথামত নওশের আলমকে দেখানোর পর তিনি এক মাসের ঔষধ লিখে দিলেন এবং এক মাস পর আবার দেখা করতে বললেন। এক মাস ঔষধ খেয়ে রোগী পুবোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠল। আবার দেখা করার পর ডা. নওশের আলম বললেন ‘এটা কোন জটিল সমস্যা ছিল না।’ তিনি কিছু নির্দেশনা দিয়ে রোগীকে বিদায় করে দিলেন। রোগী এখনও পুরোপুরি সুস্থ, আর কোনদিন ব্যথাও ওঠেনি তার।
পরে খোঁজ নিয়ে জানলাম কিশোরগঞ্জে যিনি যান তিনি আসলে কোন বিশেষজ্ঞ নন। তিনি নামকরা নিউরোলজিস্ট ডা. দীন মোহাম্মদের সহকারী হিসেবে কাজ করেন সপ্তাহে ৫দিন আর বিশেষজ্ঞ সেজে কিশোরগঞ্জে যান সপ্তাহে ২দিন। ওরা কয়েকজনের একটি চক্র মফস্বল শহরে গিয়ে এধরনের রোগীদেরকে টিউমার হয়েছে বলে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে রোগীকে অপারেশনের টেবিলে নিয়ে গিয়ে কপালের কিছু অংশ কেটে সেলাই করে দিয়ে অপারেশন করে কিছুক্ষণ সময় নষ্ট করে বেরিয়ে এসে বলে ‘আপনার কপাল ভাল, অপারেশন সাকসেসফুল।’

দৃশ্যপট : দুই
প্রায় এক বছর আগের কথা। আমার এক আত্মীয় এলেন ব্রাহ্মনবাড়িয়া থেকে। বয়স আমার ২বছর কম কিন্তু দেখে মনেহয় ৮০-৮৫ বছর। সমস্যা, চোখে দেখেন না, কানে শোনেন না, হাইপ্রেসার, এখন ডাক্তার বলছে তার হার্টে ৪টি ব্লক-অপারেশন করাতে হবে। টাকা চেয়েছে আড়াই লাখ। তার যে জমাজমি আছে তা বিক্রি করলেও আড়াই লাখ টাকা হবে না। টেনশনে কয়েকদিন আগে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। পরে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার পরীক্ষা করে বললেন ‘প্রেসার বেড়েছে। এই মুহুর্তে বড় সমস্যা কান দিয়ে পানি পড়ে এবং কানে শোনে না।। কানের চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলো তেজগাঁও নাক-কান-গলার বিশেষায়িত হাসপাতালে। ডাক্তার দেখে বললেন ‘উল্টা-পাল্টা ঔষধ প্রয়োগে কানের পর্দা ছিদ্র হয়ে গেছে। এখন শরীরের যে কন্ডিশন তাতে অপারেশন করালেও ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে না।’ পানি পড়া বন্ধ হওয়ার জন্য ঔষধ লিখে দিলেন। পরে চোখের চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলাম জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনষ্টিটিউটে। ১০ টাকায় টিকিট কিনে ডাক্তার দেখালাম। ডাক্তার বললেন ‘১০/১২ বছর আগে তার চোখে ছানি পড়েছে, ছানি অপারেশন না করানোতে তার দু’টি চোখই নষ্ট হয়ে গছে, এখন অপারেশন করিয়ে লেন্স লাগালে কিছুটা উন্নতি হতে পারে।’ ডাক্তারের কক্ষ থেকে বেরিয়ে জিজ্ঞেস করলাম ‘এতদিন চোখের ডাক্তার দেখাননি কেন? তিনি বললে ‘ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় দেহাছিলাম, চোখের ডাক্তার বলেছিল- আপনার যে অবস্থা অপারেশন করায়া লাভ নাই, চোহে দেখবেন এমন গ্যারান্টি হেউ দিতে পারবে না, আমার ঔষধ নিয়মিত ব্যবহার হরে যান এতে হিছুটা উপহার পাবেন। ডাক্তারের হথা শুইন্না আর অপারেশন হরাই নাই। হের ঔষধ ব্যবহার হইরা গেছি, পরে ধীরে ধীরে চোহের পাওয়ার হইম্মা গেছে।’
বিকালে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ইসিজি করালাম। রেজাল্ট এলো-হার্টে কোন সমস্যা নেই। কনফার্ম হবার জন্য আরেকটি হাসপাতালে ইসিজি করালাম-এবার রেজাল্ট একই। এবার যে ডাক্তার বলেছিলেন ৪টি ব্লকের কথা তার কাগজপত্র বের করতে বললাম। বিরাট বড় রঙিন ফাইল ‘মেডিসিন, শিশু, চর্ম ও যৌন, সেক্স, কুষ্ট ও এলার্জি রোগে অভিজ্ঞ ডা. মো. কৌশিক আহমেদ (বাবু)-এম.বি.বি.এস, এফ.সি.জি.পি (মেডিসিন), ডিএমইউ, এ.ডি.এম.ইউ (ভাসকুলার ডুপলেক্স), সি.সি.ডি (বারডেম হাসপাতাল) সি-কার্ড (কার্ডিওলজি), ডি.ও.সি (চর্ম ও যৌর রোগ)। প্রাক্তন মেডিকেল অফিসার মা ও শিশু হাসপাতাল, চট্টগ্রাম। মেডিসিন, হৃদরোগ, ডায়বেটিস, শিশু, চর্ম ও যৌন রোগে অভিজ্ঞ। তারপর ইংরেজিতে লেখা‘ কোয়ালিটি মেইকস আস ডিফারেন্ট (ছঁধষরঃু সধশবং ঁং ফরভভবৎবহঃ)’ দি-ডাচ্ বাংলা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এন্ড হসপিটাল, পুরাতন জেল রোড, ব্রাহ্মনবাড়িয়া। খোঁজ নিয়ে জানলাম এটিও একটি চক্র, চুক্তির পর টাকা আগে আদায় করে রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে ঢুকিয়ে বামপাশে চামড়া কেটে সেলাই করে কিছুক্ষণ পর নিয়ে যাওয়া হয় করোনারী কেয়ার ইউনিটে। একদিন পর রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে যায়। সমস্ত কাজটাই করা হয় চুক্তিতে। আদায়ের পরেই টাকা ভাগাভাগি করে নেন তারা।
পরবর্তীতে রোগীকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনষ্টিটিউটে এক মাসের মাথায় দুই চোখের ছানি অপারেশন করে ল্যান্স লাগানো হয়। এখন রোগী পুরোপুরি দেখতে না পেলেও একা একা চলতে পারেন। সময়মত (যখন ব্রাহ্মনবাড়িয়ার তথাকথিত ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন) ছানি অপারেশন করে ল্যান্স লাগালে পুরোপুরি দেখতে পেতেন। এই ডাক্তারদের বিচার কে করবে?

দৃশ্যপট : তিন
আমার এক সাংবাদিক বন্ধুর স্ত্রীর কথাই এবার বলছি। দীর্ঘদিন একই বাসায় পাশাপাশি বাসায় ভাড়া ছিলাম আমরা, ফলে সম্পর্কটা আরো গভীর হয়েছে। বন্ধুর সুন্দরী স্ত্রী ছিলেন বাবা-মা’র অতি আদরের সন্তান। পায়ের উপর পা রেখে আরামেই কেটেছে তার শৈশব ও কৈশোর। বিয়ের পর স্বামীর বাড়িতেও একই অবস্থা, সব কাজ করেন কাজের বুয়া। খাওয়া আর বন্ধুর সাথে ঘুমানো ছাড়া আর কোন কাজ নেই তার। শুয়ে, বসে আর ঘুমিয়েই কেটেছে তার দিন। ফলে অল্প বয়সেই ডায়বেটিস-এ আক্রান্ত হন তিনি। এখন তিন বেলা ইনসুলিন নিতে হয়। ঘুম থেকে ওঠে ফজরের নামাজ আদায় করেই হাটতে বের হন, আবার বিকালেও হাটেন। কিছুদিন আগে প্রশ্রাবের জ্বালা-পুড়া সংক্রান্ত সমস্যার কারণে মিরপুর ১০ নম্বরে অবস্থিত ‘আলোক ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল-এ সাক্ষাত করেন ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ এক মহিলা ডাক্তারের সাথে। ডাক্তার প্রথমে তাকে বেশকিছু টেস্ট দেন। টেস্টগুলো করিয়ে পরদিন আবার দেখা করেন ডাক্তারের সাথে। ডাক্তার রিপোর্টগুলো দেখে বলেন ‘আপনার কিডনীতে গুরুতর ইনফেকশন হয়েছে, দ্রুত অপারেশন না করালে পঁচে গন্ধ বেরুবে, কেউ আপনার কাছেও আসবে না, আপনার চারপাশে মাছি ভন ভন করবে। দ্রুত অপারেশন করতে হবে, কোন ঔষধে কাজ হবে না। আমি অপারেশন করে ইনফেকশনের স্থানটি ভালভাবে পরিস্কার করে ঔষধ দেব, ভাল হয়ে যাবেন আপনি।’ ডাক্তারের কথা শোনে তার মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। স্বামীর সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে বেরিয়ে এলেন ডাক্তারের চেম্বার থেকে। রাস্তায় নেমেই মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন। আশপাশের লোকজন রাস্তা থেকে তুলে এনে মাথায় পানি ঢাললেন। কিছুক্ষণ পর অবস্থা স্বাভাবিক হলে রিকসায় চড়ে বাসায় আসেন। পরিবারের সবার সাথে আলোচনা করে ভারতে যাবার সিদ্ধান্ত নিলেন। পাসপোর্ট করাই ছিল। ভিসা পেয়ে চলে গেল ভারতে। ডাক্তার প্রথমে কিছু টেস্ট করাতে দিলেন। আলোক-এর চেয়ে চার ভাগের এক ভাগ টাকায় টেস্টগুলো করালেন। রিপোর্ট নিয়ে দেখা করার পর ডাক্তার বললেন ‘চিন্তার কোন কারণ নেই, সামান্য ইনফেকশন আছে, ১৫ দিনের ঔষধ দিয়ে দিচ্ছি, ঠিক হয়ে যাবে তবে ঔষধ সেবনকালে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।’ বন্ধুর স্ত্রী জানালেন ‘যে টাকা নিয়ে গিয়েছিলাম তার চার ভাগের এক ভাগও খরচ হয়নি।’ তিনি কয়েকদিন কলকাতায় থেকে চিকিৎসার জন্য নেয়া টাকা থেকে বেঁচে যাওয়া টাকা দিয়ে মনের আনন্দে কেনাকাটা কওে বাড়ি ফিরলেন। এক সপ্তাহ ঔষধ সেবনের পরই সুস্থতা অনুভব করলেন। পুরো ১৫দিন ঔষধ সেবনের পর এখন পুরোপুরি সুস্থ। এখন প্রশ্ন হলো ‘আলোক হাসপাতালের তথাকথিত ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সাহেবার কি বিচার হওয়া উচিত!

Related Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ

সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন...

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

Rajpath Bichtra E-Paper: 20/10/2021

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ

আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী। ১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন...

‘আইএমইডি’র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’

তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে...

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021

Rajpath Bichitra E-Paper 28/09/2021